ঢাকা ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এলডিসি থেকে উত্তরণে বাড়তি তিন বছর সময় নেওয়া বিলাসিতা নয়: তিতুমীর চাঁদা না পেয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ৩৫ লাখ টাকা লুট দোষারোপের সময় নয়, দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে: প্রতিমন্ত্রী অমিত জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংসদে না হলে রাজপথে আন্দোলন: গোলাম পরওয়ার অনলাইনে মাদক কেনাবেচার সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড, সংসদে বিল পাস জাপা নেতার বাসায় নাহিদ ও হাসনাতের ডিনার-রাতযাপন জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে সমুন্নত রাখতে জাতীয় ঐক্য গঠনে কাজ করবে এবি পার্টি বিরোধী দলের ওয়াকআউট হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেবে যুক্তরাষ্ট্র, দাবি ট্রাম্পের রাতারাতি বড় কোন পরিবর্তন করা সম্ভব নয়: আইএমএফকে অর্থমন্ত্রী

কালবৈশাখী ঝড়ে লণ্ডভণ্ড গাইবান্ধার ৫ ইউনিয়ন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ভয়াবহ কালবৈশাখী ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন। উপজেলার মহিমাগঞ্জ, শালমারা, শিবপুর, কোচাশহর ও রাখালবুরুজ ইউনিয়নের ওপর দিয়ে মূলত এই ঝড়টি বয়ে যায়।

রবিবার বিকেল ৩টার দিকে শুরু হওয়া এই ঝড়ে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রায় শত পরিবার মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

মহিমাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের ৭নং ওয়ার্ড সদস্য মো. মজনু মিয়া বলেন, আমার এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। অনেক দরিদ্র মানুষের ঘরবাড়ি সব শেষ হয়ে গেছে। রাতে তারা কোথায় থাকবে, সেই জায়গাটুকুও নেই। আমি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করছি, তারা যেন দ্রুত এই অসহায় মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ান।

কোচাশহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহুরুল হক জাহিদ জানান, তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন এবং ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের চেষ্টা করছেন।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক জানান, ঝড়ে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। পুলিশ সদস্যদের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় নজরদারি রাখতে এবং মানুষের পাশে থাকতে বলা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এলডিসি থেকে উত্তরণে বাড়তি তিন বছর সময় নেওয়া বিলাসিতা নয়: তিতুমীর

কালবৈশাখী ঝড়ে লণ্ডভণ্ড গাইবান্ধার ৫ ইউনিয়ন

আপডেট সময় ১০:০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ভয়াবহ কালবৈশাখী ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন। উপজেলার মহিমাগঞ্জ, শালমারা, শিবপুর, কোচাশহর ও রাখালবুরুজ ইউনিয়নের ওপর দিয়ে মূলত এই ঝড়টি বয়ে যায়।

রবিবার বিকেল ৩টার দিকে শুরু হওয়া এই ঝড়ে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রায় শত পরিবার মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

মহিমাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের ৭নং ওয়ার্ড সদস্য মো. মজনু মিয়া বলেন, আমার এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। অনেক দরিদ্র মানুষের ঘরবাড়ি সব শেষ হয়ে গেছে। রাতে তারা কোথায় থাকবে, সেই জায়গাটুকুও নেই। আমি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করছি, তারা যেন দ্রুত এই অসহায় মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ান।

কোচাশহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহুরুল হক জাহিদ জানান, তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন এবং ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের চেষ্টা করছেন।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক জানান, ঝড়ে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। পুলিশ সদস্যদের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় নজরদারি রাখতে এবং মানুষের পাশে থাকতে বলা হয়েছে।