আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
জাতীয় পার্টির নেতা মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীর বাড়িতে রাতযাপন করেছেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এবং পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি।
চট্টগ্রামে ত্রাণ দিতে এসে বাঁশখালীতে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এবং বাঁশখালীর সাবেক এমপি মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীর গ্রামের বাড়িতে রাতযাপন করেন তারা।
রোববার রাতে বাঁশখালীর বন্যাদুর্গত এলাকায় ত্রাণ প্রদান শেষে তারা নেতাকর্মীদের নিয়ে মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীর বাড়িতে উঠেন। সেখানে ডিনার করেন এবং রাতযাপন করেন। তবে মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী ওই রাতে তার গ্রামের বাড়িতে ছিলেন না।
এদিকে আওয়ামী লীগের বিতর্কিত নির্বাচনের সহযোগী হিসেবে জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধের আন্দোলন করেছিল এনসিপিসহ সমমনা দলগুলো। সেই জাতীয় পার্টি নেতার বাসাতেই নাহিদ-হাসনাতের ডিনার এবং রাতযাপনের বিষয়টি নিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে বেশ সমালোচনা হচ্ছে।
যদিও এনসিপির স্থানীয় নেতারা বলছেন, সেটা যে মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীর বাড়ি তা নাহিদ-হাসনাতরা জানতেন না। মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীর আমেরিকা প্রবাসী এক ভাইয়ের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সম্পর্ক রয়েছে। তার সুবাদেই এনসিপি নেতারা ওই বাড়িতে উঠেছিলেন।
মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীর বাড়ি বাঁশখালী উপজেলার বৈলছড়ি গ্রামে। তাদের বাড়িটি মিয়াবাড়ি হিসেবে পরিচিত।
এ প্রসঙ্গে এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ও চট্টগ্রাম-৮ আসন থেকে গত নির্বাচনে এনসিপি থেকে সংসদ সদস্য প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফ যুগান্তরকে বলেন, মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীর নিউইয়র্ক প্রবাসী ভাই রায়হানুল ইসলাম চৌধুরীর সঙ্গে তাদের নেতাদের সম্পর্ক রয়েছে। রায়হান পরিবেশ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। তার বাড়ি হিসেবেই গেছেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা। তবে সেটা যে জাতীয় পার্টি নেতা মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীর বাড়ি সেটা তারা জানতেন না।
এ প্রসঙ্গে মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বাড়িটি তার একার নয়। তাদের ৬ ভাইয়ের বাড়ি এটা। নিউইয়র্ক প্রবাসী তার এক ভাইয়ের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সম্পর্ক বা যোগাযোগ আছে। তার সঙ্গে কথা বলেই এনসিপি নেতারা তাদের গ্রামের বাড়িতে উঠেছিলেন এবং রাতযাপন করেছেন।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 


















