ঢাকা ০১:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন যার ডাকে এতদিন আন্দোলন করেছি সেদিন তিনিই আমাকে তাড়িয়ে দিলেন: ইসহাক সরকার আগুন নিয়ে খেলবেন না: হিজবুল্লাহকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করলেন ইইউ’র প্রধান পর্যবেক্ষক মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য রাশিয়া সাধ্যের মধ্যে সবকিছু করবে: পুতিন ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প ভুল সংশোধনীর মাধ্যমে জোরদার হবে: অর্থমন্ত্রী হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জামায়াত কর্মীকে হত্যা সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা আমেরিকা অপমানিত, ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: জার্মানি ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি চায় না শিক্ষার্থীরা : হুইপ বকুল

প্লাস্টিক সার্জারি নিয়ে ট্রল, সত্যটা জানালেন কেয়া পায়েল

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

ছোট পর্দার অভিনেত্রী কেয়া পায়েল। আট বছরের বেশি সময় ক্যারিয়ারে উপহার দিয়েছেন বহু দর্শকপ্রিয় নাটক। বিশেষ করে ‘এটা আমাদেরই গল্প’ ধারাবাহিক নাটকে মেহেরীন চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক প্রসংশা কুড়িয়েছেন। এসবের মাঝে তার শারীরিক পরিবর্তন বা প্লাস্টিক সার্জারি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বেশ গুঞ্জন ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। নেটিজেনদের দাবি- সৌন্দর্য বাড়াতে এই অভিনেত্রী চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়েছেন।

সম্প্রতি মাছরাঙা টিভি এক একটি পটকাস্টে প্লাস্টিক সার্জারি নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন কেয়া পায়েল। সেখানেই প্রথমবার নিজের সার্জারি গুঞ্জন ও ট্রল নিয়ে কথা বলেছেন তিনি।

পায়েল বলেন, ‘এই প্রথম আমি বিষয়টি নিয়ে কথা বলছি। তবে আমি বলব, প্রত্যেকটি মানুষ জন্মগতভাবেই সুন্দর। আমি ছোটবেলা থেকেই নিজের সৌন্দর্য নিয়ে প্রশংসা শুনে বড় হয়েছি। আমার কাছে প্রকৃতিক সৌন্দর্যটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

কেয়া পায়েল জানান, নিজের একটি বিউটি স্যালুন থাকায় সৌন্দর্য নিয়ে আরও বেশি কাজ করার আগ্রহ তৈরি হয় তার। সেই আগ্রহ থেকেই চেহারায় সামান্য পরিবর্তনের চিন্তা আসে তার।

এ বিষয়ে কেয়া পায়েল বলেন, ‘কখনো আমার মধ্যে এমন উদ্দেশ্য ছিল না যে বাড়তি কিছু করে আমার সৌন্দর্য বাড়াতে হবে। কারণ, আমি যেমন আছি তেমনই খুশি। তবে টুকটাক দুই একটা জিনিস একটু জাস্ট অ্যাড করেছি। আর তাতেই আমার ভক্তরা এমনভাবে ক্ষেপে গেল। তারা এটা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেনি। তাদের এই অবস্থা দেখে আমি মনে মনে বললাম ভাই মাফ চাই, আর হবে না।’

বাইরের দেশের তারকারা এমন পরিবর্তন করলে সেটিকে গ্রুমিং বলা হয় অথচ দেশের শিল্পীদের ক্ষেত্রে ট্রল করা হয় কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে দেশের মানুষের মানসিকতা নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেন এই অভিনেত্রী।

কেয়া পায়েলের কথায়, ‘আমাদের দেশের মানুষ একটু অতি আবেগী। একজন যদি বলা শুরু করলে অন্যরাও না জেনেই বলা শুরু করবে। তারা জানেই না কী হয়েছে। এমনকি আমার পাঁচ বছর আগের ছবি দেখেও এখন মন্তব্য করে। এই হুজুগে মানসিকতা আমাদের পুরো জাতির মধ্যেই রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘রাস্তায় কোনো ঘটনা ছাড়াই শুধু ভিড় দেখে মানুষ জড়ো হয়। সেখানে কী হচ্ছে তা না জেনেই মানুষ দাঁড়িয়ে যায়। এই মানসিকতা আসলে অনেক দিন ধরে প্র্যাকটিস হচ্ছে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন

প্লাস্টিক সার্জারি নিয়ে ট্রল, সত্যটা জানালেন কেয়া পায়েল

আপডেট সময় ০৪:১২:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

ছোট পর্দার অভিনেত্রী কেয়া পায়েল। আট বছরের বেশি সময় ক্যারিয়ারে উপহার দিয়েছেন বহু দর্শকপ্রিয় নাটক। বিশেষ করে ‘এটা আমাদেরই গল্প’ ধারাবাহিক নাটকে মেহেরীন চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক প্রসংশা কুড়িয়েছেন। এসবের মাঝে তার শারীরিক পরিবর্তন বা প্লাস্টিক সার্জারি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বেশ গুঞ্জন ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। নেটিজেনদের দাবি- সৌন্দর্য বাড়াতে এই অভিনেত্রী চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়েছেন।

সম্প্রতি মাছরাঙা টিভি এক একটি পটকাস্টে প্লাস্টিক সার্জারি নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন কেয়া পায়েল। সেখানেই প্রথমবার নিজের সার্জারি গুঞ্জন ও ট্রল নিয়ে কথা বলেছেন তিনি।

পায়েল বলেন, ‘এই প্রথম আমি বিষয়টি নিয়ে কথা বলছি। তবে আমি বলব, প্রত্যেকটি মানুষ জন্মগতভাবেই সুন্দর। আমি ছোটবেলা থেকেই নিজের সৌন্দর্য নিয়ে প্রশংসা শুনে বড় হয়েছি। আমার কাছে প্রকৃতিক সৌন্দর্যটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

কেয়া পায়েল জানান, নিজের একটি বিউটি স্যালুন থাকায় সৌন্দর্য নিয়ে আরও বেশি কাজ করার আগ্রহ তৈরি হয় তার। সেই আগ্রহ থেকেই চেহারায় সামান্য পরিবর্তনের চিন্তা আসে তার।

এ বিষয়ে কেয়া পায়েল বলেন, ‘কখনো আমার মধ্যে এমন উদ্দেশ্য ছিল না যে বাড়তি কিছু করে আমার সৌন্দর্য বাড়াতে হবে। কারণ, আমি যেমন আছি তেমনই খুশি। তবে টুকটাক দুই একটা জিনিস একটু জাস্ট অ্যাড করেছি। আর তাতেই আমার ভক্তরা এমনভাবে ক্ষেপে গেল। তারা এটা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেনি। তাদের এই অবস্থা দেখে আমি মনে মনে বললাম ভাই মাফ চাই, আর হবে না।’

বাইরের দেশের তারকারা এমন পরিবর্তন করলে সেটিকে গ্রুমিং বলা হয় অথচ দেশের শিল্পীদের ক্ষেত্রে ট্রল করা হয় কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে দেশের মানুষের মানসিকতা নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেন এই অভিনেত্রী।

কেয়া পায়েলের কথায়, ‘আমাদের দেশের মানুষ একটু অতি আবেগী। একজন যদি বলা শুরু করলে অন্যরাও না জেনেই বলা শুরু করবে। তারা জানেই না কী হয়েছে। এমনকি আমার পাঁচ বছর আগের ছবি দেখেও এখন মন্তব্য করে। এই হুজুগে মানসিকতা আমাদের পুরো জাতির মধ্যেই রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘রাস্তায় কোনো ঘটনা ছাড়াই শুধু ভিড় দেখে মানুষ জড়ো হয়। সেখানে কী হচ্ছে তা না জেনেই মানুষ দাঁড়িয়ে যায়। এই মানসিকতা আসলে অনেক দিন ধরে প্র্যাকটিস হচ্ছে।’