ঢাকা ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘মৌলিক জ্ঞান না থাকলে কোচিংয়ে আসা উচিত নয়’:তামিম ইকবাল আপসকামিতা নয়, স্বৈরাচারকে প্রতিহত করার ইতিহাস বিএনপির: জাহিদ হোসেন পটিয়া থানার ২শ গজ সামনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল হবিগঞ্জে হামলার ঘটনায় ১১ জনের নামে এনসিপির মামলা বর্তমান সরকারের আমলে রাষ্ট্রীয় মদদে কোনো দুর্নীতি গুম খুন হয়নি হবিগঞ্জে গিয়ে মামলা না করে আমরা ফিরব না: এমপি হাসনাত যুব জামায়াত নেতার কাণ্ড; বিধবা নারীকে ধর্ষণের পর গর্ভপাতের অভিযোগ:দল থেকে সদস্যপদ স্থগিত মানবতার মুক্তিতে ইসলামের আদর্শের বিজয়ের বিকল্প নেই: চরমোনাই পীর সব প্রকল্পের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য:জহির উদ্দিন স্বপন হঠাৎ ৬ মুসলিম দেশের যৌথ সামরিক মহড়া, কী বার্তা দিচ্ছে

সময় বেশিদিন নাই, জনগণের সামনেই বিচার হবে : ড. মোশাররফ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন সরকারের উদ্দেশ্যে বলেছেন, গত ১৫ বছর অনেক চেষ্টা করেও বিএনপিকে দমাতে বা দুর্বল করতে পারেননি। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া থেকে শুরু করে এমন কোনো নেতাকর্মী নেই, যাদের নামে মামলা নেই। তবুও কেউই দল ছেড়ে যায়নি। বিএনপিকে দমিয়ে রাখা যাবে না। বিএনপি ঐক্যবদ্ধ থেকেই দেশের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবে। সময় আর বেশিদিন নাই, জনগণের সামনেই আপনাদের বিচার হবে।

বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর সায়েদাবাদ ব্রিজের ঢালে (আইডিয়াল স্কুলের পাশে সামনের মসজিদের পশ্চিম পাশের রাস্তা) ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নিত্য-প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং ভোলায় পুলিশের গুলিতে ছাত্রদল নেতা নূরে আলম, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আব্দুর রহিম ও নারায়ণগঞ্জের যুবদল নেতা শাওন নিহতের প্রতিবাদে মহানগর দক্ষিণ বিএনপির ৭ নম্বর জোন এই কর্মসূচির আয়োজন করে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক নবী উল্লাহ নবীর সভাপতিত্বে সমাবেশে স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান, বিএনপি নেতা নাজিমউদ্দিন আলম, ফজলুল হক মিলন, মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু, উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

গত কয়েকদিনের মতো রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মীরা বাঁশের লাঠি ও ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম্পের মাথায় জাতীয় পতাকা লাগিয়ে মিছিল নিয়ে সমাবেশে আসেন। দুপুর ২টার কিছু সময় পর থেকেই সায়দাবাদ, যাত্রাবাড়িসহ আশপাশের এলাকা থেকে বিএনপি নেতাকর্মীরা ব্যানার, ফেস্টুনসহ মিছিল নিয়ে সমাবেশে আসতে শুরু করেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সমাবেশস্থলে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি বেড়ে যায়। এসময় তারা বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি ও সরকারের বিরুদ্ধে মুহুর্মূহু স্লোগান দেন। সমাবেশস্থলের আশপাশে মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ।

ড. মোশাররফ হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগের পেটুয়া বাহিনীকে বলতে চাই- আপনাদের চিহ্নিত করে রাখছি। সময় বেশিদিন নাই, জনগণের সামনে আপনাদের বিচার হবেই। পুলিশের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারী। অনেক হয়েছে আর নয়। আর একজন নেতাকর্মীর ওপরেও হামলা করবেন না। যারা বলে বিএনপিকে রাজপথে খুঁজে পাওয়া যায় না, তারাই ভয় পেয়ে আপনাদের বিএনপির বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিচ্ছেন। তারা নিজেরোই পালানোর জায়গা পাবে না। সুতারাং এখনো সাবধান হোন।

ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, এই সরকারের সময় শেষ হয়ে এসেছে। অন্যায়, দুঃশাসন ও লুটপাটের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে আমরা এক হয়েছি। সরকারের কাছে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য যেই মুক্তিযোদ্ধারা বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছিল- কোথায় সেই গণতন্ত্র? কেনো গণতন্ত্রকে কবর দিয়ে বাকশাল কায়েম করে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠার পাঁয়তারা চলছে? কোনো বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ১ লাখ মামলা দেয়া হয়েছে? এসব করে আর কোনো লাভ হবে না। সরকারকে অবশ্যই গণআন্দোলনের মুখেই বিদায় নিতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সময় বেশিদিন নাই, জনগণের সামনেই বিচার হবে : ড. মোশাররফ

আপডেট সময় ০৮:৩৬:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন সরকারের উদ্দেশ্যে বলেছেন, গত ১৫ বছর অনেক চেষ্টা করেও বিএনপিকে দমাতে বা দুর্বল করতে পারেননি। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া থেকে শুরু করে এমন কোনো নেতাকর্মী নেই, যাদের নামে মামলা নেই। তবুও কেউই দল ছেড়ে যায়নি। বিএনপিকে দমিয়ে রাখা যাবে না। বিএনপি ঐক্যবদ্ধ থেকেই দেশের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবে। সময় আর বেশিদিন নাই, জনগণের সামনেই আপনাদের বিচার হবে।

বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর সায়েদাবাদ ব্রিজের ঢালে (আইডিয়াল স্কুলের পাশে সামনের মসজিদের পশ্চিম পাশের রাস্তা) ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নিত্য-প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং ভোলায় পুলিশের গুলিতে ছাত্রদল নেতা নূরে আলম, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আব্দুর রহিম ও নারায়ণগঞ্জের যুবদল নেতা শাওন নিহতের প্রতিবাদে মহানগর দক্ষিণ বিএনপির ৭ নম্বর জোন এই কর্মসূচির আয়োজন করে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক নবী উল্লাহ নবীর সভাপতিত্বে সমাবেশে স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান, বিএনপি নেতা নাজিমউদ্দিন আলম, ফজলুল হক মিলন, মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু, উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

গত কয়েকদিনের মতো রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মীরা বাঁশের লাঠি ও ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম্পের মাথায় জাতীয় পতাকা লাগিয়ে মিছিল নিয়ে সমাবেশে আসেন। দুপুর ২টার কিছু সময় পর থেকেই সায়দাবাদ, যাত্রাবাড়িসহ আশপাশের এলাকা থেকে বিএনপি নেতাকর্মীরা ব্যানার, ফেস্টুনসহ মিছিল নিয়ে সমাবেশে আসতে শুরু করেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সমাবেশস্থলে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি বেড়ে যায়। এসময় তারা বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি ও সরকারের বিরুদ্ধে মুহুর্মূহু স্লোগান দেন। সমাবেশস্থলের আশপাশে মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ।

ড. মোশাররফ হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগের পেটুয়া বাহিনীকে বলতে চাই- আপনাদের চিহ্নিত করে রাখছি। সময় বেশিদিন নাই, জনগণের সামনে আপনাদের বিচার হবেই। পুলিশের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারী। অনেক হয়েছে আর নয়। আর একজন নেতাকর্মীর ওপরেও হামলা করবেন না। যারা বলে বিএনপিকে রাজপথে খুঁজে পাওয়া যায় না, তারাই ভয় পেয়ে আপনাদের বিএনপির বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিচ্ছেন। তারা নিজেরোই পালানোর জায়গা পাবে না। সুতারাং এখনো সাবধান হোন।

ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, এই সরকারের সময় শেষ হয়ে এসেছে। অন্যায়, দুঃশাসন ও লুটপাটের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে আমরা এক হয়েছি। সরকারের কাছে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য যেই মুক্তিযোদ্ধারা বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছিল- কোথায় সেই গণতন্ত্র? কেনো গণতন্ত্রকে কবর দিয়ে বাকশাল কায়েম করে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠার পাঁয়তারা চলছে? কোনো বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ১ লাখ মামলা দেয়া হয়েছে? এসব করে আর কোনো লাভ হবে না। সরকারকে অবশ্যই গণআন্দোলনের মুখেই বিদায় নিতে হবে।