ঢাকা ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি ব্যবসায়ীকে আটকে চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ কারাগারে ৬ দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা

ভোটে হারের পর আদালতে মমতা, পুরনো পেশায় প্রত্যাবর্তন

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচনে পরাজয়ের পর আবারও নিজের পুরনো পেশায় ফিরেছেন। আইনজীবীর পোশাক পরে তিনি কলকাতা হাইকোর্টে একটি শুনানিতে অংশ নিয়েছেন, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।

বৃহস্পতিবার ভোট পরবর্তী সহিংসতার একটি মামলার শুনানিতে অংশ নিতে আদালতে যান তিনি। আইন বিষয়ে পড়াশোনা করা মমতা একসময় আইন পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এবার সেই পরিচয়েই আদালতে উপস্থিত হন।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে সাম্প্রতিক নির্বাচনের পর বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় ঘরবাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে অন্তত চারজন নিহত এবং এক হাজারের বেশি মানুষ আটক হয়েছেন বলে জানা গেছে।

এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় দাবি করা হয়েছে, দলটির কার্যালয় ভাঙচুর, কর্মী সমর্থকদের ওপর হামলা এবং ঘরছাড়া হওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। এসব বিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে।

মামলার শুনানিতে অংশ নিয়ে মমতা জানান, ১৯৮৫ সাল থেকে তিনি আইনজীবী এবং সেই পরিচয়েই তিনি আদালতে উপস্থিত হয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন বয়সী মানুষকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হচ্ছে এবং সংখ্যালঘু ও তফসিলি জাতির মানুষের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।

এদিন সকালে আইনজীবীর পোশাক পরে কালীঘাটের বাসা থেকে বের হয়ে হাইকোর্টে পৌঁছান তিনি। আদালত প্রাঙ্গণে তাকে ঘিরে কৌতূহলী ভিড় দেখা গেলেও কোনো মন্তব্য না করে সরাসরি আদালতে প্রবেশ করেন।

আদালতে তৃণমূল নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, নির্বাচনের পর দলটির বহু কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। বুলডোজার দিয়ে বাড়ি ভাঙার ঘটনাও তুলে ধরে এ বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা চাওয়া হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চট্টগ্রামের মুরাদপুরে নতুন আঞ্চলিক কার্যালয় খুলল শান্তা লাইফ ইনস্যুরেন্স

ভোটে হারের পর আদালতে মমতা, পুরনো পেশায় প্রত্যাবর্তন

আপডেট সময় ০৪:২০:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচনে পরাজয়ের পর আবারও নিজের পুরনো পেশায় ফিরেছেন। আইনজীবীর পোশাক পরে তিনি কলকাতা হাইকোর্টে একটি শুনানিতে অংশ নিয়েছেন, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।

বৃহস্পতিবার ভোট পরবর্তী সহিংসতার একটি মামলার শুনানিতে অংশ নিতে আদালতে যান তিনি। আইন বিষয়ে পড়াশোনা করা মমতা একসময় আইন পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এবার সেই পরিচয়েই আদালতে উপস্থিত হন।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে সাম্প্রতিক নির্বাচনের পর বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় ঘরবাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে অন্তত চারজন নিহত এবং এক হাজারের বেশি মানুষ আটক হয়েছেন বলে জানা গেছে।

এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় দাবি করা হয়েছে, দলটির কার্যালয় ভাঙচুর, কর্মী সমর্থকদের ওপর হামলা এবং ঘরছাড়া হওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। এসব বিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে।

মামলার শুনানিতে অংশ নিয়ে মমতা জানান, ১৯৮৫ সাল থেকে তিনি আইনজীবী এবং সেই পরিচয়েই তিনি আদালতে উপস্থিত হয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন বয়সী মানুষকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হচ্ছে এবং সংখ্যালঘু ও তফসিলি জাতির মানুষের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।

এদিন সকালে আইনজীবীর পোশাক পরে কালীঘাটের বাসা থেকে বের হয়ে হাইকোর্টে পৌঁছান তিনি। আদালত প্রাঙ্গণে তাকে ঘিরে কৌতূহলী ভিড় দেখা গেলেও কোনো মন্তব্য না করে সরাসরি আদালতে প্রবেশ করেন।

আদালতে তৃণমূল নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, নির্বাচনের পর দলটির বহু কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। বুলডোজার দিয়ে বাড়ি ভাঙার ঘটনাও তুলে ধরে এ বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা চাওয়া হয়।