ঢাকা ১১:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

কামরাঙ্গীচরে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হত্যা, ১৪ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর কামরাঙ্গীচরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় তার স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড ও দুই লাখ টাকা অর্থদন্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

একই সঙ্গে আসামির স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করে অর্থদন্ডের টাকা আদায় করে ভিকটিমের ছেলেকে দিতে ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

আজ রবিবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মশিউর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।

ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারি রাশেদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১০ সালের ২৫ জুন রেহানা বেগমের সঙ্গে সায়েদ আহমেদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই সায়েদ রেহেনাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করত।

২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রেহানার বাড়িতে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান তার মা। ওই সময় আসামিরা দাবী করেন, স্ট্রোকজনিত কারণে রেহানার মৃত্যু হয়েছে। পরে তড়িঘড়ি করে আজিমপুর কবরস্থানে ভিকটিমের দাফন সম্পন্ন করেন।

ওই ঘটনায় রেহানার মা রেজিয়া বেগম বাদী হয়ে ২০১২ সালের ১২ অক্টোবর নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন।

এরপর আদালতের নির্দেশে লাশ কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্ত করা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে রেহানাকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

তদন্ত শেষে সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক লুৎফর রহমান আসামি সায়েদ আহমেদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলার বিচারকালে মোট ১১ জন সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরিত্রিয়া সীমান্তে ইথিওপীয় সেনার অগ্রগতি, বাড়ছে নতুন যুদ্ধের শঙ্কা

কামরাঙ্গীচরে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হত্যা, ১৪ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০২:৪৮:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর কামরাঙ্গীচরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় তার স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড ও দুই লাখ টাকা অর্থদন্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

একই সঙ্গে আসামির স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করে অর্থদন্ডের টাকা আদায় করে ভিকটিমের ছেলেকে দিতে ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

আজ রবিবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মশিউর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।

ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারি রাশেদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১০ সালের ২৫ জুন রেহানা বেগমের সঙ্গে সায়েদ আহমেদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই সায়েদ রেহেনাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করত।

২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রেহানার বাড়িতে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান তার মা। ওই সময় আসামিরা দাবী করেন, স্ট্রোকজনিত কারণে রেহানার মৃত্যু হয়েছে। পরে তড়িঘড়ি করে আজিমপুর কবরস্থানে ভিকটিমের দাফন সম্পন্ন করেন।

ওই ঘটনায় রেহানার মা রেজিয়া বেগম বাদী হয়ে ২০১২ সালের ১২ অক্টোবর নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন।

এরপর আদালতের নির্দেশে লাশ কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্ত করা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে রেহানাকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

তদন্ত শেষে সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক লুৎফর রহমান আসামি সায়েদ আহমেদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলার বিচারকালে মোট ১১ জন সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন।