ঢাকা ০২:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইসি-সরকারের সমন্বয়হীনতায় ঝুঁকিতে জুলাই অভ্যুত্থানের ম্যান্ডেট: টিআইবি লক্ষ্মীপুরে সেপটিক ট্যাংক থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার, আটক ৩ আইসিসি-পিসিবির জরুরি বৈঠকে যোগ দিতে লাহোরে বুলবুল ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলের সুদানে আরএসএফের ড্রোন হামলায় ২৪ বেসামরিক নিহত ক্ষমতায় গেলে নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী করার ঘোষণা জামায়াত আমিরের দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৫ দিনের ছুটি আজ ভোটের মাঠে নামছেন সেনাসহ সব বাহিনীর সদস্যরা হাসিনার সন্তানদের পুনর্বাসনের চেষ্টা করলে জনগণ প্রতিহত করবে: আসিফ মাহমুদ বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বিডিআর নাম ও ইউনিফর্ম পুনর্বহাল করা হবে: তারেক রহমান

আজ ভোটের মাঠে নামছেন সেনাসহ সব বাহিনীর সদস্যরা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :  

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আজ রোববার থেকে মাঠে নামছেন সেনাসহ সব বাহিনীর সদস্যরা। একই সঙ্গে ভোটের মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন ১ হাজার ৫১ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। যারা সবাই ভোটগ্রহণের পরও দুইদিন মাঠে থাকবেন।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, সেনাবাহিনী আগে থেকেই মাঠে আছে। তবে আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তারা ভোটের আগে পরে সাত দিন থাকবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা আমাদের বলেছে যে মাঠের অবস্থা ও দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভালো এবং নির্বাচনের জন্য সহায়ক আছে।

ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা পরিপত্রে বলা হয়েছে, নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি এবং কোস্টগার্ড মোতায়েন করা হবে এবং স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার-এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হবে।

জানা গেছে, এবার বিভিন্ন বাহিনীর মোট ৯ লাখ ৭০ হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি) ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৪৮৩ জন, সেনাবাহিনী ১ লাখ ৩ হাজার, নৌ-বাহিনী ৫ হাজার, বিমান বাহিনী ৩ হাজার ৭৩০, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৩৭ হাজার ৪৫৩ জন, কোস্ট গার্ড ৩ হাজার ৫৮৫, পুলিশ ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন, র‌্যাব ৯ হাজার ৩৪৯ জন, চৌকিদার দফাদার ৪৫ হাজার ৮২০ জন সদস্য মোতায়েন করা হবে।

পরিপত্রে আরও বলা হয়, নির্বাচনী এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, র‌্যাব, পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এবং আনসার ব্যাটালিয়ন মোবাইল এবং স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। বিজিব, র‌্যাব, এপিবিএন এবং আনসার ব্যাটালিয়ন জেলা, উপজেলা ও থানা ভিত্তিক কাজ করবে। আর উপকূলীয় এলাকার জন্য কোস্টগার্ড মোতায়েন থাকবে।

এতে আরও বলা হয়, সকল বাহিনী রিটার্নিং অফিসারের কাছে রিপোর্ট করবে। এ ছাড়া তার নির্দেশ এবং পরামর্শ অনুসারে সবাই দায়িত্ব পালন করবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হবে ৮ ফেব্রুয়ারি। মাঠে থাকবে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ৭ দিন।

মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে প্রতি ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবেন ১৫-১৬ জন। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭-১৮ জন। মেট্রোপলিটন এলাকায় প্রতি সাধারণ ভোটকেন্দ্র আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবেন ১৬ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র থাকবে ১৭ জন। দুর্গম ও বিশেষ এলাকায় সাধারণ ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবেন ১৬-১৭ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে থাকবে ১৭ থেকে ১৮ জন।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

আজ ভোটের মাঠে নামছেন সেনাসহ সব বাহিনীর সদস্যরা

আপডেট সময় ১০:৩০:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :  

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আজ রোববার থেকে মাঠে নামছেন সেনাসহ সব বাহিনীর সদস্যরা। একই সঙ্গে ভোটের মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন ১ হাজার ৫১ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। যারা সবাই ভোটগ্রহণের পরও দুইদিন মাঠে থাকবেন।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, সেনাবাহিনী আগে থেকেই মাঠে আছে। তবে আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তারা ভোটের আগে পরে সাত দিন থাকবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা আমাদের বলেছে যে মাঠের অবস্থা ও দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভালো এবং নির্বাচনের জন্য সহায়ক আছে।

ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা পরিপত্রে বলা হয়েছে, নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি এবং কোস্টগার্ড মোতায়েন করা হবে এবং স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার-এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হবে।

জানা গেছে, এবার বিভিন্ন বাহিনীর মোট ৯ লাখ ৭০ হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি) ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৪৮৩ জন, সেনাবাহিনী ১ লাখ ৩ হাজার, নৌ-বাহিনী ৫ হাজার, বিমান বাহিনী ৩ হাজার ৭৩০, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৩৭ হাজার ৪৫৩ জন, কোস্ট গার্ড ৩ হাজার ৫৮৫, পুলিশ ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন, র‌্যাব ৯ হাজার ৩৪৯ জন, চৌকিদার দফাদার ৪৫ হাজার ৮২০ জন সদস্য মোতায়েন করা হবে।

পরিপত্রে আরও বলা হয়, নির্বাচনী এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, র‌্যাব, পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এবং আনসার ব্যাটালিয়ন মোবাইল এবং স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। বিজিব, র‌্যাব, এপিবিএন এবং আনসার ব্যাটালিয়ন জেলা, উপজেলা ও থানা ভিত্তিক কাজ করবে। আর উপকূলীয় এলাকার জন্য কোস্টগার্ড মোতায়েন থাকবে।

এতে আরও বলা হয়, সকল বাহিনী রিটার্নিং অফিসারের কাছে রিপোর্ট করবে। এ ছাড়া তার নির্দেশ এবং পরামর্শ অনুসারে সবাই দায়িত্ব পালন করবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হবে ৮ ফেব্রুয়ারি। মাঠে থাকবে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ৭ দিন।

মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে প্রতি ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবেন ১৫-১৬ জন। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭-১৮ জন। মেট্রোপলিটন এলাকায় প্রতি সাধারণ ভোটকেন্দ্র আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবেন ১৬ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র থাকবে ১৭ জন। দুর্গম ও বিশেষ এলাকায় সাধারণ ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবেন ১৬-১৭ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে থাকবে ১৭ থেকে ১৮ জন।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।