ঢাকা ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

কারাগারে বাবুলের কক্ষে ওসির তল্লাশির অভিযোগ, ‘জীবনের নিরাপত্তা’ চেয়ে আবেদন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

চট্টগ্রামে আলোচিত মিতু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দি সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তার এবার তার জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেছেন। কারাকক্ষে ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) তল্লাশি চালানোর অভিযোগ দিয়ে বাবুল আক্তারের পক্ষে এই আবেদন করেন তার আইনজীবী।

চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ ড. জেবুননেছা বেগমের আদালতে সোমবার বাবুল আক্তারের পক্ষে এই আবেদন করেন তার আইনজীবী গোলাম মাওলা মুরাদ। কারাকক্ষে ওসির তল্লাশি চালানোর বিষয়টি তদন্ত করতে আদালতে আবেদন করা হয়েছে।

ওই আদালতের বেঞ্চ সহকারী মনির হোসেন জানিয়েছেন, সোমবার বাবুল আক্তারের পক্ষে আবেদনের পর সেটির শুনানি হয়েছে। আদালত আবেদনটি নথিতে রেখে ১৯ সেপ্টেম্বর শুনানির জন্য সময় নির্ধারণ করেছেন।

বাবুলের আইনজীবী গোলাম মাওলা দাবি করেন, পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদারসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলার আবেদনের পর থেকেই তারা মারমুখী আচরণ শুরু করেছেন। তাদের নির্দেশে গত শনিবার দুপুরে ফেনী মডেল থানার ওসি নিজাম উদ্দিন জেল কোডের তোয়াক্কা না করে কারাগারে বাবুল আক্তারের কক্ষে প্রবেশ করেন। তাকে মানসিক চাপে রাখতেই এমন কাজ করা হচ্ছে। কারাগারের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করলেই এর সত্যতা পাওয়া যাবে বলেও দাবি এই আইনজীবীর।

ফেনী মডেল থানার ওসি নিজাম উদ্দিন শনিবার কারাগারে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে বাবুল আক্তারের কক্ষে যাবার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। ওসি নিজাম উদ্দিন ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘একটি ডাকাতি মামলার আসামির সঙ্গে কথা বলতে কারাগারে যাই।’

ফেনী জেলা সুপার মো. আনোয়ারুল করীম বলেন, ‘কারাগারে ঢুকে বাবুল আক্তারের কক্ষে গিয়ে ওসির তল্লাশি চালানোর অভিযোগটি সত্য নয়। কারাগারে কারা-পুলিশ ছাড়া অন্যদের প্রবেশের কোনো নিয়ম নেই। পুলিশ নিয়মিত কারাগার থেকে আসামি নিয়ে যায় এবং দিয়ে যায়।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

কারাগারে বাবুলের কক্ষে ওসির তল্লাশির অভিযোগ, ‘জীবনের নিরাপত্তা’ চেয়ে আবেদন

আপডেট সময় ০৫:২১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

চট্টগ্রামে আলোচিত মিতু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দি সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তার এবার তার জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেছেন। কারাকক্ষে ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) তল্লাশি চালানোর অভিযোগ দিয়ে বাবুল আক্তারের পক্ষে এই আবেদন করেন তার আইনজীবী।

চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ ড. জেবুননেছা বেগমের আদালতে সোমবার বাবুল আক্তারের পক্ষে এই আবেদন করেন তার আইনজীবী গোলাম মাওলা মুরাদ। কারাকক্ষে ওসির তল্লাশি চালানোর বিষয়টি তদন্ত করতে আদালতে আবেদন করা হয়েছে।

ওই আদালতের বেঞ্চ সহকারী মনির হোসেন জানিয়েছেন, সোমবার বাবুল আক্তারের পক্ষে আবেদনের পর সেটির শুনানি হয়েছে। আদালত আবেদনটি নথিতে রেখে ১৯ সেপ্টেম্বর শুনানির জন্য সময় নির্ধারণ করেছেন।

বাবুলের আইনজীবী গোলাম মাওলা দাবি করেন, পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদারসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলার আবেদনের পর থেকেই তারা মারমুখী আচরণ শুরু করেছেন। তাদের নির্দেশে গত শনিবার দুপুরে ফেনী মডেল থানার ওসি নিজাম উদ্দিন জেল কোডের তোয়াক্কা না করে কারাগারে বাবুল আক্তারের কক্ষে প্রবেশ করেন। তাকে মানসিক চাপে রাখতেই এমন কাজ করা হচ্ছে। কারাগারের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করলেই এর সত্যতা পাওয়া যাবে বলেও দাবি এই আইনজীবীর।

ফেনী মডেল থানার ওসি নিজাম উদ্দিন শনিবার কারাগারে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে বাবুল আক্তারের কক্ষে যাবার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। ওসি নিজাম উদ্দিন ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘একটি ডাকাতি মামলার আসামির সঙ্গে কথা বলতে কারাগারে যাই।’

ফেনী জেলা সুপার মো. আনোয়ারুল করীম বলেন, ‘কারাগারে ঢুকে বাবুল আক্তারের কক্ষে গিয়ে ওসির তল্লাশি চালানোর অভিযোগটি সত্য নয়। কারাগারে কারা-পুলিশ ছাড়া অন্যদের প্রবেশের কোনো নিয়ম নেই। পুলিশ নিয়মিত কারাগার থেকে আসামি নিয়ে যায় এবং দিয়ে যায়।’