ঢাকা ০১:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাড্ডায় অটোরিকশা চালকদের সড়ক অবরোধে চরম ভোগান্তি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল জন্মহারে বড় ধস, অর্থনৈতিক সংকটের মুখে চীন স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ২১ আপিল শুনানিতে কোনো ধরনের পক্ষপাত করিনি : সিইসি নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা ভাববে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে : আব্দুল্লাহ মো. তাহের একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত

শোষণের দৃষ্টিতে তাকালে চোখ উপড়ে ফেলব: সারজিস আলম

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

বাংলাদেশের বিজয়কে নিজ দেশের বিজয় বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার এ আপত্তিকর, উদ্ভট ও বানোয়াট মন্তব্যকে ঘিরে দেশে আলোচনার ঝড় বইছে। সাধারণ নাগরিক থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা, নাগরিক কমিটি, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়েছেন।

সোমবার বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবসকে নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি লিখেছেন, ‘আজ, বিজয় দিবস। আমরা ১৯৭১ সালে ভারতের ঐতিহাসিক বিজয়ে অবদান রাখা সাহসী সৈন্যদের সাহস ও আত্মত্যাগকে সম্মান জানাই। তাদের নিঃস্বার্থ জীবন উৎসর্গ এবং অটল সংকল্প আমাদের জাতিকে রক্ষা করেছে এবং আমাদের গৌরব এনে দিয়েছে।’ মোদি আরও লিখেছেন, ‘এই দিনটি তাদের অসাধারণ বীরত্ব এবং তাদের অদম্য চেতনার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাই। তাদের আÍত্যাগ চিরকাল প্রজš§কে অনুপ্রাণিত করবে এবং আমাদের জাতির ইতিহাসে গভীরভাবে গেঁথে থাকবে।’

বাংলাদেশ সরকার এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোন প্রতিক্রিয়া না জানালেও এক ফেসবুক পোস্টে মোদির বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘তীব্র প্রতিবাদ করছি। ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ ছিল বাংলাদেশের বিজয়ের দিন। ভারত ছিল এই বিজয়ের মিত্র, এর বেশি কিছু নয়।’ পোস্টের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির সেই পোস্টকে যুক্ত করেছেন তিনি।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ফেসবুক পোস্টে মোদির পোস্টের প্রতিবাদ জানিয়ে লিখেছেন, ‘এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। কিন্তু মোদি দাবি করেছে, এটি শুধু ভারতের যুদ্ধ এবং তাদের অর্জন। তাদের বক্তব্যে বাংলাদেশের অস্তিত্বই উপেক্ষিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘যখন এই স্বাধীনতাকে ভারত নিজেদের অর্জন হিসেবে দাবি করে, তখন আমি একে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, এবং অখণ্ডতার প্রতি সরাসরি হুমকি হিসেবে দেখি। ভারতের এই হুমকির বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চালিয়ে যাওয়া অবশ্যম্ভাবী। এই লড়াই আমাদের চালিয়ে যেতেই হবে।’

বিজয় দিবস নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে বক্তব্য দিয়েছেন, অন্তর্বর্তী সরকারকে তার প্রতিবাদ জানাতে হবে। এমন দাবি করেছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন। বিকেলে রাজধানীতে জাতীয় নাগরিক কমিটির ‘বিজয় র‌্যালি’ পরবর্তী সমাবেশে তিনি এ দাবি জানান। আখতার হোসেন বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ১৬ ডিসেম্বরকে বাংলাদেশের বিজয় না বলে, ভারতের বিজয় উল্লেখ করেছেন। বিজয় দিবস নিয়ে এমন হীন বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাই। অন্তর্বর্তী সরকারকে অতি দ্রুত এ বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাতে হবে।

এ সময় জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেন, মোদিকে জানিয়ে দিতে চাই, এটা গুজরাট নয় বাংলাদেশ। এখানে উগ্র সাম্প্রদায়িকতা চলে না, গুজব দিয়ে মানুষ হত্যা করে ক্ষমতায় যাওয়া যায় না। পৃথিবীর সব দেশকে বলে দিতে চাই, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক হতে হবে সম্মানের-সমতার। তিনি বলেন, কেউ শোষণের দৃষ্টিতে তাকালে চোখ উপড়ে ফেলব। আগামীর বাংলাদেশে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচারের রাষ্ট্র কায়েম করবে জাতীয় নাগরিক কমিটি।

অপরদিকে মোদির সেই পোস্টের কমেন্ট বক্সে প্রতিবাদী মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশিরা। ওমর ফারুক নামে এক বাংলাদেশি ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘এটা বাংলাদেশের বিজয় দিবস, ভারতের নয়।’

ওসমান গনি নামে একজন লিখেছেন, ‘এটা আমাদের (বাংলাদেশের) বিজয়। আপনি কীভাবে বলছেন এটা ভারতের জয়? মোদি বাড়াবাড়ি করছেন। এই পোস্টের জন্য আপনার বাংলাদেশের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিৎ।’

তানভিরুল ইসলাম নামের অপর এক ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘এটা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। এই যুদ্ধটা হয়েছিল যেন পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ মুক্ত হতে পারে। কিন্তু মোদি এটাকে সম্পূর্ণভাবে নিজেদের যুদ্ধ এবং অর্জন হিসেবে উল্লে­খ করেছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের অস্তিত্বকে পুরোপুরি অস্বীকার করা হচ্ছে।’

মোদির মন্তব্যের সাথে সূর মিলিয়ে ইন্দিরা গান্ধীর সাহসী নেতৃত্বে বিজয়ী হয় বাংলাদেশ-বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের বিরোধী রাজনৈতিক দল কংগ্রেসের নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। সোমবার সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভায় দেওয়া ভাষণে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেন, ‘আজ বিজয় দিবস। প্রথমেই আমি স্যালুট জানাতে চাই সেই বীর সৈনিকদের, যারা একাত্তরে আমাদের জন্য যুদ্ধ করেছিলেন। সেই সময় বাংলাদেশে যা ঘটেছিল, সেই বিষয়ে বাংলাদেশের জনগণের-আমাদের বাঙালি ভাইবোনদের কথা কেউ শোনেনি।’

তিনি বলেন, ‘১৯৭১ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। আমি তাকে স্যালুট জানাতে চাই। তিনি অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতিতেও সাহস দেখিয়েছিলেন। তিনি এমন নেতৃত্ব প্রদর্শন করেছিলেন, যা দেশটিকে বিজয়ী করে।’

ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কার গান্ধীর এমন মন্তব্য কোনভাবেই মেনে নিতে পারছেন না বাংলাদেশের মানুষ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শোষণের দৃষ্টিতে তাকালে চোখ উপড়ে ফেলব: সারজিস আলম

আপডেট সময় ১০:০৭:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

বাংলাদেশের বিজয়কে নিজ দেশের বিজয় বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার এ আপত্তিকর, উদ্ভট ও বানোয়াট মন্তব্যকে ঘিরে দেশে আলোচনার ঝড় বইছে। সাধারণ নাগরিক থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা, নাগরিক কমিটি, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়েছেন।

সোমবার বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবসকে নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি লিখেছেন, ‘আজ, বিজয় দিবস। আমরা ১৯৭১ সালে ভারতের ঐতিহাসিক বিজয়ে অবদান রাখা সাহসী সৈন্যদের সাহস ও আত্মত্যাগকে সম্মান জানাই। তাদের নিঃস্বার্থ জীবন উৎসর্গ এবং অটল সংকল্প আমাদের জাতিকে রক্ষা করেছে এবং আমাদের গৌরব এনে দিয়েছে।’ মোদি আরও লিখেছেন, ‘এই দিনটি তাদের অসাধারণ বীরত্ব এবং তাদের অদম্য চেতনার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাই। তাদের আÍত্যাগ চিরকাল প্রজš§কে অনুপ্রাণিত করবে এবং আমাদের জাতির ইতিহাসে গভীরভাবে গেঁথে থাকবে।’

বাংলাদেশ সরকার এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোন প্রতিক্রিয়া না জানালেও এক ফেসবুক পোস্টে মোদির বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘তীব্র প্রতিবাদ করছি। ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ ছিল বাংলাদেশের বিজয়ের দিন। ভারত ছিল এই বিজয়ের মিত্র, এর বেশি কিছু নয়।’ পোস্টের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির সেই পোস্টকে যুক্ত করেছেন তিনি।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ফেসবুক পোস্টে মোদির পোস্টের প্রতিবাদ জানিয়ে লিখেছেন, ‘এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। কিন্তু মোদি দাবি করেছে, এটি শুধু ভারতের যুদ্ধ এবং তাদের অর্জন। তাদের বক্তব্যে বাংলাদেশের অস্তিত্বই উপেক্ষিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘যখন এই স্বাধীনতাকে ভারত নিজেদের অর্জন হিসেবে দাবি করে, তখন আমি একে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, এবং অখণ্ডতার প্রতি সরাসরি হুমকি হিসেবে দেখি। ভারতের এই হুমকির বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চালিয়ে যাওয়া অবশ্যম্ভাবী। এই লড়াই আমাদের চালিয়ে যেতেই হবে।’

বিজয় দিবস নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে বক্তব্য দিয়েছেন, অন্তর্বর্তী সরকারকে তার প্রতিবাদ জানাতে হবে। এমন দাবি করেছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন। বিকেলে রাজধানীতে জাতীয় নাগরিক কমিটির ‘বিজয় র‌্যালি’ পরবর্তী সমাবেশে তিনি এ দাবি জানান। আখতার হোসেন বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ১৬ ডিসেম্বরকে বাংলাদেশের বিজয় না বলে, ভারতের বিজয় উল্লেখ করেছেন। বিজয় দিবস নিয়ে এমন হীন বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাই। অন্তর্বর্তী সরকারকে অতি দ্রুত এ বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাতে হবে।

এ সময় জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেন, মোদিকে জানিয়ে দিতে চাই, এটা গুজরাট নয় বাংলাদেশ। এখানে উগ্র সাম্প্রদায়িকতা চলে না, গুজব দিয়ে মানুষ হত্যা করে ক্ষমতায় যাওয়া যায় না। পৃথিবীর সব দেশকে বলে দিতে চাই, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক হতে হবে সম্মানের-সমতার। তিনি বলেন, কেউ শোষণের দৃষ্টিতে তাকালে চোখ উপড়ে ফেলব। আগামীর বাংলাদেশে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচারের রাষ্ট্র কায়েম করবে জাতীয় নাগরিক কমিটি।

অপরদিকে মোদির সেই পোস্টের কমেন্ট বক্সে প্রতিবাদী মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশিরা। ওমর ফারুক নামে এক বাংলাদেশি ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘এটা বাংলাদেশের বিজয় দিবস, ভারতের নয়।’

ওসমান গনি নামে একজন লিখেছেন, ‘এটা আমাদের (বাংলাদেশের) বিজয়। আপনি কীভাবে বলছেন এটা ভারতের জয়? মোদি বাড়াবাড়ি করছেন। এই পোস্টের জন্য আপনার বাংলাদেশের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিৎ।’

তানভিরুল ইসলাম নামের অপর এক ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘এটা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। এই যুদ্ধটা হয়েছিল যেন পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ মুক্ত হতে পারে। কিন্তু মোদি এটাকে সম্পূর্ণভাবে নিজেদের যুদ্ধ এবং অর্জন হিসেবে উল্লে­খ করেছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের অস্তিত্বকে পুরোপুরি অস্বীকার করা হচ্ছে।’

মোদির মন্তব্যের সাথে সূর মিলিয়ে ইন্দিরা গান্ধীর সাহসী নেতৃত্বে বিজয়ী হয় বাংলাদেশ-বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের বিরোধী রাজনৈতিক দল কংগ্রেসের নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। সোমবার সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভায় দেওয়া ভাষণে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেন, ‘আজ বিজয় দিবস। প্রথমেই আমি স্যালুট জানাতে চাই সেই বীর সৈনিকদের, যারা একাত্তরে আমাদের জন্য যুদ্ধ করেছিলেন। সেই সময় বাংলাদেশে যা ঘটেছিল, সেই বিষয়ে বাংলাদেশের জনগণের-আমাদের বাঙালি ভাইবোনদের কথা কেউ শোনেনি।’

তিনি বলেন, ‘১৯৭১ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। আমি তাকে স্যালুট জানাতে চাই। তিনি অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতিতেও সাহস দেখিয়েছিলেন। তিনি এমন নেতৃত্ব প্রদর্শন করেছিলেন, যা দেশটিকে বিজয়ী করে।’

ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কার গান্ধীর এমন মন্তব্য কোনভাবেই মেনে নিতে পারছেন না বাংলাদেশের মানুষ।