ঢাকা ০১:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভাঙ্গায় বাস-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৩৫ ডা. কামরুলের হাসপাতালে চাঁদা দাবি: মূলহোতা মঈনসহ গ্রেফতার ৭ চাইলে এক দিনেই ইরানকে ধ্বংস করতে পারি: ট্রাম্প জাতীয় সংসদে এক অধিবেশনে এত বেশি বিল পাসের নজির নেই: চিফ হুইপ বিএনপি ‘আত্মঘাতী’ রাজনীতি করছে: মামুনুল হক জুলাই সনদ সরকার ও বিরোধী দলকে মুখোমুখি পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে :পার্থ সনদ বাস্তবায়ন না হলে রাজপথে নামার হুঁশিয়ার শহীদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধার শান্তি আলোচনা ভেস্তে গেলে ‘প্রত্যেক দেশই ক্ষতিগ্রস্ত’ হবে: শামা ওবায়েদ ইরানকে ‘উপযুক্ত সময়ে’ ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করার নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

এবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি থেকে নির্বাচনের ঘোষণা দিলেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৬ আসন থেকে সংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন ইশরাক হোসেন। কিন্ত সোমবার হঠাৎ তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন থেকে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন।

বিকেলে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন- ‘ঢাকা দক্ষিণ থেকে সিটি নির্বাচন করব ইন-শা-আল্লাহ।’

বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গত কয়েকদিন ধরে সিটি কর্পোরেশনগুলোর নির্বাচনের আলোচনাও শোনা যাচ্ছে। এমন অবস্থার মধ্যেই সোমবার ঢাকা উত্তর দক্ষিণসহ ছয়টি সিটিতে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। যাদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তাদের সবাই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।

যদিও এদিন সকালেই বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রশাসক বসানো হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

গত সপ্তাহে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকেও ঈদের পর সিটি নির্বাচন আয়োজনের ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে। এমন অবস্থার মধ্যেই ইশরাক হোসেনের ফেসবুক পোস্ট নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

এর আগে ২০২০ সালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচন করেছিলেন ইশরাক হোসেন। তবে জিতেছিলেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস। যদিও ওই নির্বাচনে নানা অনিয়মের প্রশ্ন উঠেছিল। নির্বাচনে পরাজয়ের পর ইশরাক হোসেন ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেন এবং ভোটে অনিয়মের অভিযোগ তুলে আদালতে মামলাও করেছিলেন।

২০২৪ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর সারাদেশের আওয়ামী লীগের নির্বাচিতরা পালিয়ে যান। মেয়র পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়। পরে আদালতের রায়ে ইশরাক হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করে গেজেটও প্রকাশ করে ইসি।

কিন্তু আইনি জটিলতায় তার মেয়র পদে বসা নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সঙ্গে টানাপোড়েন তৈরি হয়। নগর ভবন ও প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের কাছে টানা অবরোধ কর্মসূচিও পালন করেন ইশরাক হোসেন ও বিএনপির নেতাকর্মীরা। পরে অবশ্য আন্দোলন থেকে সরে আসে ইশরাক হোসেন ও বিএনপি নেতা-কর্মীরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ভাঙ্গায় বাস-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৩৫

এবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি থেকে নির্বাচনের ঘোষণা দিলেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন

আপডেট সময় ০৫:৪৫:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৬ আসন থেকে সংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন ইশরাক হোসেন। কিন্ত সোমবার হঠাৎ তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন থেকে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন।

বিকেলে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন- ‘ঢাকা দক্ষিণ থেকে সিটি নির্বাচন করব ইন-শা-আল্লাহ।’

বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গত কয়েকদিন ধরে সিটি কর্পোরেশনগুলোর নির্বাচনের আলোচনাও শোনা যাচ্ছে। এমন অবস্থার মধ্যেই সোমবার ঢাকা উত্তর দক্ষিণসহ ছয়টি সিটিতে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। যাদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তাদের সবাই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।

যদিও এদিন সকালেই বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রশাসক বসানো হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

গত সপ্তাহে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকেও ঈদের পর সিটি নির্বাচন আয়োজনের ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে। এমন অবস্থার মধ্যেই ইশরাক হোসেনের ফেসবুক পোস্ট নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

এর আগে ২০২০ সালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচন করেছিলেন ইশরাক হোসেন। তবে জিতেছিলেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস। যদিও ওই নির্বাচনে নানা অনিয়মের প্রশ্ন উঠেছিল। নির্বাচনে পরাজয়ের পর ইশরাক হোসেন ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেন এবং ভোটে অনিয়মের অভিযোগ তুলে আদালতে মামলাও করেছিলেন।

২০২৪ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর সারাদেশের আওয়ামী লীগের নির্বাচিতরা পালিয়ে যান। মেয়র পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়। পরে আদালতের রায়ে ইশরাক হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করে গেজেটও প্রকাশ করে ইসি।

কিন্তু আইনি জটিলতায় তার মেয়র পদে বসা নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সঙ্গে টানাপোড়েন তৈরি হয়। নগর ভবন ও প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের কাছে টানা অবরোধ কর্মসূচিও পালন করেন ইশরাক হোসেন ও বিএনপির নেতাকর্মীরা। পরে অবশ্য আন্দোলন থেকে সরে আসে ইশরাক হোসেন ও বিএনপি নেতা-কর্মীরা।