ঢাকা ০৫:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই একমাত্র সমাধান : জাতিসংঘে শামা ওবায়েদ তৎকালীন আওয়ামী সরকারের কারণে জনগণ পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত: মির্জা ফখরুল সংবিধান সংশোধন: প্রতিশ্রুতি ছাড়া কমিটিতে থাকতে চায় না জামায়াত পশ্চিমবঙ্গে জোট নয়; ‘একলা লড়াই’র ডাক রাহুল গান্ধীর বিশেষায়িত ইউনিটে জনবল বৃদ্ধি চায় পুলিশ পাকিস্তানে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ৮ সেনা নিহত হয় চুক্তি করবে, না হয় নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে: ইরানকে হুমকি ট্রাম্পের উপদেষ্টার কর্মকাণ্ডে উদ্বিগ্ন হয়ে ২০২৪ সালেই প্রশ্ন তুলেছিলাম: তাসনিম জারা পরিমার্জন হচ্ছে ২০২৭ সালের পাঠ্যবই, ফিরছে প্রকৃত ইতিহাস: এনসিটিবি চেয়ারম্যান কৃষক কার্ডে ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন কৃষকরা: চিফ হুইপ

ধেয়ে আসছে শক্তিশালী সৌরশিখা

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

সূর্য থেকে ধেয়ে আসা শক্তিশালী সৌর শিখার প্রভাবে উত্তাল হয়ে উঠেছে মহাকাশের পরিবেশ। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সূর্যের এআর৪৪৩৬ নামক একটি অত্যন্ত সক্রিয় সৌর কলঙ্ক অঞ্চল থেকে এই শিখাটি উৎপন্ন হয়েছে। বর্তমানে সূর্যের ঘূর্ণন প্রক্রিয়ায় ওই অঞ্চলটি সরাসরি পৃথিবীর অভিমুখে অবস্থান করায় তৈরি হয়েছে ভূ-চৌম্বকীয় অস্থিরতার আশঙ্কা। এই শক্তিশালী বিকিরণের প্রভাবে উত্তর গোলার্ধের বিভিন্ন দেশে বেতার যোগাযোগে সাময়িক বিঘ্ন ঘটার পাশাপাশি আকাশে চোখধাঁধানো মেরুজ্যোতি বা অরোরা দেখা যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

নাসা ও বিভিন্ন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সৌর শিখার পাশাপাশি সূর্য থেকে একটি ‘করোনাল মাস ইজেকশন’ সিএমই নামের বিশাল চার্জিত কণার মেঘ মহাশূন্যে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৬৫০ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে আসা এই চৌম্বকীয় কণার মেঘটি যদিও পৃথিবীর কক্ষপথের সামান্য পেছন দিয়ে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তবুও এর একটি অংশ পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রে আঘাত হানতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই কণাগুলো বায়ুমণ্ডলের ওপরের স্তরে ঘর্ষণের ফলে উত্তর স্কটল্যান্ড, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর আকাশে সবুজ ও লাল রঙের আলোর নাচন বা মেরুজ্যোতি দৃশ্যমান হতে পারে।

যুক্তরাজ্যের আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আকাশ পরিষ্কার থাকলে সাধারণ সময়ের চেয়ে অনেক বেশি দক্ষিণ দিকেও এই মেরুজ্যোতি দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আশার কথা হলো, বর্তমান গাণিতিক মডেল অনুযায়ী খুব ভয়াবহ কোনো ভূ-চৌম্বকীয় ঝড়ের আশঙ্কা নেই। সূর্য নিয়মিতভাবে এ ধরনের শক্তি নির্গত করে থাকে এবং পৃথিবী মাঝেমধ্যেই সেই শক্তির গতিপথে পড়ে যায়। বিজ্ঞানীরা সার্বক্ষণিকভাবে কণার মেঘটির গতিপথ পর্যবেক্ষণ করছেন এবং জানিয়েছেন যে, বেতার যোগাযোগে সামান্য গোলযোগ ছাড়া জনজীবনে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা আপাতত নেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘মৃত্যু নিয়ে এমন ব্যবসা ঠিক না’, কারিনার মৃত্যুর গুজবে কায়সার হামিদের ক্ষোভ

ধেয়ে আসছে শক্তিশালী সৌরশিখা

আপডেট সময় ০৯:৪০:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

সূর্য থেকে ধেয়ে আসা শক্তিশালী সৌর শিখার প্রভাবে উত্তাল হয়ে উঠেছে মহাকাশের পরিবেশ। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সূর্যের এআর৪৪৩৬ নামক একটি অত্যন্ত সক্রিয় সৌর কলঙ্ক অঞ্চল থেকে এই শিখাটি উৎপন্ন হয়েছে। বর্তমানে সূর্যের ঘূর্ণন প্রক্রিয়ায় ওই অঞ্চলটি সরাসরি পৃথিবীর অভিমুখে অবস্থান করায় তৈরি হয়েছে ভূ-চৌম্বকীয় অস্থিরতার আশঙ্কা। এই শক্তিশালী বিকিরণের প্রভাবে উত্তর গোলার্ধের বিভিন্ন দেশে বেতার যোগাযোগে সাময়িক বিঘ্ন ঘটার পাশাপাশি আকাশে চোখধাঁধানো মেরুজ্যোতি বা অরোরা দেখা যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

নাসা ও বিভিন্ন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সৌর শিখার পাশাপাশি সূর্য থেকে একটি ‘করোনাল মাস ইজেকশন’ সিএমই নামের বিশাল চার্জিত কণার মেঘ মহাশূন্যে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৬৫০ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে আসা এই চৌম্বকীয় কণার মেঘটি যদিও পৃথিবীর কক্ষপথের সামান্য পেছন দিয়ে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তবুও এর একটি অংশ পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রে আঘাত হানতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই কণাগুলো বায়ুমণ্ডলের ওপরের স্তরে ঘর্ষণের ফলে উত্তর স্কটল্যান্ড, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর আকাশে সবুজ ও লাল রঙের আলোর নাচন বা মেরুজ্যোতি দৃশ্যমান হতে পারে।

যুক্তরাজ্যের আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আকাশ পরিষ্কার থাকলে সাধারণ সময়ের চেয়ে অনেক বেশি দক্ষিণ দিকেও এই মেরুজ্যোতি দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আশার কথা হলো, বর্তমান গাণিতিক মডেল অনুযায়ী খুব ভয়াবহ কোনো ভূ-চৌম্বকীয় ঝড়ের আশঙ্কা নেই। সূর্য নিয়মিতভাবে এ ধরনের শক্তি নির্গত করে থাকে এবং পৃথিবী মাঝেমধ্যেই সেই শক্তির গতিপথে পড়ে যায়। বিজ্ঞানীরা সার্বক্ষণিকভাবে কণার মেঘটির গতিপথ পর্যবেক্ষণ করছেন এবং জানিয়েছেন যে, বেতার যোগাযোগে সামান্য গোলযোগ ছাড়া জনজীবনে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা আপাতত নেই।