আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :
বার্সেলোনা নামটার সঙ্গে লিওনেল মেসির অনেক স্মৃতি, অনেক আবেগই জড়িয়ে আছে। ২০২৬ সালের প্রথম গোলটা সেই ‘বার্সেলোনা’র বিপক্ষেই করলেন তিনি। গোল করেনইনি শুধু, করিয়েওছেন। তবে এত কিছু করেও দলকে জেতাতে পারেননি, এই ম্যাচটা ইন্টার মিয়ামি ড্র করেছে ২-২ গোলে।
এই ‘বার্সেলোনা’ অবশ্য সেই স্প্যানিশ ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনা নয়। ইকুয়েডরের এই ক্লাবের পূর্ণ রূপ বার্সেলোনা স্পোর্টিং ক্লাব। ইকুয়েডরের শীর্ষ লিগ সিরি’আতে খেলে এই দল। তবে ঐতিহ্যের দিক থেকে খুব একটা মন্দ নয় এই দল, ইকুয়েডরের একমাত্র ক্লাব হিসেবে কখনো দ্বিতীয় বিভাগে না নামা ক্লাব এটি। এই কীর্তিটা আছে স্প্যানিশ বার্সেলোনারও, যদিও লা লিগায় তারাই একমাত্র নয়।
২০২৬ সালের প্রথম গোলটার জন্য সেই ক্লাবটাকেই বেছে নিলেন মেসি। এই বছর প্রাক মৌসুম প্রীতি ম্যাচে তিনি আরও দুই ম্যাচ খেলেছেন। তবে সেই দুই ম্যাচে গোল পাননি লিওনেল মেসি। অবশেষে আজ সকালে চলতি বছরের প্রথম গোলের দেখা পেলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। ম্যাচটি ছিল ক্লাবের আলোচিত ‘চ্যাম্পিয়নস ট্যুর’-এর অংশ।
এই ম্যাচে যে গোলটা তিনি করেছেন, তাতে তিনি সোনালি সময়কেই মনে করিয়ে দিয়েছেন অনেকটা। মাঝমাঠের কাছ থেকে বল পেয়ে আক্রমণে ওঠেন মেসি। দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বক্সের দিকে এগিয়ে যান তিনি। এরপর বাঁ পায়ের শক্তিশালী শটে জাল কাঁপান। এই গোলে ইন্টার মায়ামি ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
এই গোল ইন্টার মায়ামির জন্য ছিল বড় স্বস্তি। এর আগে দলটি আলিয়াঞ্জা লিমার কাছে ৩-০ গোলে হেরেছিল। আতলেতিকো নাসিওনালের বিপক্ষে ২-১ জয়ের ম্যাচেও মেসি গোল পাননি।
তবে এই লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি ইন্টার মায়ামি। বিরতির আগে সমতা ফেরায় স্বাগতিকরা। ৪১ মিনিটে জোহান গার্সিয়ার ক্রস থেকে হেডে গোল করেন জোয়াও রোহাস। এতে ম্যাচে ১-১ সমতা আসে।
বিরতির ঠিক আগে আবার এগিয়ে যায় ইন্টার মায়ামি। দলের নতুন তারকা জার্মান বেরতেরামে গোল করেন। এই গোলের যোগানটাও আসে মেসির পা থেকেই। প্রথমার্ধ শেষে স্কোর দাঁড়ায় ২-১। শেষমেশ এই ম্যাচ অবশ্য ইন্টার মিয়ামি জিততে পারেনি। দ্বিতীয়ার্ধে গোল হজম করে ২-২ গোলের ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে।
গেল মৌসুমে এমএলএসের চ্যাম্পিয়ন হওয়া ইন্টার মিয়ামি তাদের মৌসুম শুরু করবে আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি। এমএলএসের সেই ম্যাচে সেদিন তাদের প্রতিপক্ষ হবে এলএ এফসি।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















