ঢাকা ১০:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি হাসপাতালই যেন মানুষের একমাত্র ভরসার জায়গা হয়: প্রধানমন্ত্রী ‘যুগপৎ আন্দোলনের সময় ঘোষিত ৩১ দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে’:মির্জা ফখরুল পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্যেই গড়ে উঠবে আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ: আমিনুল হক বাধ্যতামূলক অবসরে অতিরিক্ত ডিআইজি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে রাশেদ খাঁনের শ্রদ্ধা নিবেদন মার্কিন সেনা হত্যার জন্য ইরানকে বহুগুণ বেশি মূল্য চোকাতে হবে: ট্রাম্প প্রতিটি কর্মঘণ্টা ও করের প্রতিটি টাকার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে:জনপ্রশাসন উপদেষ্টা জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন ‘জেন্টলম্যান ফর এক্সেলেন্স’: প্রধান বিচারপতি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বিমসটেকের সক্রিয় ভূমিকা চায় ঢাকা কাপ্তাই হৃদে নিখোঁজ বিএনপি নেতার লাশ উদ্ধার

টঙ্গীতে হোটেলে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

গাজীপুরের টঙ্গীতে জাবান হোটেল অ্যান্ড বারে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় হোটেলের দুই কর্মচারী ও এক এলাকাবাসী এবং তিন কিশোর গ্যাং সদস্য আহত হয়েছেন।

আহতরা হলেন- জাবান হোটেলের নিরাপত্তাকর্মী দারুল (২৮), কর্মচারী রাসেল (২৬) ও এলাকাবাসী শ্যামল (৪০)।

অপরদিকে এলাকাবাসী ও হোটেল কর্মচারীদের পিটুনিতে টঙ্গীর কিশোর গ্যাং লিডার ভাদাইম্মা সবুজ (৩০), জাকির ও সানি আহত হন।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ভোরে টঙ্গীর আমতলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পোঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।

হোটেল সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোররাতে হোটেল বন্ধের প্রাক্কালে জোরপূর্বক হোটেলে প্রবেশের চেষ্টা করেন সোহেল, রুম্মান ও সানি নামের তিন ব্যক্তি। এ সময় নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের বাধা দিলে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তাদের ফোনে টঙ্গী পূর্ব আরিচপুর এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও কিশোর গ্যাং লিডার সবুজ ওরফে ভাদাইম্মা সবুজের নেতৃত্বে ১০-১৫ জন সন্ত্রাসী হোটেলের সামনে উপস্থিত হয়ে এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। এ সময় বেশ কয়েকটি ককটেলসদৃশ বস্তুর বিস্ফোরণ ঘটায় তারা। এতে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পরে প্রতিষ্ঠানটির নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের প্রতিরোধ করতে গেলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে গুরুতর আহত হন টঙ্গী পূর্ব আরিচপুর বৌবাজার এলাকার ভাদাইম্মা সবুজ, তার সহযোগী জাকির ও ঢাকার উত্তরার কিশোর গ্যাং লিডার সানি। এ সময় কিশোরগ্যাং সদস্যদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হোটেল কর্মচারী রাসেল, ককটেলের আঘাতে এলাকাবাসী শ্যামল ও মারধরে হোটেলের সিকিউরিটি গার্ড দারুল আহত হন।

পরে তাদের উদ্ধার করে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ভাদাইম্মা সবুজ ও জাকিরকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠায়।

এ বিষয়ে জাবান হোটেলের মালিক সায়মন খান বলেন, উত্তরার কিশোর গ্যাং লিডার সানি এবং টঙ্গীর কিশোর গ্যাং লিডার ভাদাইম্মা সবুজের নেতৃত্বে ১০-১৫ জন ভোররাতে হোটেলে হামলা চালায়। এ সময় তারা আমার সিকিউরিটি গার্ড ও কর্মচারীদের মারধর করে ককটেল বিস্ফারণ ঘটিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ প্রেরণ করা হয়েছিল। বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেলেও কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় তদন্ত চলমান রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি হাসপাতালই যেন মানুষের একমাত্র ভরসার জায়গা হয়: প্রধানমন্ত্রী

টঙ্গীতে হোটেলে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ৬

আপডেট সময় ০৬:৪৮:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

গাজীপুরের টঙ্গীতে জাবান হোটেল অ্যান্ড বারে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় হোটেলের দুই কর্মচারী ও এক এলাকাবাসী এবং তিন কিশোর গ্যাং সদস্য আহত হয়েছেন।

আহতরা হলেন- জাবান হোটেলের নিরাপত্তাকর্মী দারুল (২৮), কর্মচারী রাসেল (২৬) ও এলাকাবাসী শ্যামল (৪০)।

অপরদিকে এলাকাবাসী ও হোটেল কর্মচারীদের পিটুনিতে টঙ্গীর কিশোর গ্যাং লিডার ভাদাইম্মা সবুজ (৩০), জাকির ও সানি আহত হন।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ভোরে টঙ্গীর আমতলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পোঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।

হোটেল সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোররাতে হোটেল বন্ধের প্রাক্কালে জোরপূর্বক হোটেলে প্রবেশের চেষ্টা করেন সোহেল, রুম্মান ও সানি নামের তিন ব্যক্তি। এ সময় নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের বাধা দিলে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তাদের ফোনে টঙ্গী পূর্ব আরিচপুর এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও কিশোর গ্যাং লিডার সবুজ ওরফে ভাদাইম্মা সবুজের নেতৃত্বে ১০-১৫ জন সন্ত্রাসী হোটেলের সামনে উপস্থিত হয়ে এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। এ সময় বেশ কয়েকটি ককটেলসদৃশ বস্তুর বিস্ফোরণ ঘটায় তারা। এতে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পরে প্রতিষ্ঠানটির নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের প্রতিরোধ করতে গেলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে গুরুতর আহত হন টঙ্গী পূর্ব আরিচপুর বৌবাজার এলাকার ভাদাইম্মা সবুজ, তার সহযোগী জাকির ও ঢাকার উত্তরার কিশোর গ্যাং লিডার সানি। এ সময় কিশোরগ্যাং সদস্যদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হোটেল কর্মচারী রাসেল, ককটেলের আঘাতে এলাকাবাসী শ্যামল ও মারধরে হোটেলের সিকিউরিটি গার্ড দারুল আহত হন।

পরে তাদের উদ্ধার করে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ভাদাইম্মা সবুজ ও জাকিরকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠায়।

এ বিষয়ে জাবান হোটেলের মালিক সায়মন খান বলেন, উত্তরার কিশোর গ্যাং লিডার সানি এবং টঙ্গীর কিশোর গ্যাং লিডার ভাদাইম্মা সবুজের নেতৃত্বে ১০-১৫ জন ভোররাতে হোটেলে হামলা চালায়। এ সময় তারা আমার সিকিউরিটি গার্ড ও কর্মচারীদের মারধর করে ককটেল বিস্ফারণ ঘটিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ প্রেরণ করা হয়েছিল। বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেলেও কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় তদন্ত চলমান রয়েছে।