ঢাকা ১২:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এলডিসি থেকে উত্তরণে বাড়তি তিন বছর সময় নেওয়া বিলাসিতা নয়: তিতুমীর চাঁদা না পেয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ৩৫ লাখ টাকা লুট দোষারোপের সময় নয়, দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে: প্রতিমন্ত্রী অমিত জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংসদে না হলে রাজপথে আন্দোলন: গোলাম পরওয়ার অনলাইনে মাদক কেনাবেচার সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড, সংসদে বিল পাস জাপা নেতার বাসায় নাহিদ ও হাসনাতের ডিনার-রাতযাপন জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে সমুন্নত রাখতে জাতীয় ঐক্য গঠনে কাজ করবে এবি পার্টি বিরোধী দলের ওয়াকআউট হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেবে যুক্তরাষ্ট্র, দাবি ট্রাম্পের রাতারাতি বড় কোন পরিবর্তন করা সম্ভব নয়: আইএমএফকে অর্থমন্ত্রী

কামরাঙ্গীচরে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হত্যা, ১৪ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর কামরাঙ্গীচরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় তার স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড ও দুই লাখ টাকা অর্থদন্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

একই সঙ্গে আসামির স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করে অর্থদন্ডের টাকা আদায় করে ভিকটিমের ছেলেকে দিতে ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

আজ রবিবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মশিউর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।

ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারি রাশেদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১০ সালের ২৫ জুন রেহানা বেগমের সঙ্গে সায়েদ আহমেদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই সায়েদ রেহেনাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করত।

২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রেহানার বাড়িতে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান তার মা। ওই সময় আসামিরা দাবী করেন, স্ট্রোকজনিত কারণে রেহানার মৃত্যু হয়েছে। পরে তড়িঘড়ি করে আজিমপুর কবরস্থানে ভিকটিমের দাফন সম্পন্ন করেন।

ওই ঘটনায় রেহানার মা রেজিয়া বেগম বাদী হয়ে ২০১২ সালের ১২ অক্টোবর নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন।

এরপর আদালতের নির্দেশে লাশ কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্ত করা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে রেহানাকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

তদন্ত শেষে সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক লুৎফর রহমান আসামি সায়েদ আহমেদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলার বিচারকালে মোট ১১ জন সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এলডিসি থেকে উত্তরণে বাড়তি তিন বছর সময় নেওয়া বিলাসিতা নয়: তিতুমীর

কামরাঙ্গীচরে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হত্যা, ১৪ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০২:৪৮:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর কামরাঙ্গীচরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় তার স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড ও দুই লাখ টাকা অর্থদন্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

একই সঙ্গে আসামির স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করে অর্থদন্ডের টাকা আদায় করে ভিকটিমের ছেলেকে দিতে ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

আজ রবিবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মশিউর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।

ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারি রাশেদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১০ সালের ২৫ জুন রেহানা বেগমের সঙ্গে সায়েদ আহমেদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই সায়েদ রেহেনাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করত।

২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রেহানার বাড়িতে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান তার মা। ওই সময় আসামিরা দাবী করেন, স্ট্রোকজনিত কারণে রেহানার মৃত্যু হয়েছে। পরে তড়িঘড়ি করে আজিমপুর কবরস্থানে ভিকটিমের দাফন সম্পন্ন করেন।

ওই ঘটনায় রেহানার মা রেজিয়া বেগম বাদী হয়ে ২০১২ সালের ১২ অক্টোবর নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন।

এরপর আদালতের নির্দেশে লাশ কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্ত করা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে রেহানাকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

তদন্ত শেষে সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক লুৎফর রহমান আসামি সায়েদ আহমেদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলার বিচারকালে মোট ১১ জন সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন।