ঢাকা ১১:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ হাসনাত আব্দুল্লাহর আসনে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থককে ছুরিকাঘাতে হত্যা কৌশলের অজুহাতে বিএনপি কোনো গোপন বেশ ধারণ করেনি: তারেক রহমান

মোসাদ্দেকের টর্নেডো ইনিংস, ফের ব্যর্থ রিয়াদ

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

এশিয়া কাপ ঘিরে বাংলাদেশের প্রস্তুতি চোখে পড়ার মতো। নতুন টেকনিক্যাল পরামর্শক এসেছেন, নেতৃত্বও নতুন করে পেয়েছেন সাকিব আল হাসান।

নিজেদের অবস্থান বুঝতে আয়োজন করা হয়েছে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচের।

রোববার প্রথম ম্যাচে সবুজ দল জয় পায়। ওই দিন ‘পাওয়ার হিটিংয়ের’ নমুনা খুব বেশি দেখা যায়নি। আজ (২২ আগস্ট) শেষ দিন বৃষ্টির কারণে অমীমাংসিত থেকেছে লাল ও সবুজ দলের ম্যাচ। এর আগেই ঝড় তুলেছেন লাল দলের ব্যাটাররা। রান পেয়েছেন ক্রিজে আসা প্রায় সব ব্যাটারই।

টস জিতে আগে ব্যাট করে সাকিব আল হাসানের লাল দল ৪ উইকেটে তোলে ২১৯ রান। ফিফটি হাঁকান আফিফ হোসেন। মেহেদী হাসান মিরাজ ৪৬ ও সাকিব আল হাসান করেছেন ৩০ রান। তবে শেষ দিকে রীতিমতো ঝড় তোলেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। আরও একবার দ্রুত রান তুলতে ব্যর্থ হয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। আগের দিন দুবার করে নামার সুযোগ নিলেও আজ কোনো ব্যাটার দ্বিতীয়বার ব্যাটিং করেননি।

লাল দলের হয় উদ্বোধনী জুটিতে নামেন এনামুল হক বিজয় ও মেহেদী হাসান মিরাজ। ১৭ রান যোগ করার পর ভেঙে যায় এই জুটি। ১০ বলে ১৩ রান করে বিজয় ফিরেছেন এবাদতের বলে শরিফুলের হাতে ক্যাচ দিয়ে। তবে তিন নম্বরে নামা সাকিবকে নিয়ে ৩০ বলে ৬০ রান যোগ করেন মিরাজ। ১৯ বলে ৫ চার ১ ছক্কায় ৩০ রান করে সাকিব বোল্ড হন শেখ মেহেদীর বলে।

পরে আফিফের সঙ্গে ৬৫ রানের জুটি গড়েন মিরাজ। নাসুমের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ৩৪ বলে সমান তিনটি করে চার ছক্কায় ৪৬ রান করেন তিনি।
মিরাজ ফিফটি মিস করলেও আফিফ ছুঁয়েছেন হাফ সেঞ্চুরি। ৮ বলে ৫ চার ৩ ছক্কায় ৫০ রানেই থামেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।

শেষদিকে ঝড় তুলেছেন মোসাদ্দেক। ১৩ বলে ৪ চার ৩ ছক্কায় তিনি অপরাজিত থাকেন ৪৮ রানে। ১২ বলে ১৩ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। বাকি ব্যাটারদের ঝড়ের দিনও নিষ্প্রভ ছিলেন তিনি। সবুজ দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নাসুম আহমেদের।

জবাবে ২ ওভার ৪ বল ব্যাট করে বিনা উইকেটে ২১ রানের বেশি করতে পারেনি সবুজ দল। বৃষ্টিতে ভেসে যায় ম্যাচের বাকি অংশ। দুই ওপেনার মাহফিজুল ইসলাম রবিন (১০*) ও পারভেজ হোসেন ইমন (৯*) ২১ রানে অবিচ্ছেদ্য থাকেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সালমানের পর বিষ্ণোই গ্যাংয়ের টার্গেটে আরেক জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী

মোসাদ্দেকের টর্নেডো ইনিংস, ফের ব্যর্থ রিয়াদ

আপডেট সময় ০৮:০৩:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ অগাস্ট ২০২২

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

এশিয়া কাপ ঘিরে বাংলাদেশের প্রস্তুতি চোখে পড়ার মতো। নতুন টেকনিক্যাল পরামর্শক এসেছেন, নেতৃত্বও নতুন করে পেয়েছেন সাকিব আল হাসান।

নিজেদের অবস্থান বুঝতে আয়োজন করা হয়েছে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচের।

রোববার প্রথম ম্যাচে সবুজ দল জয় পায়। ওই দিন ‘পাওয়ার হিটিংয়ের’ নমুনা খুব বেশি দেখা যায়নি। আজ (২২ আগস্ট) শেষ দিন বৃষ্টির কারণে অমীমাংসিত থেকেছে লাল ও সবুজ দলের ম্যাচ। এর আগেই ঝড় তুলেছেন লাল দলের ব্যাটাররা। রান পেয়েছেন ক্রিজে আসা প্রায় সব ব্যাটারই।

টস জিতে আগে ব্যাট করে সাকিব আল হাসানের লাল দল ৪ উইকেটে তোলে ২১৯ রান। ফিফটি হাঁকান আফিফ হোসেন। মেহেদী হাসান মিরাজ ৪৬ ও সাকিব আল হাসান করেছেন ৩০ রান। তবে শেষ দিকে রীতিমতো ঝড় তোলেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। আরও একবার দ্রুত রান তুলতে ব্যর্থ হয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। আগের দিন দুবার করে নামার সুযোগ নিলেও আজ কোনো ব্যাটার দ্বিতীয়বার ব্যাটিং করেননি।

লাল দলের হয় উদ্বোধনী জুটিতে নামেন এনামুল হক বিজয় ও মেহেদী হাসান মিরাজ। ১৭ রান যোগ করার পর ভেঙে যায় এই জুটি। ১০ বলে ১৩ রান করে বিজয় ফিরেছেন এবাদতের বলে শরিফুলের হাতে ক্যাচ দিয়ে। তবে তিন নম্বরে নামা সাকিবকে নিয়ে ৩০ বলে ৬০ রান যোগ করেন মিরাজ। ১৯ বলে ৫ চার ১ ছক্কায় ৩০ রান করে সাকিব বোল্ড হন শেখ মেহেদীর বলে।

পরে আফিফের সঙ্গে ৬৫ রানের জুটি গড়েন মিরাজ। নাসুমের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ৩৪ বলে সমান তিনটি করে চার ছক্কায় ৪৬ রান করেন তিনি।
মিরাজ ফিফটি মিস করলেও আফিফ ছুঁয়েছেন হাফ সেঞ্চুরি। ৮ বলে ৫ চার ৩ ছক্কায় ৫০ রানেই থামেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।

শেষদিকে ঝড় তুলেছেন মোসাদ্দেক। ১৩ বলে ৪ চার ৩ ছক্কায় তিনি অপরাজিত থাকেন ৪৮ রানে। ১২ বলে ১৩ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। বাকি ব্যাটারদের ঝড়ের দিনও নিষ্প্রভ ছিলেন তিনি। সবুজ দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নাসুম আহমেদের।

জবাবে ২ ওভার ৪ বল ব্যাট করে বিনা উইকেটে ২১ রানের বেশি করতে পারেনি সবুজ দল। বৃষ্টিতে ভেসে যায় ম্যাচের বাকি অংশ। দুই ওপেনার মাহফিজুল ইসলাম রবিন (১০*) ও পারভেজ হোসেন ইমন (৯*) ২১ রানে অবিচ্ছেদ্য থাকেন।