ঢাকা ০৩:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণ মামলা , আদালতের বারান্দায় বিয়ে আসামি-বাদীর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

চট্টগ্রামে বিয়ের বিনিময়ে জামিন পেলেন ধর্ষণ মামলার আসামি। বুধবার চট্টগ্রাম আদালতের বারান্দায় এই বিয়ে হয়। বিয়ে নিবন্ধনের পর আসামির জামিন মঞ্জুর করেন চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আজিজ আহমেদ ভুঞা।

চট্টগ্রাম জেলা পিপি শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আসামি সাগরের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেছিলেন বাদী। এরপর আদালতে উপস্থিত হয়ে বাদী জানান, সাগরের সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল। প্রেমের সম্পর্কের কারণে একসঙ্গে ছিলেন তারা। কিন্তু সাগর কাবিন করেননি। এরপর ধর্ষণ মামলা হওয়ার পর আসামি আদালতে জানান, ওই নারীকে বিয়ে করবেন, তাদের দেড় বছরের একটি সন্তান আছে। তার তো বাবার পরিচয় লাগবে। সে কারণে আদালতকে অনুরোধ করলাম, যেহেতু আসামি ও বাদী বিয়ে করতে চাচ্ছেন, তাদের বিয়ে করার অনুমতি দেওয়া হোক। কাবিন ও ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক কার্যাদি সম্পন্ন হওয়ার পরে জামিনের বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য। সেই মোতাবেক বিয়ের ও জামিন শুনানির দিন ধার্য ছিল।’

পিপি ইফতেখার সাইমুল আরও বলেন, ‘৮ আগস্ট আসামির হাজিরার তারিখ ছিল। কিন্তু বৃষ্টির কারণে ছেলেপক্ষের লোকজন আসতে না পারায় সেদিন বিয়ে হতে পারেনি। বুধবার শুনানি শুরুর আগে আদালতের বারান্দায় সাড়ে চার লাখ টাকা দেনমোহরে তাঁদের বিয়ে হয়। বিয়েতে দুই পক্ষের কয়েকজন করে উপস্থিত ছিলেন।’

বিয়ে শেষে আদালত আসামির জামিন মঞ্জুর করেন। এরপর তাকে আবার কারাগারে নেওয়া হয়। জামিনের কাগজপত্র পৌঁছালে কারাগার থেকে ছাড়া পাবেন সাগর।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ধর্ষণ মামলা , আদালতের বারান্দায় বিয়ে আসামি-বাদীর

আপডেট সময় ১২:৩৫:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

চট্টগ্রামে বিয়ের বিনিময়ে জামিন পেলেন ধর্ষণ মামলার আসামি। বুধবার চট্টগ্রাম আদালতের বারান্দায় এই বিয়ে হয়। বিয়ে নিবন্ধনের পর আসামির জামিন মঞ্জুর করেন চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আজিজ আহমেদ ভুঞা।

চট্টগ্রাম জেলা পিপি শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আসামি সাগরের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেছিলেন বাদী। এরপর আদালতে উপস্থিত হয়ে বাদী জানান, সাগরের সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল। প্রেমের সম্পর্কের কারণে একসঙ্গে ছিলেন তারা। কিন্তু সাগর কাবিন করেননি। এরপর ধর্ষণ মামলা হওয়ার পর আসামি আদালতে জানান, ওই নারীকে বিয়ে করবেন, তাদের দেড় বছরের একটি সন্তান আছে। তার তো বাবার পরিচয় লাগবে। সে কারণে আদালতকে অনুরোধ করলাম, যেহেতু আসামি ও বাদী বিয়ে করতে চাচ্ছেন, তাদের বিয়ে করার অনুমতি দেওয়া হোক। কাবিন ও ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক কার্যাদি সম্পন্ন হওয়ার পরে জামিনের বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য। সেই মোতাবেক বিয়ের ও জামিন শুনানির দিন ধার্য ছিল।’

পিপি ইফতেখার সাইমুল আরও বলেন, ‘৮ আগস্ট আসামির হাজিরার তারিখ ছিল। কিন্তু বৃষ্টির কারণে ছেলেপক্ষের লোকজন আসতে না পারায় সেদিন বিয়ে হতে পারেনি। বুধবার শুনানি শুরুর আগে আদালতের বারান্দায় সাড়ে চার লাখ টাকা দেনমোহরে তাঁদের বিয়ে হয়। বিয়েতে দুই পক্ষের কয়েকজন করে উপস্থিত ছিলেন।’

বিয়ে শেষে আদালত আসামির জামিন মঞ্জুর করেন। এরপর তাকে আবার কারাগারে নেওয়া হয়। জামিনের কাগজপত্র পৌঁছালে কারাগার থেকে ছাড়া পাবেন সাগর।