ঢাকা ০২:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ধেয়ে আসছে শক্তিশালী সৌরশিখা

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

সূর্য থেকে ধেয়ে আসা শক্তিশালী সৌর শিখার প্রভাবে উত্তাল হয়ে উঠেছে মহাকাশের পরিবেশ। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সূর্যের এআর৪৪৩৬ নামক একটি অত্যন্ত সক্রিয় সৌর কলঙ্ক অঞ্চল থেকে এই শিখাটি উৎপন্ন হয়েছে। বর্তমানে সূর্যের ঘূর্ণন প্রক্রিয়ায় ওই অঞ্চলটি সরাসরি পৃথিবীর অভিমুখে অবস্থান করায় তৈরি হয়েছে ভূ-চৌম্বকীয় অস্থিরতার আশঙ্কা। এই শক্তিশালী বিকিরণের প্রভাবে উত্তর গোলার্ধের বিভিন্ন দেশে বেতার যোগাযোগে সাময়িক বিঘ্ন ঘটার পাশাপাশি আকাশে চোখধাঁধানো মেরুজ্যোতি বা অরোরা দেখা যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

নাসা ও বিভিন্ন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সৌর শিখার পাশাপাশি সূর্য থেকে একটি ‘করোনাল মাস ইজেকশন’ সিএমই নামের বিশাল চার্জিত কণার মেঘ মহাশূন্যে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৬৫০ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে আসা এই চৌম্বকীয় কণার মেঘটি যদিও পৃথিবীর কক্ষপথের সামান্য পেছন দিয়ে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তবুও এর একটি অংশ পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রে আঘাত হানতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই কণাগুলো বায়ুমণ্ডলের ওপরের স্তরে ঘর্ষণের ফলে উত্তর স্কটল্যান্ড, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর আকাশে সবুজ ও লাল রঙের আলোর নাচন বা মেরুজ্যোতি দৃশ্যমান হতে পারে।

যুক্তরাজ্যের আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আকাশ পরিষ্কার থাকলে সাধারণ সময়ের চেয়ে অনেক বেশি দক্ষিণ দিকেও এই মেরুজ্যোতি দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আশার কথা হলো, বর্তমান গাণিতিক মডেল অনুযায়ী খুব ভয়াবহ কোনো ভূ-চৌম্বকীয় ঝড়ের আশঙ্কা নেই। সূর্য নিয়মিতভাবে এ ধরনের শক্তি নির্গত করে থাকে এবং পৃথিবী মাঝেমধ্যেই সেই শক্তির গতিপথে পড়ে যায়। বিজ্ঞানীরা সার্বক্ষণিকভাবে কণার মেঘটির গতিপথ পর্যবেক্ষণ করছেন এবং জানিয়েছেন যে, বেতার যোগাযোগে সামান্য গোলযোগ ছাড়া জনজীবনে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা আপাতত নেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ধেয়ে আসছে শক্তিশালী সৌরশিখা

আপডেট সময় ০৯:৪০:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

সূর্য থেকে ধেয়ে আসা শক্তিশালী সৌর শিখার প্রভাবে উত্তাল হয়ে উঠেছে মহাকাশের পরিবেশ। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সূর্যের এআর৪৪৩৬ নামক একটি অত্যন্ত সক্রিয় সৌর কলঙ্ক অঞ্চল থেকে এই শিখাটি উৎপন্ন হয়েছে। বর্তমানে সূর্যের ঘূর্ণন প্রক্রিয়ায় ওই অঞ্চলটি সরাসরি পৃথিবীর অভিমুখে অবস্থান করায় তৈরি হয়েছে ভূ-চৌম্বকীয় অস্থিরতার আশঙ্কা। এই শক্তিশালী বিকিরণের প্রভাবে উত্তর গোলার্ধের বিভিন্ন দেশে বেতার যোগাযোগে সাময়িক বিঘ্ন ঘটার পাশাপাশি আকাশে চোখধাঁধানো মেরুজ্যোতি বা অরোরা দেখা যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

নাসা ও বিভিন্ন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সৌর শিখার পাশাপাশি সূর্য থেকে একটি ‘করোনাল মাস ইজেকশন’ সিএমই নামের বিশাল চার্জিত কণার মেঘ মহাশূন্যে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৬৫০ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে আসা এই চৌম্বকীয় কণার মেঘটি যদিও পৃথিবীর কক্ষপথের সামান্য পেছন দিয়ে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তবুও এর একটি অংশ পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রে আঘাত হানতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই কণাগুলো বায়ুমণ্ডলের ওপরের স্তরে ঘর্ষণের ফলে উত্তর স্কটল্যান্ড, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর আকাশে সবুজ ও লাল রঙের আলোর নাচন বা মেরুজ্যোতি দৃশ্যমান হতে পারে।

যুক্তরাজ্যের আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আকাশ পরিষ্কার থাকলে সাধারণ সময়ের চেয়ে অনেক বেশি দক্ষিণ দিকেও এই মেরুজ্যোতি দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আশার কথা হলো, বর্তমান গাণিতিক মডেল অনুযায়ী খুব ভয়াবহ কোনো ভূ-চৌম্বকীয় ঝড়ের আশঙ্কা নেই। সূর্য নিয়মিতভাবে এ ধরনের শক্তি নির্গত করে থাকে এবং পৃথিবী মাঝেমধ্যেই সেই শক্তির গতিপথে পড়ে যায়। বিজ্ঞানীরা সার্বক্ষণিকভাবে কণার মেঘটির গতিপথ পর্যবেক্ষণ করছেন এবং জানিয়েছেন যে, বেতার যোগাযোগে সামান্য গোলযোগ ছাড়া জনজীবনে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা আপাতত নেই।