ঢাকা ০৮:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

গ্রাম্য চিকিৎসককে হত্যার দায়ে ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৬ জনের যাবজ্জীবন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

প্রায় ৭ বছর আগে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ থানা এলাকায় গ্রাম্য চিকিৎসক রেজাউল করিম ওরফে আবু ডাক্তারকে হত্যার দায়ে তিন আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত তিন আসামি হলেন—বাবলু সরদার, টোকন সরদার ও গাজীয়ার সরকার। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত অপর ছয়জন হলেন—সাবেক চেয়ারম্যান আতর আলী, রায়হান সরদার, হাবিবুর রহমান ওরফে হবি সরদার, হেলাল খান, জিল্লুর রহমান ও জিয়া মণ্ডল।

এদিকে রায়ে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১৩ আসামিকে খালাস দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। মামলার বিচার চলাকালে মতিয়ার এবং আলাল সরদার (মাঝি) মারা যাওয়ায় তাদেরও অব্যাহতি দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৪ অক্টোবর গোয়ালন্দ থানার ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলন চলাকালীন সাবেক চেয়ারম্যান আতর আলীর ছেলে যুবলীগ নেতা বাবলু সরদারের সঙ্গে দেবগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাফিজুল ইসলাম বাবলু সরদারের কথা কাটাকাটি হয়। এর জেরে আতর আলীর নেতৃত্বে বাবলু সরদার, টোকন সরদার, রায়হান সরদার, গাজীর সরদারসহ বেশ কয়েকজন আতর আলী বাজারের তিন রাস্তার মোড়ে অবস্থান নেয়। হাফিজুল চেয়ারম্যানের সমর্থকরা সেই পথ দিয়ে ফেরার পথে তাদের আটকে মারধর করা হয়।

সেই সময় সেখান দিয়ে ফিরছিলেন আবু ডাক্তার। তাকেও আটক করে মারধর করা হয়। এতে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে তাকে উদ্ধার করে রক্তাক্ত অবস্থায় গোয়ালন্দ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকেে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে সেখানেই মারা যান আবু ডাক্তার।

এই ঘটনায় মো. মোবারক মোল্লা বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০২২ সালের ৫ অক্টোবর মামলাটি তদন্ত করে ২২ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। মামলাটির বিচারকালে ২৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

গ্রাম্য চিকিৎসককে হত্যার দায়ে ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৬ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০৪:৩৭:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

প্রায় ৭ বছর আগে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ থানা এলাকায় গ্রাম্য চিকিৎসক রেজাউল করিম ওরফে আবু ডাক্তারকে হত্যার দায়ে তিন আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত তিন আসামি হলেন—বাবলু সরদার, টোকন সরদার ও গাজীয়ার সরকার। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত অপর ছয়জন হলেন—সাবেক চেয়ারম্যান আতর আলী, রায়হান সরদার, হাবিবুর রহমান ওরফে হবি সরদার, হেলাল খান, জিল্লুর রহমান ও জিয়া মণ্ডল।

এদিকে রায়ে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১৩ আসামিকে খালাস দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। মামলার বিচার চলাকালে মতিয়ার এবং আলাল সরদার (মাঝি) মারা যাওয়ায় তাদেরও অব্যাহতি দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৪ অক্টোবর গোয়ালন্দ থানার ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলন চলাকালীন সাবেক চেয়ারম্যান আতর আলীর ছেলে যুবলীগ নেতা বাবলু সরদারের সঙ্গে দেবগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাফিজুল ইসলাম বাবলু সরদারের কথা কাটাকাটি হয়। এর জেরে আতর আলীর নেতৃত্বে বাবলু সরদার, টোকন সরদার, রায়হান সরদার, গাজীর সরদারসহ বেশ কয়েকজন আতর আলী বাজারের তিন রাস্তার মোড়ে অবস্থান নেয়। হাফিজুল চেয়ারম্যানের সমর্থকরা সেই পথ দিয়ে ফেরার পথে তাদের আটকে মারধর করা হয়।

সেই সময় সেখান দিয়ে ফিরছিলেন আবু ডাক্তার। তাকেও আটক করে মারধর করা হয়। এতে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে তাকে উদ্ধার করে রক্তাক্ত অবস্থায় গোয়ালন্দ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকেে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে সেখানেই মারা যান আবু ডাক্তার।

এই ঘটনায় মো. মোবারক মোল্লা বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০২২ সালের ৫ অক্টোবর মামলাটি তদন্ত করে ২২ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। মামলাটির বিচারকালে ২৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।