ঢাকা ০৬:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাশের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না:জামায়াত আমিরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির উচিত বিতর্কিত কর্মকাণ্ডগুলো ৬ মাসের মধ্যেই শেষ করে ফেলা: সামান্থা খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা শত্রুতামূলক আচরণ না করলে হরমুজ দিয়ে মার্কিন জাহাজ চলতে পারবে: ইরান লেবাননে কোনো যুদ্ধবিরতি চলছে না, হামলা অব্যাহত থাকবে: নেতানিয়াহু বাংলা নববর্ষ উদযাপন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার ডিএমপির উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল ১৬ বছরের দুর্নীতি-লুটপাটে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী

কলম্বিয়ান ঝলকেও গোল হলো না

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে উভয় দলের খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স ও দুই কোচের মগজের লড়াই হয়েছে সেয়ানে সেয়ানে। সাইফের কোচ কিম গ্রান্টের অতি আক্রমণাত্মক ফুটবলের সামনে কিছুটা রক্ষণাত্মক হয়েছিল সাইফুল বারির দল। তবে দ্রুতগতিতে প্রতি আক্রমণে গিয়ে বেশ কয়েকবার সাইফের রক্ষণভাগের পরীক্ষা নিয়েছে তারা।

তিন হলুদ কার্ডে মাঠে নামতে পারেননি সাইফের ডিফেন্ডার তপু বর্মণ। তপুর স্থলে কলম্বিয়ান হোল্ডিং মিডফিল্ডার ডেইনের করদোবাকে খেলিয়ে ফাটকাই খেলেছে কোচ। রক্ষণভাগ জমাট রেখে করদোবাও দিয়েছে কোচের প্রতিদান। আবাহনীর আক্রমণভাগ মাঝেমধ্যে ত্রাস ছড়ালেও গোলমুখ খুলতে পারেনি।

‘হাই প্রেসিং’ করে শুরু থেকেই প্রতিপক্ষকে চাপে রেখেছিল সাইফের কোটি টাকার আক্রমণভাগ। বল দখলে কখনো ‘ওয়ান টু ওয়ান’ খেলে, আবার কখনো ‘উইং প্লে’ করে ঝড়ের গতিতে আক্রমণ করেছে তারা। কিন্তু চট্টগ্রাম আবাহনীর জমাট রক্ষণভাগের দেয়ালে থুবড়ে পরেছে তাদের সব কৌশল। ম্যাচের সবচেয়ে সহজ সুযোগটি মিস করেছেন ভ্যালেন্সিয়া। ম্যাচের ৭৬ মিনিটে আবাহনীর মনসুর আমিনের একটি ব্যাক পাস থেকে ডি-বক্সের ওপরে গোলরক্ষক আশরাফুল রানাকে একা পেয়েছিলেন হ্যাম্বার। শটও নিয়েছিলেন, কিন্তু পোস্ট ছেড়ে বের হয়ে এসে ভালো সেভ করেছেন আশরাফুল। আবার দুই মিনিট পরেই বাঁ প্রান্ত থেকে হেমন্তর ক্রসে বল জালে রাখতে পারেনি হ্যাম্বার।
কিন্তু এই কলম্বিয়ানই অসাধ্যসাধন করে ফেলেছিলেন প্রায়। ৮৮ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বাম প্রান্ত দিয়ে ডি-বক্সে প্রবেশ করে দূরের পোস্টে দুর্দান্ত এরিয়াল প্লেসিং করেছিলেন। ক্রসবারে লেগে ফিরে আস বল। প্রেসবক্সে সবার চোখে মুখেই তখন দুর্দান্ত একটি গোল না দেখতে পারার হতাশা। বল জালে ঢুকলে, লিগের সেরা গোল হতে পারত নিশ্চয়।

কিন্তু ম্যাচ শেষে ‘যোগ করা সময়’ জিজ্ঞাসা করা নিয়ে হয়েছে বড় এক নাটক। সাইফ অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া রেফারি মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনকে নাকি বলেছিলেন, ‘স্যার এক্সট্রা টাইম শেষ হয়ে গেল।’ প্রতি উত্তরে রেফারি নাকি জামালকে বাজে গালি দিয়েছেন। গালির প্রতিবাদ করলে জামালের সঙ্গে হেমন্ত ভিনসেন্টকেও হলুদ কার্ড দেখিয়েছেন রেফারি। এ নিয়ে মাঠে কিছুটা উত্তাপ ছড়ায়।
এ ম্যাচের পর ১০ ম্যাচে ২৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষেই আছে চট্টগ্রাম আবাহনী। চতুর্থ স্থানে থাকা সাইফ স্পোর্টিংয়ের পয়েন্ট ১৯।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবি

কলম্বিয়ান ঝলকেও গোল হলো না

আপডেট সময় ১২:২৭:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ অক্টোবর ২০১৭

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে উভয় দলের খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স ও দুই কোচের মগজের লড়াই হয়েছে সেয়ানে সেয়ানে। সাইফের কোচ কিম গ্রান্টের অতি আক্রমণাত্মক ফুটবলের সামনে কিছুটা রক্ষণাত্মক হয়েছিল সাইফুল বারির দল। তবে দ্রুতগতিতে প্রতি আক্রমণে গিয়ে বেশ কয়েকবার সাইফের রক্ষণভাগের পরীক্ষা নিয়েছে তারা।

তিন হলুদ কার্ডে মাঠে নামতে পারেননি সাইফের ডিফেন্ডার তপু বর্মণ। তপুর স্থলে কলম্বিয়ান হোল্ডিং মিডফিল্ডার ডেইনের করদোবাকে খেলিয়ে ফাটকাই খেলেছে কোচ। রক্ষণভাগ জমাট রেখে করদোবাও দিয়েছে কোচের প্রতিদান। আবাহনীর আক্রমণভাগ মাঝেমধ্যে ত্রাস ছড়ালেও গোলমুখ খুলতে পারেনি।

‘হাই প্রেসিং’ করে শুরু থেকেই প্রতিপক্ষকে চাপে রেখেছিল সাইফের কোটি টাকার আক্রমণভাগ। বল দখলে কখনো ‘ওয়ান টু ওয়ান’ খেলে, আবার কখনো ‘উইং প্লে’ করে ঝড়ের গতিতে আক্রমণ করেছে তারা। কিন্তু চট্টগ্রাম আবাহনীর জমাট রক্ষণভাগের দেয়ালে থুবড়ে পরেছে তাদের সব কৌশল। ম্যাচের সবচেয়ে সহজ সুযোগটি মিস করেছেন ভ্যালেন্সিয়া। ম্যাচের ৭৬ মিনিটে আবাহনীর মনসুর আমিনের একটি ব্যাক পাস থেকে ডি-বক্সের ওপরে গোলরক্ষক আশরাফুল রানাকে একা পেয়েছিলেন হ্যাম্বার। শটও নিয়েছিলেন, কিন্তু পোস্ট ছেড়ে বের হয়ে এসে ভালো সেভ করেছেন আশরাফুল। আবার দুই মিনিট পরেই বাঁ প্রান্ত থেকে হেমন্তর ক্রসে বল জালে রাখতে পারেনি হ্যাম্বার।
কিন্তু এই কলম্বিয়ানই অসাধ্যসাধন করে ফেলেছিলেন প্রায়। ৮৮ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বাম প্রান্ত দিয়ে ডি-বক্সে প্রবেশ করে দূরের পোস্টে দুর্দান্ত এরিয়াল প্লেসিং করেছিলেন। ক্রসবারে লেগে ফিরে আস বল। প্রেসবক্সে সবার চোখে মুখেই তখন দুর্দান্ত একটি গোল না দেখতে পারার হতাশা। বল জালে ঢুকলে, লিগের সেরা গোল হতে পারত নিশ্চয়।

কিন্তু ম্যাচ শেষে ‘যোগ করা সময়’ জিজ্ঞাসা করা নিয়ে হয়েছে বড় এক নাটক। সাইফ অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া রেফারি মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনকে নাকি বলেছিলেন, ‘স্যার এক্সট্রা টাইম শেষ হয়ে গেল।’ প্রতি উত্তরে রেফারি নাকি জামালকে বাজে গালি দিয়েছেন। গালির প্রতিবাদ করলে জামালের সঙ্গে হেমন্ত ভিনসেন্টকেও হলুদ কার্ড দেখিয়েছেন রেফারি। এ নিয়ে মাঠে কিছুটা উত্তাপ ছড়ায়।
এ ম্যাচের পর ১০ ম্যাচে ২৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষেই আছে চট্টগ্রাম আবাহনী। চতুর্থ স্থানে থাকা সাইফ স্পোর্টিংয়ের পয়েন্ট ১৯।