ঢাকা ১১:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অবরোধ ভাঙতে চাইলে ইরানের ‘অ্যাটাক শিপ’ ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে দেশ নতুন সাংবিধানিক সংকটে পড়বে:শিশির মনির সরকারের কাঁধে শেখ হাসিনার ভূত চেপেছে: মামুনুল হক খোলা চিঠিতে ‘বিদায়ের বার্তা’ দিলেন মানবাধিকার কমিশনের সব সদস্য পুলিশ কমিশন গঠনের পরিকল্পনা করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কারাগার থেকেই বার কাউন্সিল নির্বাচনে অংশ নিতে চান ব্যারিস্টার সুমন সংসদীয় সার্বভৌমত্বের নামে ‘সংসদীয় স্বৈরতন্ত্র’ কায়েম হচ্ছে: সারোয়ার তুষার টিকার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে আবেদন পহেলা বৈশাখ আমাদের আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক : প্রধানমন্ত্রী গণভোটের রায় মেনে নিন, না হলে করুণ পরিণতি হবে: গোলাম পরওয়ার

কারাগারে বাবুলের কক্ষে ওসির তল্লাশির অভিযোগ, ‘জীবনের নিরাপত্তা’ চেয়ে আবেদন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

চট্টগ্রামে আলোচিত মিতু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দি সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তার এবার তার জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেছেন। কারাকক্ষে ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) তল্লাশি চালানোর অভিযোগ দিয়ে বাবুল আক্তারের পক্ষে এই আবেদন করেন তার আইনজীবী।

চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ ড. জেবুননেছা বেগমের আদালতে সোমবার বাবুল আক্তারের পক্ষে এই আবেদন করেন তার আইনজীবী গোলাম মাওলা মুরাদ। কারাকক্ষে ওসির তল্লাশি চালানোর বিষয়টি তদন্ত করতে আদালতে আবেদন করা হয়েছে।

ওই আদালতের বেঞ্চ সহকারী মনির হোসেন জানিয়েছেন, সোমবার বাবুল আক্তারের পক্ষে আবেদনের পর সেটির শুনানি হয়েছে। আদালত আবেদনটি নথিতে রেখে ১৯ সেপ্টেম্বর শুনানির জন্য সময় নির্ধারণ করেছেন।

বাবুলের আইনজীবী গোলাম মাওলা দাবি করেন, পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদারসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলার আবেদনের পর থেকেই তারা মারমুখী আচরণ শুরু করেছেন। তাদের নির্দেশে গত শনিবার দুপুরে ফেনী মডেল থানার ওসি নিজাম উদ্দিন জেল কোডের তোয়াক্কা না করে কারাগারে বাবুল আক্তারের কক্ষে প্রবেশ করেন। তাকে মানসিক চাপে রাখতেই এমন কাজ করা হচ্ছে। কারাগারের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করলেই এর সত্যতা পাওয়া যাবে বলেও দাবি এই আইনজীবীর।

ফেনী মডেল থানার ওসি নিজাম উদ্দিন শনিবার কারাগারে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে বাবুল আক্তারের কক্ষে যাবার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। ওসি নিজাম উদ্দিন ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘একটি ডাকাতি মামলার আসামির সঙ্গে কথা বলতে কারাগারে যাই।’

ফেনী জেলা সুপার মো. আনোয়ারুল করীম বলেন, ‘কারাগারে ঢুকে বাবুল আক্তারের কক্ষে গিয়ে ওসির তল্লাশি চালানোর অভিযোগটি সত্য নয়। কারাগারে কারা-পুলিশ ছাড়া অন্যদের প্রবেশের কোনো নিয়ম নেই। পুলিশ নিয়মিত কারাগার থেকে আসামি নিয়ে যায় এবং দিয়ে যায়।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

অবরোধ ভাঙতে চাইলে ইরানের ‘অ্যাটাক শিপ’ ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের

কারাগারে বাবুলের কক্ষে ওসির তল্লাশির অভিযোগ, ‘জীবনের নিরাপত্তা’ চেয়ে আবেদন

আপডেট সময় ০৫:২১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

চট্টগ্রামে আলোচিত মিতু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দি সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তার এবার তার জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেছেন। কারাকক্ষে ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) তল্লাশি চালানোর অভিযোগ দিয়ে বাবুল আক্তারের পক্ষে এই আবেদন করেন তার আইনজীবী।

চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ ড. জেবুননেছা বেগমের আদালতে সোমবার বাবুল আক্তারের পক্ষে এই আবেদন করেন তার আইনজীবী গোলাম মাওলা মুরাদ। কারাকক্ষে ওসির তল্লাশি চালানোর বিষয়টি তদন্ত করতে আদালতে আবেদন করা হয়েছে।

ওই আদালতের বেঞ্চ সহকারী মনির হোসেন জানিয়েছেন, সোমবার বাবুল আক্তারের পক্ষে আবেদনের পর সেটির শুনানি হয়েছে। আদালত আবেদনটি নথিতে রেখে ১৯ সেপ্টেম্বর শুনানির জন্য সময় নির্ধারণ করেছেন।

বাবুলের আইনজীবী গোলাম মাওলা দাবি করেন, পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদারসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলার আবেদনের পর থেকেই তারা মারমুখী আচরণ শুরু করেছেন। তাদের নির্দেশে গত শনিবার দুপুরে ফেনী মডেল থানার ওসি নিজাম উদ্দিন জেল কোডের তোয়াক্কা না করে কারাগারে বাবুল আক্তারের কক্ষে প্রবেশ করেন। তাকে মানসিক চাপে রাখতেই এমন কাজ করা হচ্ছে। কারাগারের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করলেই এর সত্যতা পাওয়া যাবে বলেও দাবি এই আইনজীবীর।

ফেনী মডেল থানার ওসি নিজাম উদ্দিন শনিবার কারাগারে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে বাবুল আক্তারের কক্ষে যাবার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। ওসি নিজাম উদ্দিন ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘একটি ডাকাতি মামলার আসামির সঙ্গে কথা বলতে কারাগারে যাই।’

ফেনী জেলা সুপার মো. আনোয়ারুল করীম বলেন, ‘কারাগারে ঢুকে বাবুল আক্তারের কক্ষে গিয়ে ওসির তল্লাশি চালানোর অভিযোগটি সত্য নয়। কারাগারে কারা-পুলিশ ছাড়া অন্যদের প্রবেশের কোনো নিয়ম নেই। পুলিশ নিয়মিত কারাগার থেকে আসামি নিয়ে যায় এবং দিয়ে যায়।’