আকাশ নিউজ ডেস্ক :
এর মধ্যেই বিশ্বের অন্যতম সেরা ধনী ইলন মাস্ক বলেছেন, আগামী পাঁচ বছরে সমগ্র মানবজাতিকে সম্মিলিতভাবে ছাড়িয়ে যাবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) অর্থাৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে এআই। বর্তমান সময়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে এ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। এবার স্কুল ক্লাশেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পাল্লা দেবে জেন জি।
এআই প্রযুক্তি ক্রমশ ডালপালা মেলে ছড়িয়ে পড়ছে ইন্টারনেট জুড়ে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে এআই প্রযুক্তি। আগামী দিন এআইনির্ভর— এমনই মনে করছে ওয়াকিফহাল মহলের একাংশ। এবার এআই বা কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার পাঠ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে রাজ্যে। ব্যাংকিং পরিষেবা থেকে রিয়েল এস্টেট, স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে এবার মানুষকে সাহায্য করবে এআই। সেই লক্ষ্যে এবার ভারতে রাজ্যের স্কুলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পাঠ দেওয়া হবে। এ কথাই জানা গেছে।
সামাজিক মাধ্যমে থেকে সাইবার প্রতারণা, ব্যাংক জালিয়াতি, এআইয়ের মাধ্যমে ব্যাংকিং সেক্টরে কেওয়াইসি ডকুমেন্ট যাচাই, মানিলন্ডারিং অবৈধ লেনদেন শনাক্তকরণ, এআইয়ের দ্বারা ঋণ-সঞ্চয় বিনিয়োগ পরামর্শ, দ্রুত ক্রেডিট স্কোর বিশ্লেষণ হচ্ছে। দ্রুত লোন প্রসেসিং থেকে রিয়েল এস্টেট সেক্টরেও আগামী দিনে এআই আরও বড় প্রভাব ফেলবে এমনই মনে করা হচ্ছে। আগামী দিনে কীভাবে কাজ করবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা? তার রূপরেখা স্পষ্ট করল দেশের প্রথম সারির এআই সংস্থা এআই চ্যাম্প ইন্ডিয়া। এ সংস্থা কলকাতার প্রথম সারির কলেজগুলোর সঙ্গে গাঁট ছড়া বেঁধে পড়ুয়াদের শেখাচ্ছে এআইয়ের ভালো-মন্দ।
সম্প্রতি এ বিষয়ে একটি সেমিনারের আয়োজনও করা হয়েছিল। বিজ্ঞানের এই নতুন প্রযুক্তি এআই দিয়ে কত রকম কাজ করা যায়— ব্যাংকিং থেকে রিয়েল এস্টেট, রোগীর ক্যানসার ডিটেক্টেড থেকে শরীরের যে কোনো রোগ নির্ণয়ের রূপরেখা । সেই সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন একটি ব্যাংকের সিইও ফাউন্ডার চন্দ্রশেখর ঘোষসহ রাজ্যের প্রথম সারির সরকারি-বেসরকারি স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ এবং এআই হেড ফ্যাকাল্টিরা।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























