ঢাকা ০৫:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই একমাত্র সমাধান : জাতিসংঘে শামা ওবায়েদ তৎকালীন আওয়ামী সরকারের কারণে জনগণ পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত: মির্জা ফখরুল সংবিধান সংশোধন: প্রতিশ্রুতি ছাড়া কমিটিতে থাকতে চায় না জামায়াত পশ্চিমবঙ্গে জোট নয়; ‘একলা লড়াই’র ডাক রাহুল গান্ধীর বিশেষায়িত ইউনিটে জনবল বৃদ্ধি চায় পুলিশ পাকিস্তানে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ৮ সেনা নিহত হয় চুক্তি করবে, না হয় নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে: ইরানকে হুমকি ট্রাম্পের উপদেষ্টার কর্মকাণ্ডে উদ্বিগ্ন হয়ে ২০২৪ সালেই প্রশ্ন তুলেছিলাম: তাসনিম জারা পরিমার্জন হচ্ছে ২০২৭ সালের পাঠ্যবই, ফিরছে প্রকৃত ইতিহাস: এনসিটিবি চেয়ারম্যান কৃষক কার্ডে ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন কৃষকরা: চিফ হুইপ

ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড নিয়ে সতর্কবার্তা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সব ধরনের ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারীদের আর্থিক প্রতারণার ঝুঁকি এড়াতে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কোনো তৃতীয় পক্ষ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাংক গ্রাহকদের প্লাস্টিকের ডেবিট ও ক্রেডিড কার্ডকে মেটাল কার্ডে রূপান্তর করতে নিষেধ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাতে সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুক ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে গ্রাহকদের জন্য সতর্কবার্তাটি পোস্ট করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কিছু অননুমোদিত তৃতীয় পক্ষের (থার্ড-পার্টি) প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের ডেবিট বা ক্রেডিট প্লাস্টিক কার্ডকে মেটাল কার্ডে রূপান্তরের প্রলোভন দিচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় গ্রাহকদের কার্ড নম্বর, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ, সিভিভি (CVV) সহ সংবেদনশীল তথ্য সেই প্রতিষ্ঠানের নিকট শেয়ার করতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

এসব প্রতিষ্ঠান কোনো ব্যাংক বা নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত নয়। ফলে এ ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে নিম্নোক্ত ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে—

১. কার্ডের গোপনীয় তথ্য ফাঁস হয়ে জালিয়াতির আশঙ্কা;

২. অননুমোদিত লেনদেন সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা;

৩. গ্রাহকের আর্থিক ক্ষতি ও তথ্য নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়া;

৪. সামগ্রিক কার্ড ব্যবস্থাপনায় ঝুঁকি বৃদ্ধি পাওয়া।

অননুমোদিত প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির কাছে কার্ড সংক্রান্ত তথ্য দেয়াসহ প্লাস্টিক কার্ডকে মেটাল কার্ডে রূপান্তরকরণ থেকে সব গ্রাহককে বিরত থাকার অনুরোধ করা যাচ্ছে এবং কার্ড সংক্রান্ত যেকোনো সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের অনুমোদিত চ্যানেল ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানায়, গ্রাহকের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ব্যাংকগুলোর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কোনো অবস্থাতেই ওটিপি (OTP) কিংবা কার্ডের কোনো তথ্য শেয়ার করবেন না এবং যেকোনো সন্দেহজনক কার্যক্রম লক্ষ্য করলে অবিলম্বে ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘মৃত্যু নিয়ে এমন ব্যবসা ঠিক না’, কারিনার মৃত্যুর গুজবে কায়সার হামিদের ক্ষোভ

ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড নিয়ে সতর্কবার্তা

আপডেট সময় ১২:২১:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সব ধরনের ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারীদের আর্থিক প্রতারণার ঝুঁকি এড়াতে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কোনো তৃতীয় পক্ষ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাংক গ্রাহকদের প্লাস্টিকের ডেবিট ও ক্রেডিড কার্ডকে মেটাল কার্ডে রূপান্তর করতে নিষেধ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাতে সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুক ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে গ্রাহকদের জন্য সতর্কবার্তাটি পোস্ট করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কিছু অননুমোদিত তৃতীয় পক্ষের (থার্ড-পার্টি) প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের ডেবিট বা ক্রেডিট প্লাস্টিক কার্ডকে মেটাল কার্ডে রূপান্তরের প্রলোভন দিচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় গ্রাহকদের কার্ড নম্বর, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ, সিভিভি (CVV) সহ সংবেদনশীল তথ্য সেই প্রতিষ্ঠানের নিকট শেয়ার করতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

এসব প্রতিষ্ঠান কোনো ব্যাংক বা নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত নয়। ফলে এ ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে নিম্নোক্ত ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে—

১. কার্ডের গোপনীয় তথ্য ফাঁস হয়ে জালিয়াতির আশঙ্কা;

২. অননুমোদিত লেনদেন সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা;

৩. গ্রাহকের আর্থিক ক্ষতি ও তথ্য নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়া;

৪. সামগ্রিক কার্ড ব্যবস্থাপনায় ঝুঁকি বৃদ্ধি পাওয়া।

অননুমোদিত প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির কাছে কার্ড সংক্রান্ত তথ্য দেয়াসহ প্লাস্টিক কার্ডকে মেটাল কার্ডে রূপান্তরকরণ থেকে সব গ্রাহককে বিরত থাকার অনুরোধ করা যাচ্ছে এবং কার্ড সংক্রান্ত যেকোনো সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের অনুমোদিত চ্যানেল ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানায়, গ্রাহকের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ব্যাংকগুলোর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কোনো অবস্থাতেই ওটিপি (OTP) কিংবা কার্ডের কোনো তথ্য শেয়ার করবেন না এবং যেকোনো সন্দেহজনক কার্যক্রম লক্ষ্য করলে অবিলম্বে ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।