ঢাকা ১০:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাশের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না:জামায়াত আমিরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির উচিত বিতর্কিত কর্মকাণ্ডগুলো ৬ মাসের মধ্যেই শেষ করে ফেলা: সামান্থা খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা শত্রুতামূলক আচরণ না করলে হরমুজ দিয়ে মার্কিন জাহাজ চলতে পারবে: ইরান লেবাননে কোনো যুদ্ধবিরতি চলছে না, হামলা অব্যাহত থাকবে: নেতানিয়াহু বাংলা নববর্ষ উদযাপন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার ডিএমপির উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল ১৬ বছরের দুর্নীতি-লুটপাটে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী

মুন্সীগঞ্জে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, টেঁটাবিদ্ধসহ আহত ৯

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে চারজন টেঁটাবিদ্ধসহ অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের পূর্ব চান্দেরচর গাজী মার্কেট এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় সাধারণ ভোটারদের মাঝে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

আহতরা হলেন- সোহেলের ছেলে ইমরান (২৮), হাবির ছেলে লিটন (৪৮), মান্নানের ছেলে সোহাগ (৩৫) এবং কালাইচানের ছেলে রিয়াজুল (২০)। এছাড়া আরও ৪ থেকে ৫ জন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

গুরুতর টেঁটাবিদ্ধ অবস্থায় রিয়াজুল ও ইমরানকে প্রথমে ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (মিটফোর্ড) নেওয়া হয়। পরে তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, পূর্ব চান্দেরচর গ্রামের কালাইচান মাদবর ও জহিরুদ্দিন গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। নির্বাচনকে সামনে রেখে সেই বিরোধ নতুন করে চরম আকার ধারণ করে। বুধবার দুপুরে জহির গ্রুপের সদস্য সোহাগ গাজী মার্কেট এলাকায় পাইপ ফিল্টারের কাজ করতে গেলে কালাইচান গ্রুপের কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র, টেঁটা ও রামদা নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়।

অভিযোগ রয়েছে, কালাইচান গ্রুপের সমুর ছেলে হাবি, জহিরুদ্দিন, সেলিম, হাবির ছেলে রিফাত সাওন, সিরাজুলের ছেলে সুজন, কালাইচানের ছেলে ইমন, নয়ন, নিজামুদ্দিনের ছেলে আমজাদ ও ছলমুদ্দিনের ছেলে মারুফসহ আরও কয়েকজন এ হামলায় অংশ নেন।

পরে সোহাগকে উদ্ধার করতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে পুনরায় সংঘর্ষ বাধে। এতে টেঁটাবিদ্ধসহ আরও কয়েকজন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সিরাজদিখান থানার ওসি এম এ হান্নান বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবি

মুন্সীগঞ্জে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, টেঁটাবিদ্ধসহ আহত ৯

আপডেট সময় ০৭:২৩:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে চারজন টেঁটাবিদ্ধসহ অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের পূর্ব চান্দেরচর গাজী মার্কেট এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় সাধারণ ভোটারদের মাঝে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

আহতরা হলেন- সোহেলের ছেলে ইমরান (২৮), হাবির ছেলে লিটন (৪৮), মান্নানের ছেলে সোহাগ (৩৫) এবং কালাইচানের ছেলে রিয়াজুল (২০)। এছাড়া আরও ৪ থেকে ৫ জন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

গুরুতর টেঁটাবিদ্ধ অবস্থায় রিয়াজুল ও ইমরানকে প্রথমে ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (মিটফোর্ড) নেওয়া হয়। পরে তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, পূর্ব চান্দেরচর গ্রামের কালাইচান মাদবর ও জহিরুদ্দিন গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। নির্বাচনকে সামনে রেখে সেই বিরোধ নতুন করে চরম আকার ধারণ করে। বুধবার দুপুরে জহির গ্রুপের সদস্য সোহাগ গাজী মার্কেট এলাকায় পাইপ ফিল্টারের কাজ করতে গেলে কালাইচান গ্রুপের কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র, টেঁটা ও রামদা নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়।

অভিযোগ রয়েছে, কালাইচান গ্রুপের সমুর ছেলে হাবি, জহিরুদ্দিন, সেলিম, হাবির ছেলে রিফাত সাওন, সিরাজুলের ছেলে সুজন, কালাইচানের ছেলে ইমন, নয়ন, নিজামুদ্দিনের ছেলে আমজাদ ও ছলমুদ্দিনের ছেলে মারুফসহ আরও কয়েকজন এ হামলায় অংশ নেন।

পরে সোহাগকে উদ্ধার করতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে পুনরায় সংঘর্ষ বাধে। এতে টেঁটাবিদ্ধসহ আরও কয়েকজন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সিরাজদিখান থানার ওসি এম এ হান্নান বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।