ঢাকা ১১:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব উন্নয়ন, অগ্রগতি ও গণতন্ত্রের বিকল্প নাম বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমদ

মিয়ানমার সরকার চাইলে আরসা শান্তির জন্য প্রস্তুত

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরা জানিয়েছেন, তারা মিয়ানমার সরকারের যেকোনো শান্তির পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত। শিগগিরই সহিংসতার শিকার মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে একমাসের অস্ত্রবিরতি শেষ হতে যাচ্ছে। ৯ অক্টোবর রাতে যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পরে কি করা হবে সেই ব্যাপারে কোনো কথা বলেনি আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মি (আরসা)। তবে তারা জানিয়েছে, তারা চায় অত্যাচার ও নিপীড়ন বন্ধ হোক। যেকোনো সময়ে যদি বার্মিজ সরকার শান্তির কথা বলেন, তাহলে সেটার প্রতিক্রিয়ায় আরসা অবশ্যই সহায়তা করবে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে রয়টার্স।

তবে এই বিষয়ে মতামত নেওয়ার জন্য সেই সময়ে সরকারি কোনো মুখপাত্রকে পাওয়া যায়নি। সেপ্টেম্বরের ১০ তারিখে এক মাসের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে আরসা। তখন বার্মার সরকারি মুখপাত্র জানিয়েছিলো, সন্ত্রাসীদের সঙ্গে আলোচনার কোনো নীতি আমাদের নেই।

অাগস্টের ২৫ তারিখে ৩০ টি নিরাপদ পোস্ট এবং একটি আর্মি ক্যাম্পে বিদ্রোহীরা হামলা চালায় বলে দাবি করে মিয়ানমার। এরপরই রোহিঙ্গাদের উপর হামলা চালানো শুরু করে সেখানকার সেনা কর্মকর্তারা। সেখানে নির্যাতন শুরু করে মিয়ানমারের আর্মি যেটাকে জাতিসংঘ নাম দেয় জাতিগত নিধন। নির্যাতনের শিকার হয়ে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে চলে আসে প্রায় ৫ লাখ রোহিঙ্গা। মিয়ানমার সরকারের দাবি, সেই ঘটনায় ৫০০ মানুষ সেই হামলায় মারা যায় যাদের বেশিরভাগই সন্ত্রাসী। আর তারা সাধারণ নাগরিকদের আক্রমণ করছিলো এবং গ্রাম তছনছ করছিলো।

অাগস্টের আগে আরসা বিদ্রোহীদের আর কখনো এতটা অাক্রমণাত্মক দেখা যায়নি। সঙ্গে সবাই এটাও ভাবছেন, মিলিটারি নিয়ন্ত্রিত একটি এলাকায় যেখানে সাধারণ মানুষকেও বিতাড়িত করা হচ্ছে, বিদ্রোহীদের চাকরি, খাবার, অর্থ, তথ্য থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে, সেখানে এই বিদ্রোহ কিভাবে সম্ভব। অন্যদিকে আরসার দাবি মিয়ানমার সরকার হত্যা ও লুঠতরাজ ও ধর্ষণকে বিতাড়িত করার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছে। আরসা কোনো বিদেশী মুসলিমদের সঙ্গে যোগাযোগের কথাও অস্বীকার করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাস্ট অ্যালার্জি থেকে সুরক্ষা পেতে কিছু উপায়

মিয়ানমার সরকার চাইলে আরসা শান্তির জন্য প্রস্তুত

আপডেট সময় ০৬:১০:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরা জানিয়েছেন, তারা মিয়ানমার সরকারের যেকোনো শান্তির পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত। শিগগিরই সহিংসতার শিকার মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে একমাসের অস্ত্রবিরতি শেষ হতে যাচ্ছে। ৯ অক্টোবর রাতে যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পরে কি করা হবে সেই ব্যাপারে কোনো কথা বলেনি আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মি (আরসা)। তবে তারা জানিয়েছে, তারা চায় অত্যাচার ও নিপীড়ন বন্ধ হোক। যেকোনো সময়ে যদি বার্মিজ সরকার শান্তির কথা বলেন, তাহলে সেটার প্রতিক্রিয়ায় আরসা অবশ্যই সহায়তা করবে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে রয়টার্স।

তবে এই বিষয়ে মতামত নেওয়ার জন্য সেই সময়ে সরকারি কোনো মুখপাত্রকে পাওয়া যায়নি। সেপ্টেম্বরের ১০ তারিখে এক মাসের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে আরসা। তখন বার্মার সরকারি মুখপাত্র জানিয়েছিলো, সন্ত্রাসীদের সঙ্গে আলোচনার কোনো নীতি আমাদের নেই।

অাগস্টের ২৫ তারিখে ৩০ টি নিরাপদ পোস্ট এবং একটি আর্মি ক্যাম্পে বিদ্রোহীরা হামলা চালায় বলে দাবি করে মিয়ানমার। এরপরই রোহিঙ্গাদের উপর হামলা চালানো শুরু করে সেখানকার সেনা কর্মকর্তারা। সেখানে নির্যাতন শুরু করে মিয়ানমারের আর্মি যেটাকে জাতিসংঘ নাম দেয় জাতিগত নিধন। নির্যাতনের শিকার হয়ে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে চলে আসে প্রায় ৫ লাখ রোহিঙ্গা। মিয়ানমার সরকারের দাবি, সেই ঘটনায় ৫০০ মানুষ সেই হামলায় মারা যায় যাদের বেশিরভাগই সন্ত্রাসী। আর তারা সাধারণ নাগরিকদের আক্রমণ করছিলো এবং গ্রাম তছনছ করছিলো।

অাগস্টের আগে আরসা বিদ্রোহীদের আর কখনো এতটা অাক্রমণাত্মক দেখা যায়নি। সঙ্গে সবাই এটাও ভাবছেন, মিলিটারি নিয়ন্ত্রিত একটি এলাকায় যেখানে সাধারণ মানুষকেও বিতাড়িত করা হচ্ছে, বিদ্রোহীদের চাকরি, খাবার, অর্থ, তথ্য থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে, সেখানে এই বিদ্রোহ কিভাবে সম্ভব। অন্যদিকে আরসার দাবি মিয়ানমার সরকার হত্যা ও লুঠতরাজ ও ধর্ষণকে বিতাড়িত করার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছে। আরসা কোনো বিদেশী মুসলিমদের সঙ্গে যোগাযোগের কথাও অস্বীকার করেছে।