ঢাকা ০২:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

যার ডাকে এতদিন আন্দোলন করেছি সেদিন তিনিই আমাকে তাড়িয়ে দিলেন: ইসহাক সরকার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

৫ আগষ্টের পর দলের সিনিয়র নেতাদের কাছে কোনো সহযোগিতা না পাওয়ার কথা জানিয়েছেন সদ্য জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেওয়া সাবেক বিএনপি নেতা ইসহাক সরকার।

সম্প্রতি একান্ত সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।

ইসহাক সরকার বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগষ্টের পর আমার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা করলো দলের কিছু লোকজন। দলের কিছু অনুপ্রবেশকারী পাঁচ তারিখের পর আমার এবং আমার পরিবারের বেঁচে থাকাটাকে কষ্টসাধ্য করে ফেলেছিল। বিভিন্নভাবে তারা আমাদেরকে হয়রানি করেছে। পত্রিকার মাধ্যমে ফেসবুকের মাধ্যমে যেভাবে আমাকে এবং আমার পরিবারকে হেনস্থা করেছে এগুলোর আমি কোনো বিচার পাইনি। আমি বারবার বিচার দেওয়ার চেষ্টাও করেছি কিন্তু সেই পর্যন্ত যেতে পারিনি। আমি একজনের নাম বলব না যিনি এখন মন্ত্রী, তার কাছে গিয়েছিলাম এই দুঃখ কষ্টের কথা বলার জন্য যে আমার উপর অত্যাচার হয়েছে, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি অনেক জঘন্যতম আচরণ করে আমাকে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন। সে ঘটনায় আমি অনেক কষ্ট পেয়েছি। সেদিন ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আমাকে ফিরে আসতে হয়েছিল।

সেদিন ওই নেতা কোনো কথাই শুনতে চাননি দাবি করে বিএনপির বহিষ্কৃত এ নেতা বলেন, তিনি আমার কথা প্রথমে শুনতেই চাননি। আমি তখন রাগ করে বললাম, কেন আপনি আমার কথা শুনবেন না আমি তো এই দলের একজন কর্মী। আপনি আমাকে ভালোবাসেন পছন্দ করেন আমি একটা বিপদে পড়তেই পারি অথবা আমার দ্বারা একটা যে কোনো দুর্ঘটনা ঘটতেই পারে, আপনি একটু আমার কথাটা শুনুন। যাচাই বাচাই করুন। যদি আমি অপরাধী হয়ে থাকি তবে অবশ্যই আপনি আমাকে শাস্তি দেবেন। আর যদি আমি অপরাধী না হয়ে থাকি, অবশ্যই এর বিচার আপনাকে করতে হবে। আমার ওপর যে হামলা হয়েছিল মামলা হয়েছিল এই মামলার জন্য তার কাছে গিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি আমাকে এমন তীর্যক ভাষায় কথা সেখান থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন, আমি সেদিনের এই দুঃখ কষ্ট কোনোদিন ভুলতে পারবো না।

আওয়ামী সরকারের আমলে আন্দোলন-সংগ্রামে ওই শীর্ষ নেতার সঙ্গে যোগাযোগ ছিলো কি না- এমন প্রশ্নে ইসহাক সরকার বলেন, তিনি তো আমাদের আন্দোলন সংগ্রামের সবসময় উৎসাহ -উদ্দীপনা দিয়েছেন। তার ডাকেই তো আমি আন্দোলন করেছি, সংগ্রাম করেছি। তিনি যে সেদিন এমন দুর্ব্যবহার আমার সঙ্গে করবেন আমি এটা কল্পনা করতে পারিনি। একজন শ্রদ্ধাভাজন নেতা যাকে অনুসরণ করে আমি রাজনীতি করেছি, তিনি আমাকে এভাবে তাড়িয়ে দিবেন আমি সেটা নিতে পারিনি। এছাড়া পাঁচ তারিখের পর আমার ওপর দুইবার হামলা করা হলো। আমি কোন বিচার পাইনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

যার ডাকে এতদিন আন্দোলন করেছি সেদিন তিনিই আমাকে তাড়িয়ে দিলেন: ইসহাক সরকার

আপডেট সময় ১১:১০:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

৫ আগষ্টের পর দলের সিনিয়র নেতাদের কাছে কোনো সহযোগিতা না পাওয়ার কথা জানিয়েছেন সদ্য জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেওয়া সাবেক বিএনপি নেতা ইসহাক সরকার।

সম্প্রতি একান্ত সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।

ইসহাক সরকার বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগষ্টের পর আমার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা করলো দলের কিছু লোকজন। দলের কিছু অনুপ্রবেশকারী পাঁচ তারিখের পর আমার এবং আমার পরিবারের বেঁচে থাকাটাকে কষ্টসাধ্য করে ফেলেছিল। বিভিন্নভাবে তারা আমাদেরকে হয়রানি করেছে। পত্রিকার মাধ্যমে ফেসবুকের মাধ্যমে যেভাবে আমাকে এবং আমার পরিবারকে হেনস্থা করেছে এগুলোর আমি কোনো বিচার পাইনি। আমি বারবার বিচার দেওয়ার চেষ্টাও করেছি কিন্তু সেই পর্যন্ত যেতে পারিনি। আমি একজনের নাম বলব না যিনি এখন মন্ত্রী, তার কাছে গিয়েছিলাম এই দুঃখ কষ্টের কথা বলার জন্য যে আমার উপর অত্যাচার হয়েছে, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি অনেক জঘন্যতম আচরণ করে আমাকে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন। সে ঘটনায় আমি অনেক কষ্ট পেয়েছি। সেদিন ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আমাকে ফিরে আসতে হয়েছিল।

সেদিন ওই নেতা কোনো কথাই শুনতে চাননি দাবি করে বিএনপির বহিষ্কৃত এ নেতা বলেন, তিনি আমার কথা প্রথমে শুনতেই চাননি। আমি তখন রাগ করে বললাম, কেন আপনি আমার কথা শুনবেন না আমি তো এই দলের একজন কর্মী। আপনি আমাকে ভালোবাসেন পছন্দ করেন আমি একটা বিপদে পড়তেই পারি অথবা আমার দ্বারা একটা যে কোনো দুর্ঘটনা ঘটতেই পারে, আপনি একটু আমার কথাটা শুনুন। যাচাই বাচাই করুন। যদি আমি অপরাধী হয়ে থাকি তবে অবশ্যই আপনি আমাকে শাস্তি দেবেন। আর যদি আমি অপরাধী না হয়ে থাকি, অবশ্যই এর বিচার আপনাকে করতে হবে। আমার ওপর যে হামলা হয়েছিল মামলা হয়েছিল এই মামলার জন্য তার কাছে গিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি আমাকে এমন তীর্যক ভাষায় কথা সেখান থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন, আমি সেদিনের এই দুঃখ কষ্ট কোনোদিন ভুলতে পারবো না।

আওয়ামী সরকারের আমলে আন্দোলন-সংগ্রামে ওই শীর্ষ নেতার সঙ্গে যোগাযোগ ছিলো কি না- এমন প্রশ্নে ইসহাক সরকার বলেন, তিনি তো আমাদের আন্দোলন সংগ্রামের সবসময় উৎসাহ -উদ্দীপনা দিয়েছেন। তার ডাকেই তো আমি আন্দোলন করেছি, সংগ্রাম করেছি। তিনি যে সেদিন এমন দুর্ব্যবহার আমার সঙ্গে করবেন আমি এটা কল্পনা করতে পারিনি। একজন শ্রদ্ধাভাজন নেতা যাকে অনুসরণ করে আমি রাজনীতি করেছি, তিনি আমাকে এভাবে তাড়িয়ে দিবেন আমি সেটা নিতে পারিনি। এছাড়া পাঁচ তারিখের পর আমার ওপর দুইবার হামলা করা হলো। আমি কোন বিচার পাইনি।