ঢাকা ০৮:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ হাসনাত আব্দুল্লাহর আসনে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থককে ছুরিকাঘাতে হত্যা কৌশলের অজুহাতে বিএনপি কোনো গোপন বেশ ধারণ করেনি: তারেক রহমান

দশ বছর পর সেই লজ্জা

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
ম্যাচ শেষে অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম বললেন, তিনি মনে করতে পারছেন না, শেষ কবে বাংলাদেশ একশ রানের নিচে অলআউট হয়েছে টেস্টে।
মুশফিক একটু চেষ্টা করলে মনে করতে পারতেন। সেটা ছিল তার উইকেটরক্ষক হিসেবে বাংলাদেশ টেস্ট দলে যাত্রা শুরুর টেস্ট। সেই কলম্বো টেস্টে কিশোর মুশফিক দেখেছিলেন চোখের সামনে বাংলাদেশ দলকে ৬২ রানে অলআউট হয়ে যেতে। সেটা আজ থেকে দশ বছরেরও বেশি আগের ঘটনা।
তারপর থেকে টেস্ট ক্রিকেটে, দুনিয়ায় অনেক কিছু বদলে গেছে। সেই শ্রীলঙ্কা বাঘ থেকে এখন মাটিতে নেমে এসেছে। সেই বাংলাদেশ এখন নিয়মিত জিততে শিখেছে। পাশাপাশি সেই বাংলাদেশ অনেক ম্যাচও হেরেছে। কিন্তু এই দশ বছরে আর এই লজ্জার ঘটনা ঘটেনি। সেই ২০০৭ সালের পর আর কখনো একশ রানের নিচে অলআউট হয়নি বাংলাদেশ।
অবশেষে সেই লজ্জাটা ফিরে এলো পচেফস্ট্রমে। একটা সময় একশ রানের নিচে বাংলাদেশের অলআউট হওয়াটা ছিল নিয়মিত ঘটনা। অভিষেক টেস্টেই ভারতের বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে ৯১ রানে অলআউট হয়ে এই তালিকাটা শুরু করেছিল বাংলাদেশ। সেই থেকে টানা চার বছর, প্রতি বছরই কমপক্ষে একবার এই ঘটনার স্বীকার হয়েছে টেস্ট ক্রিকেটের নবীন এই দলটি।
২০০১ সালে শ্রীলঙ্কা, ২০০২ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বাংলাদেশকে অলআউট করে ৯০ ও ৮৭ রানে। ২০০৩ সালটা ছিল বাংলাদেশের জন্য কঠিন একটা বছর। এই বছর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ডারউইনে এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে পেশোয়ারে একশ রানের নিচে অলআউট হওয়ার অভিজ্ঞতা হয় বাংলাদেশের। এরপর বাংলাদেশের টানা তিনটি এই তেতো অভিজ্ঞতা হয় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে; কলম্বোতে। ২০০৫ সালে একবার এবং ২০০৭ সালে দুইবার এই অভিজ্ঞতা হয়েছে শ্রীলঙ্কাতে।
২০০৭ সালে পরপর দুই টেস্টে ৮৯ ও ৬২ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। এর মধ্যে কলম্বোর ওই দ্বিতীয় টেস্টটাই ছিল সর্বশেষ ঘটনা। তারপর থেকে ক্যালেন্ডারের পাতায় পার হয়ে গেছে ১০টি বছর। আর টেস্টের হিসেবে বাংলাদেশ খেলে ফেলেছে ৫৫টি টেস্ট। কিন্তু এর মধ্যে আর এই লজ্জায় পুড়তে হয়নি বাংলাদেশকে। এর মধ্যে বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের ক্রিকেটাররা এসেছেন। বর্তমান এই দলে মুশফিকুর রহিম ছাড়া আর কারো প্রত্যক্ষ এই অভিজ্ঞতাও নেই।
অবশেষে গতকাল সেই অভিজ্ঞতাটাও হলো। নতুন এক লজ্জা পেলেন ক্রিকেটাররা।
শত রানের নিচে বাংলাদেশ
স্কোর         ওভার          প্রতিপক্ষ           ভেন্যু                 সাল
৯১            ৪৬.৩          ভারত              ঢাকা                 ২০০০
৯০            ৩৬.৪          শ্রীলঙ্কা             কলম্বো              ২০০১
৮৭            ৩১.৫          উইন্ডিজ            ঢাকা                 ২০০২
৯৭            ৪২.২           অস্ট্রেলিয়া         ডারউইন            ২০০৩
৯৬            ৩৩.৫          পাকিস্তান          পেশোয়ার          ২০০৩
৮৬            ২৭.৪           শ্রীলঙ্কা             কলম্বো              ২০০৫
৮৯            ৩২.৩          শ্রীলঙ্কা             কলম্বো              ২০০৭
৬২            ২৫.২           শ্রীলঙ্কা             কলম্বো              ২০০৭
৯০            ৩২.৪          দ. আফ্রিকা       পচেফস্ট্রম           ২০১৭
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সালমানের পর বিষ্ণোই গ্যাংয়ের টার্গেটে আরেক জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী

দশ বছর পর সেই লজ্জা

আপডেট সময় ১১:৫৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০১৭
আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
ম্যাচ শেষে অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম বললেন, তিনি মনে করতে পারছেন না, শেষ কবে বাংলাদেশ একশ রানের নিচে অলআউট হয়েছে টেস্টে।
মুশফিক একটু চেষ্টা করলে মনে করতে পারতেন। সেটা ছিল তার উইকেটরক্ষক হিসেবে বাংলাদেশ টেস্ট দলে যাত্রা শুরুর টেস্ট। সেই কলম্বো টেস্টে কিশোর মুশফিক দেখেছিলেন চোখের সামনে বাংলাদেশ দলকে ৬২ রানে অলআউট হয়ে যেতে। সেটা আজ থেকে দশ বছরেরও বেশি আগের ঘটনা।
তারপর থেকে টেস্ট ক্রিকেটে, দুনিয়ায় অনেক কিছু বদলে গেছে। সেই শ্রীলঙ্কা বাঘ থেকে এখন মাটিতে নেমে এসেছে। সেই বাংলাদেশ এখন নিয়মিত জিততে শিখেছে। পাশাপাশি সেই বাংলাদেশ অনেক ম্যাচও হেরেছে। কিন্তু এই দশ বছরে আর এই লজ্জার ঘটনা ঘটেনি। সেই ২০০৭ সালের পর আর কখনো একশ রানের নিচে অলআউট হয়নি বাংলাদেশ।
অবশেষে সেই লজ্জাটা ফিরে এলো পচেফস্ট্রমে। একটা সময় একশ রানের নিচে বাংলাদেশের অলআউট হওয়াটা ছিল নিয়মিত ঘটনা। অভিষেক টেস্টেই ভারতের বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে ৯১ রানে অলআউট হয়ে এই তালিকাটা শুরু করেছিল বাংলাদেশ। সেই থেকে টানা চার বছর, প্রতি বছরই কমপক্ষে একবার এই ঘটনার স্বীকার হয়েছে টেস্ট ক্রিকেটের নবীন এই দলটি।
২০০১ সালে শ্রীলঙ্কা, ২০০২ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বাংলাদেশকে অলআউট করে ৯০ ও ৮৭ রানে। ২০০৩ সালটা ছিল বাংলাদেশের জন্য কঠিন একটা বছর। এই বছর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ডারউইনে এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে পেশোয়ারে একশ রানের নিচে অলআউট হওয়ার অভিজ্ঞতা হয় বাংলাদেশের। এরপর বাংলাদেশের টানা তিনটি এই তেতো অভিজ্ঞতা হয় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে; কলম্বোতে। ২০০৫ সালে একবার এবং ২০০৭ সালে দুইবার এই অভিজ্ঞতা হয়েছে শ্রীলঙ্কাতে।
২০০৭ সালে পরপর দুই টেস্টে ৮৯ ও ৬২ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। এর মধ্যে কলম্বোর ওই দ্বিতীয় টেস্টটাই ছিল সর্বশেষ ঘটনা। তারপর থেকে ক্যালেন্ডারের পাতায় পার হয়ে গেছে ১০টি বছর। আর টেস্টের হিসেবে বাংলাদেশ খেলে ফেলেছে ৫৫টি টেস্ট। কিন্তু এর মধ্যে আর এই লজ্জায় পুড়তে হয়নি বাংলাদেশকে। এর মধ্যে বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের ক্রিকেটাররা এসেছেন। বর্তমান এই দলে মুশফিকুর রহিম ছাড়া আর কারো প্রত্যক্ষ এই অভিজ্ঞতাও নেই।
অবশেষে গতকাল সেই অভিজ্ঞতাটাও হলো। নতুন এক লজ্জা পেলেন ক্রিকেটাররা।
শত রানের নিচে বাংলাদেশ
স্কোর         ওভার          প্রতিপক্ষ           ভেন্যু                 সাল
৯১            ৪৬.৩          ভারত              ঢাকা                 ২০০০
৯০            ৩৬.৪          শ্রীলঙ্কা             কলম্বো              ২০০১
৮৭            ৩১.৫          উইন্ডিজ            ঢাকা                 ২০০২
৯৭            ৪২.২           অস্ট্রেলিয়া         ডারউইন            ২০০৩
৯৬            ৩৩.৫          পাকিস্তান          পেশোয়ার          ২০০৩
৮৬            ২৭.৪           শ্রীলঙ্কা             কলম্বো              ২০০৫
৮৯            ৩২.৩          শ্রীলঙ্কা             কলম্বো              ২০০৭
৬২            ২৫.২           শ্রীলঙ্কা             কলম্বো              ২০০৭
৯০            ৩২.৪          দ. আফ্রিকা       পচেফস্ট্রম           ২০১৭