আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচনে পরাজয়ের পর আবারও নিজের পুরনো পেশায় ফিরেছেন। আইনজীবীর পোশাক পরে তিনি কলকাতা হাইকোর্টে একটি শুনানিতে অংশ নিয়েছেন, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।
বৃহস্পতিবার ভোট পরবর্তী সহিংসতার একটি মামলার শুনানিতে অংশ নিতে আদালতে যান তিনি। আইন বিষয়ে পড়াশোনা করা মমতা একসময় আইন পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এবার সেই পরিচয়েই আদালতে উপস্থিত হন।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে সাম্প্রতিক নির্বাচনের পর বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় ঘরবাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে অন্তত চারজন নিহত এবং এক হাজারের বেশি মানুষ আটক হয়েছেন বলে জানা গেছে।
এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় দাবি করা হয়েছে, দলটির কার্যালয় ভাঙচুর, কর্মী সমর্থকদের ওপর হামলা এবং ঘরছাড়া হওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। এসব বিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে।
মামলার শুনানিতে অংশ নিয়ে মমতা জানান, ১৯৮৫ সাল থেকে তিনি আইনজীবী এবং সেই পরিচয়েই তিনি আদালতে উপস্থিত হয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন বয়সী মানুষকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হচ্ছে এবং সংখ্যালঘু ও তফসিলি জাতির মানুষের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।
এদিন সকালে আইনজীবীর পোশাক পরে কালীঘাটের বাসা থেকে বের হয়ে হাইকোর্টে পৌঁছান তিনি। আদালত প্রাঙ্গণে তাকে ঘিরে কৌতূহলী ভিড় দেখা গেলেও কোনো মন্তব্য না করে সরাসরি আদালতে প্রবেশ করেন।
আদালতে তৃণমূল নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, নির্বাচনের পর দলটির বহু কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। বুলডোজার দিয়ে বাড়ি ভাঙার ঘটনাও তুলে ধরে এ বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা চাওয়া হয়।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















