ঢাকা ০৬:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

আমাদের শিশু ও কিশোরদের মস্তিষ্ক ‘বিক্রির’ জন্য নয়: ম্যাক্রোঁ

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাবে শিশু-কিশোরদের মস্তিষ্ক ও আবেগ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে ফ্রান্স। দেশটির সরকার বলছে, শিশু ও কিশোরদের মস্তিষ্ক কোনোভাবেই বাণিজ্যিক স্বার্থের পণ্যে পরিণত হতে পারে না। তা সে আমেরিকান কোনো প্ল্যাটফর্ম হোক বা চীনা অ্যালগরিদম।

গতকাল শনিবার রাতে সিএনএনের সহযোগী চ্যানেল বিএফএমটিভিতে প্রচারিত এক ভিডিও বার্তায় এমন মন্তব্য করেছেন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।

ম্যাক্রোঁ বলেন, ‘আমাদের শিশু ও কিশোরদের মস্তিষ্ক বিক্রির জন্য নয়। তাদের আবেগও বিক্রির জন্য নয়; কিংবা কোনোভাবে নিয়ন্ত্রণ বা প্রভাবিত করার জন্য নয়। তা সে আমেরিকান প্ল্যাটফর্মই হোক বা চীনা অ্যালগরিদম।’

তিনি বলেন, ‘আমরা ১৫ বছরের নিচে বয়সিদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করছি।’ এটি সবার জন্য একটি কঠোর ও স্পষ্ট নিয়ম হবে।

তার মতে, এই নিষেধাজ্ঞা এমনভাবে কার্যকর করা হবে, যাতে বয়সসীমা যাচাই বা নিয়ম প্রয়োগ নিয়ে কোনো বিভ্রান্তি না থাকে। যার মাধ্যমে অভিভাবক ও শিক্ষকরাও নজরদারি করতে পারেন।

আগামী সেপ্টেম্বর নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগেই এই নিষেধাজ্ঞা চালু করতে আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান ম্যাক্রোঁ।

এ উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ম্যাক্রোঁর দল রেনেসাঁর সংসদ সদস্য লর মিলার। একটি টেলিভিশনের সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো বয়স যাচাই ব্যবস্থা কার্যত নেই বললেই চলে। যে কেউ ইচ্ছেমতো জন্মতারিখ দিয়ে সহজেই যেকোনো প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করতে পারছে।’

লর মিলার আরও বলেন, ‘আমরা ইউরোপীয় ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট (ডিএসএ) কঠোরভাবে প্রয়োগের মাধ্যমে প্ল্যাটফর্মগুলোতে আসল বয়স যাচাই বাধ্যতামূলক করব।’ তার মতে, এতে বড় পরিবর্তন আসবে। কারণ তখন ব্যবহারকারীদের বয়স প্রমাণে কার্যকর পদ্ধতি সংযুক্ত হবে।

পশ্চিমা দেশগুলোতে কঠোর আইন প্রণয়নের মাধ্যমে সামাজিকমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ ক্রমেই বাড়তে দেখা যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় গত ডিসেম্বরে অস্ট্রেলিয়াও যুগান্তকারী আইন পাস করে, যার মাধ্যমে ১৬ বছরের কম বয়সি শিশুদের ইনস্টাগ্রাম, টিকটক, ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খোলা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

আমাদের শিশু ও কিশোরদের মস্তিষ্ক ‘বিক্রির’ জন্য নয়: ম্যাক্রোঁ

আপডেট সময় ১১:০০:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাবে শিশু-কিশোরদের মস্তিষ্ক ও আবেগ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে ফ্রান্স। দেশটির সরকার বলছে, শিশু ও কিশোরদের মস্তিষ্ক কোনোভাবেই বাণিজ্যিক স্বার্থের পণ্যে পরিণত হতে পারে না। তা সে আমেরিকান কোনো প্ল্যাটফর্ম হোক বা চীনা অ্যালগরিদম।

গতকাল শনিবার রাতে সিএনএনের সহযোগী চ্যানেল বিএফএমটিভিতে প্রচারিত এক ভিডিও বার্তায় এমন মন্তব্য করেছেন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।

ম্যাক্রোঁ বলেন, ‘আমাদের শিশু ও কিশোরদের মস্তিষ্ক বিক্রির জন্য নয়। তাদের আবেগও বিক্রির জন্য নয়; কিংবা কোনোভাবে নিয়ন্ত্রণ বা প্রভাবিত করার জন্য নয়। তা সে আমেরিকান প্ল্যাটফর্মই হোক বা চীনা অ্যালগরিদম।’

তিনি বলেন, ‘আমরা ১৫ বছরের নিচে বয়সিদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করছি।’ এটি সবার জন্য একটি কঠোর ও স্পষ্ট নিয়ম হবে।

তার মতে, এই নিষেধাজ্ঞা এমনভাবে কার্যকর করা হবে, যাতে বয়সসীমা যাচাই বা নিয়ম প্রয়োগ নিয়ে কোনো বিভ্রান্তি না থাকে। যার মাধ্যমে অভিভাবক ও শিক্ষকরাও নজরদারি করতে পারেন।

আগামী সেপ্টেম্বর নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগেই এই নিষেধাজ্ঞা চালু করতে আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান ম্যাক্রোঁ।

এ উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ম্যাক্রোঁর দল রেনেসাঁর সংসদ সদস্য লর মিলার। একটি টেলিভিশনের সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো বয়স যাচাই ব্যবস্থা কার্যত নেই বললেই চলে। যে কেউ ইচ্ছেমতো জন্মতারিখ দিয়ে সহজেই যেকোনো প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করতে পারছে।’

লর মিলার আরও বলেন, ‘আমরা ইউরোপীয় ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট (ডিএসএ) কঠোরভাবে প্রয়োগের মাধ্যমে প্ল্যাটফর্মগুলোতে আসল বয়স যাচাই বাধ্যতামূলক করব।’ তার মতে, এতে বড় পরিবর্তন আসবে। কারণ তখন ব্যবহারকারীদের বয়স প্রমাণে কার্যকর পদ্ধতি সংযুক্ত হবে।

পশ্চিমা দেশগুলোতে কঠোর আইন প্রণয়নের মাধ্যমে সামাজিকমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ ক্রমেই বাড়তে দেখা যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় গত ডিসেম্বরে অস্ট্রেলিয়াও যুগান্তকারী আইন পাস করে, যার মাধ্যমে ১৬ বছরের কম বয়সি শিশুদের ইনস্টাগ্রাম, টিকটক, ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খোলা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।