ঢাকা ০৬:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা দেশ গড়ার কাজে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘নকলের’ সুযোগ না পেয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ভোলার চরফ্যাসনের ফাতেমা মতিন মহিলা মহাবিদ্যালয় পরীক্ষার কেন্দ্রে এইচএসসির আইসিটি বিষয় পরীক্ষায় নকল করতে না পেরে পরীক্ষার কেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এসময় শিক্ষার্থীদের প্রতিরোধ করতে গিয়ে কলেজ ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও একাধিক শিক্ষক ও পথচারী আহত হয়েছেন। তবে কোনো শিক্ষার্থী হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে চরফ্যাসন থানার পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এদিকে ঘটনার পর পরই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমনা আফরোজ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

আজ শনিবার দুপুরে পরীক্ষা শেষে জোটবদ্ধ শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে কলেজ গেট ও কলেজের অফিস কক্ষে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন।

জানা যায়, চরফ্যাসন সরকারি কলেজের ৮৮৪ জন শিক্ষার্থী ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি আইসিটি বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। নির্দিষ্ট সময়ে পরীক্ষা শুরু হয়। প্রশ্নপত্র কক্ষে পৌঁছানোর পরপরই ১০৪ নম্বর কক্ষের শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন কমন না পাড়ায় তারা উত্তেজিত হয়ে উঠেন। ওই উত্তেজনা পুরো কলেজ ছড়িয়ে পরে। পরে কেন্দ্রসচিব ও হল সুপারভাইজার ও ইউএনওর প্রতিনিধি কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে পরীক্ষা সম্পন্ন করেন।

কেন্দ্র সচিব ফাতেমা মতিন মহিলা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন বাচ্চু জানান, চরফ্যাসন সরকারি কলেজের ৮৮৪ জন শিক্ষার্থী ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসির আইসিটি বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। ওই কেন্দ্র সিসি ক্যামেরার আওতায় আছে। তবুও তারা কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে পরীক্ষা দেওয়া শুরু করেন। প্রশ্নপত্র কক্ষে পৌঁছানোর পরপরই ১০৪ নম্বর কক্ষের কিছু শিক্ষার্থী বিশৃঙ্খলা শুরু করলে আমরা কঠোরভাবে পরীক্ষার হলে দ্বায়িত্ব পালন করি। এতে অসদুপায় অবলম্বনে শিক্ষার্থীদের বিঘ্ন হয়। পরে পরীক্ষা শেষে তারা একত্রিত হয়ে কলেজ ক্যাম্পাসের বাইরে গিয়ে মিছিল দিয়ে জোটবদ্ধ হয়ে কলেজ গেট ভাঙচুর করে। ভেতরে ঢুকে কলেজ ক্যাম্পাসে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন। এক পর্যায়ে তারা ক্যাম্পাসে ঢুকে অফিস কক্ষের জানালার গ্লাস ভাঙচুর করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।

ইউএনওর প্রতিনিধি সমাজসেবা কর্মকর্তা মামুন হোসাইন জানান, কঠোরভাবে পরীক্ষার হলে দ্বায়িত্ব পালন করায় অসদুপায় অবলম্বনে শিক্ষার্থীদের বিঘ্ন হয়। এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে পরীক্ষার কেন্দ্রে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন। পরে পুলিশ এলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমনা আফরোজ জানান, তাৎক্ষণিক তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। বড় রকমের কোনো অনাক্ষাক্ষিত ঘটনা ঘটেনি। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সমান সুবিধা নিশ্চিতে জাতীয় কমিটির আহ্বান প্রেসিডেন্টের

‘নকলের’ সুযোগ না পেয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর

আপডেট সময় ০৮:২০:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ভোলার চরফ্যাসনের ফাতেমা মতিন মহিলা মহাবিদ্যালয় পরীক্ষার কেন্দ্রে এইচএসসির আইসিটি বিষয় পরীক্ষায় নকল করতে না পেরে পরীক্ষার কেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এসময় শিক্ষার্থীদের প্রতিরোধ করতে গিয়ে কলেজ ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও একাধিক শিক্ষক ও পথচারী আহত হয়েছেন। তবে কোনো শিক্ষার্থী হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে চরফ্যাসন থানার পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এদিকে ঘটনার পর পরই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমনা আফরোজ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

আজ শনিবার দুপুরে পরীক্ষা শেষে জোটবদ্ধ শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে কলেজ গেট ও কলেজের অফিস কক্ষে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন।

জানা যায়, চরফ্যাসন সরকারি কলেজের ৮৮৪ জন শিক্ষার্থী ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি আইসিটি বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। নির্দিষ্ট সময়ে পরীক্ষা শুরু হয়। প্রশ্নপত্র কক্ষে পৌঁছানোর পরপরই ১০৪ নম্বর কক্ষের শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন কমন না পাড়ায় তারা উত্তেজিত হয়ে উঠেন। ওই উত্তেজনা পুরো কলেজ ছড়িয়ে পরে। পরে কেন্দ্রসচিব ও হল সুপারভাইজার ও ইউএনওর প্রতিনিধি কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে পরীক্ষা সম্পন্ন করেন।

কেন্দ্র সচিব ফাতেমা মতিন মহিলা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন বাচ্চু জানান, চরফ্যাসন সরকারি কলেজের ৮৮৪ জন শিক্ষার্থী ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসির আইসিটি বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। ওই কেন্দ্র সিসি ক্যামেরার আওতায় আছে। তবুও তারা কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে পরীক্ষা দেওয়া শুরু করেন। প্রশ্নপত্র কক্ষে পৌঁছানোর পরপরই ১০৪ নম্বর কক্ষের কিছু শিক্ষার্থী বিশৃঙ্খলা শুরু করলে আমরা কঠোরভাবে পরীক্ষার হলে দ্বায়িত্ব পালন করি। এতে অসদুপায় অবলম্বনে শিক্ষার্থীদের বিঘ্ন হয়। পরে পরীক্ষা শেষে তারা একত্রিত হয়ে কলেজ ক্যাম্পাসের বাইরে গিয়ে মিছিল দিয়ে জোটবদ্ধ হয়ে কলেজ গেট ভাঙচুর করে। ভেতরে ঢুকে কলেজ ক্যাম্পাসে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন। এক পর্যায়ে তারা ক্যাম্পাসে ঢুকে অফিস কক্ষের জানালার গ্লাস ভাঙচুর করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।

ইউএনওর প্রতিনিধি সমাজসেবা কর্মকর্তা মামুন হোসাইন জানান, কঠোরভাবে পরীক্ষার হলে দ্বায়িত্ব পালন করায় অসদুপায় অবলম্বনে শিক্ষার্থীদের বিঘ্ন হয়। এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে পরীক্ষার কেন্দ্রে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন। পরে পুলিশ এলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমনা আফরোজ জানান, তাৎক্ষণিক তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। বড় রকমের কোনো অনাক্ষাক্ষিত ঘটনা ঘটেনি। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।