ঢাকা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

কামরাঙ্গীচরে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হত্যা, ১৪ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর কামরাঙ্গীচরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় তার স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড ও দুই লাখ টাকা অর্থদন্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

একই সঙ্গে আসামির স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করে অর্থদন্ডের টাকা আদায় করে ভিকটিমের ছেলেকে দিতে ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

আজ রবিবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মশিউর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।

ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারি রাশেদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১০ সালের ২৫ জুন রেহানা বেগমের সঙ্গে সায়েদ আহমেদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই সায়েদ রেহেনাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করত।

২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রেহানার বাড়িতে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান তার মা। ওই সময় আসামিরা দাবী করেন, স্ট্রোকজনিত কারণে রেহানার মৃত্যু হয়েছে। পরে তড়িঘড়ি করে আজিমপুর কবরস্থানে ভিকটিমের দাফন সম্পন্ন করেন।

ওই ঘটনায় রেহানার মা রেজিয়া বেগম বাদী হয়ে ২০১২ সালের ১২ অক্টোবর নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন।

এরপর আদালতের নির্দেশে লাশ কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্ত করা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে রেহানাকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

তদন্ত শেষে সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক লুৎফর রহমান আসামি সায়েদ আহমেদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলার বিচারকালে মোট ১১ জন সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

কামরাঙ্গীচরে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হত্যা, ১৪ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০২:৪৮:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর কামরাঙ্গীচরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় তার স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড ও দুই লাখ টাকা অর্থদন্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

একই সঙ্গে আসামির স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করে অর্থদন্ডের টাকা আদায় করে ভিকটিমের ছেলেকে দিতে ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

আজ রবিবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মশিউর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।

ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারি রাশেদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১০ সালের ২৫ জুন রেহানা বেগমের সঙ্গে সায়েদ আহমেদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই সায়েদ রেহেনাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করত।

২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রেহানার বাড়িতে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান তার মা। ওই সময় আসামিরা দাবী করেন, স্ট্রোকজনিত কারণে রেহানার মৃত্যু হয়েছে। পরে তড়িঘড়ি করে আজিমপুর কবরস্থানে ভিকটিমের দাফন সম্পন্ন করেন।

ওই ঘটনায় রেহানার মা রেজিয়া বেগম বাদী হয়ে ২০১২ সালের ১২ অক্টোবর নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন।

এরপর আদালতের নির্দেশে লাশ কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্ত করা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে রেহানাকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

তদন্ত শেষে সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক লুৎফর রহমান আসামি সায়েদ আহমেদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলার বিচারকালে মোট ১১ জন সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন।