ঢাকা ০৮:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেবে যুক্তরাষ্ট্র, দাবি ট্রাম্পের রাতারাতি বড় কোন পরিবর্তন করা সম্ভব নয়: আইএমএফকে অর্থমন্ত্রী জনগণের কল্যাণে পুলিশকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে হবে : ডিএমপি কমিশনার টকশোতে আর দেখা যাবে না গোলাম মাওলা রনিকে গাজা পুনর্গঠনে ১০০ কোটি ডলারের সহায়তা উদ্যোগ ঘোষণা ইউরোপীয় ইউনিয়নের দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউনের দুই বছরের কারাদণ্ড মডেল মসজিদ প্রকল্পে দুর্নীতি অত্যন্ত গর্হিত ও ন্যক্কারজনক কাজ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাতারবাড়ী সমুদ্র বন্দর চালু হলে কমবে পণ্য পরিবহন ব্যয়: নৌমন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষাকে আরও কার্যকর করতে কাজ করছে সরকার : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জয়পুরহাটে মাদরাসাছাত্রী ধর্ষণ মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

রাতারাতি বড় কোন পরিবর্তন করা সম্ভব নয়: আইএমএফকে অর্থমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাতারাতি বা ওভারনাইট কোনো বড় পরিবর্তন সম্ভব নয় বলে আইএমএফকে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, যে কোন বড় সংস্কার বা পরিবর্তনের জন্য সময়ের প্রয়োজন। এবং আইএমএফ প্রতিনিধির দল এতে একমত পোষণ করেছে বলে জানান মন্ত্রী।

সোমবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ঢাকা সফররত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (IMF) বাংলাদেশ ও হংকং বিষয়ক মিশন প্রধান Ivo Krznar এর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়িত্বশীলতার প্রতি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) এর প্রতিনিধি সম্মান জানিয়েছে। আইএমএফ-এর সঙ্গে বাংলাদেশের আগামী দিনের নতুন কর্মসূচির ভিত্তি ও সিকোয়েন্সিং নিয়ে এবং নীতিমালার সার্বিক দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আইএমএফ-এর সঙ্গে নতুন কর্মসূচি কোন ভিত্তির ওপর পরিচালিত হবে, তা পরিষ্কার করা হয়েছে এবং প্রস্তাবিত ভিত্তিসমূহের ওপর তারা সম্পূর্ণ একমত পোষণ করেছেন। সংস্কার কর্মসূচির ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দেশের অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে ধাপে ধাপে (Sequencing) পরিবর্তনগুলো আনা হবে।

তিনি বলেন, দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে কোন সংস্কার কখন করা প্রয়োজন, সেই অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ক্রমান্বয়ে পরিবর্তনগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। আইএমএফ এই সিকোয়েন্সিংয়ের নীতিতে সায় দিয়েছে। এছাড়া একটি রাজনৈতিক সরকারের জনকল্যাণমূলক দায়বদ্ধতা এবং রেসপন্সিবিলিটিকে আইএমএফ বিশেষভাবে সম্মান (Respect) জানিয়েছে। দেশের মানুষের স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রেখেই অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তসমূহ গৃহীত হবে।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের চার মাসের মেয়াদে আর্থিক খাতের সংস্কার, শেয়ার বাজার ও ক্যাপিটাল মার্কেটের উন্নয়ন এবং রাজস্ব আদায়ে দৃশ্যমান অগ্রগতিতে আইএমএফ প্রতিনিধি দল সন্তোষ প্রকাশ করেছে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মাত্র চার মাসে ট্যাক্স আদায়কে একটি বড় অর্জন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ইতিবাচক ধারা বজায় রেখে ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত আরও বাড়াতে সরকারের প্রস্তাবনাসমূহ নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।

ভুর্তুকি প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, এখনই সুনির্দিষ্ট ডিটেইলস বা শর্ত নিয়ে আলোচনা হয়নি। মূলত নতুন কর্মসূচির মূল ভিত্তি তৈরি নিয়ে কথা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে বিস্তারিত আলোচনার টেবিলে সকল বিষয়গুলো আসবে। এই আলোচনা একটি চলমান প্রক্রিয়া। আগামী সেপ্টেম্বর বা অক্টোবরে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের বার্ষিক সভায় এ বিষয়ে পরবর্তী আলোচনা হবে। বর্তমান সরকারের সংস্কারমুখী পারফরম্যান্সে আইএমএফ সন্তুষ্ট এবং এই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েই আগামী দিনের নতুন প্রোগ্রাম চূড়ান্ত করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ম্যানেজারের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, নীরবতা ভাঙলেন শ্রাবন্তী

রাতারাতি বড় কোন পরিবর্তন করা সম্ভব নয়: আইএমএফকে অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:০৫:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাতারাতি বা ওভারনাইট কোনো বড় পরিবর্তন সম্ভব নয় বলে আইএমএফকে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, যে কোন বড় সংস্কার বা পরিবর্তনের জন্য সময়ের প্রয়োজন। এবং আইএমএফ প্রতিনিধির দল এতে একমত পোষণ করেছে বলে জানান মন্ত্রী।

সোমবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ঢাকা সফররত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (IMF) বাংলাদেশ ও হংকং বিষয়ক মিশন প্রধান Ivo Krznar এর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়িত্বশীলতার প্রতি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) এর প্রতিনিধি সম্মান জানিয়েছে। আইএমএফ-এর সঙ্গে বাংলাদেশের আগামী দিনের নতুন কর্মসূচির ভিত্তি ও সিকোয়েন্সিং নিয়ে এবং নীতিমালার সার্বিক দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আইএমএফ-এর সঙ্গে নতুন কর্মসূচি কোন ভিত্তির ওপর পরিচালিত হবে, তা পরিষ্কার করা হয়েছে এবং প্রস্তাবিত ভিত্তিসমূহের ওপর তারা সম্পূর্ণ একমত পোষণ করেছেন। সংস্কার কর্মসূচির ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দেশের অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে ধাপে ধাপে (Sequencing) পরিবর্তনগুলো আনা হবে।

তিনি বলেন, দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে কোন সংস্কার কখন করা প্রয়োজন, সেই অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ক্রমান্বয়ে পরিবর্তনগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। আইএমএফ এই সিকোয়েন্সিংয়ের নীতিতে সায় দিয়েছে। এছাড়া একটি রাজনৈতিক সরকারের জনকল্যাণমূলক দায়বদ্ধতা এবং রেসপন্সিবিলিটিকে আইএমএফ বিশেষভাবে সম্মান (Respect) জানিয়েছে। দেশের মানুষের স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রেখেই অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তসমূহ গৃহীত হবে।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের চার মাসের মেয়াদে আর্থিক খাতের সংস্কার, শেয়ার বাজার ও ক্যাপিটাল মার্কেটের উন্নয়ন এবং রাজস্ব আদায়ে দৃশ্যমান অগ্রগতিতে আইএমএফ প্রতিনিধি দল সন্তোষ প্রকাশ করেছে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মাত্র চার মাসে ট্যাক্স আদায়কে একটি বড় অর্জন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ইতিবাচক ধারা বজায় রেখে ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত আরও বাড়াতে সরকারের প্রস্তাবনাসমূহ নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।

ভুর্তুকি প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, এখনই সুনির্দিষ্ট ডিটেইলস বা শর্ত নিয়ে আলোচনা হয়নি। মূলত নতুন কর্মসূচির মূল ভিত্তি তৈরি নিয়ে কথা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে বিস্তারিত আলোচনার টেবিলে সকল বিষয়গুলো আসবে। এই আলোচনা একটি চলমান প্রক্রিয়া। আগামী সেপ্টেম্বর বা অক্টোবরে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের বার্ষিক সভায় এ বিষয়ে পরবর্তী আলোচনা হবে। বর্তমান সরকারের সংস্কারমুখী পারফরম্যান্সে আইএমএফ সন্তুষ্ট এবং এই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েই আগামী দিনের নতুন প্রোগ্রাম চূড়ান্ত করা হবে।