ঢাকা ০১:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্ত হত্যাকে বৈধতা দিয়েছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির বর্ষপূতি: শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগোতে হবে: ডা. জুবাইদা লুটপাটের জন্য ছাত্রজনতা রক্ত দেয়নি: হাসনাত আবদুল্লাহ যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আঘাত না হানলে আজ ইসরাইলের অস্তিত্ব থাকত না: ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজধানীতে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা গণতন্ত্র না থাকায় অনেক এলাকার সমস্যা গুরুত্ব পায়নি: ডেপুটি স্পিকার ছাত্র-জনতার অধিকার রক্ষায় দলীয় প্রভাবমুক্ত রাষ্ট্রকাঠামো গড়ার বিকল্প নেই:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী স্কুলমুখী করতে সাড়ে তিন লাখ শিশুকে স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

বার্সেলোনার স্বাধীনতা প্রশ্নে গণভোট ঘিরে উত্তেজনা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

স্পেনের বার্সেলোনাসহ কাতালান জাতিগোষ্ঠীর অঞ্চল নিয়ে স্বাধীন দেশ গঠনের প্রশ্নে অনুষ্ঠেয় গণভোট ঘিরে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। শনিবার গণভোটের নির্বাচনী কেন্দ্রগুলোর অধিকাংশই দখল করেছে স্পেনের কেন্দ্রীয় সরকারের পুলিশ বাহিনী। স্পেন সরকার এ গণভোটকে ‘অবৈধ’ ঘোষণা করে তা প্রতিহতের হুমকি দেয়।

রাজধানী মাদ্রিদ থেকে সরকারের নির্দেশে কাতালোনিয়া অঞ্চলের স্কুলগুলোতে স্থাপিত ২ হাজার ৩১৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১ হাজার ৩০০টি সিল করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় প্রশাসন। রোববার গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

গণভোটের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পর সরকারি বাহিনী ভোটকেন্দ্র দখল করায় পরিস্থিতি সহিংতার দিকে মোড় নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শনিবার কেন্দ্রীয় প্রশাসন আঞ্চলিক টেলিকমিউনিকেশন ভবন দখলে নিয়েছে।

সম্পদ ও সংস্কৃতিতে স্পেনের সমৃদ্ধ অঞ্চল কাতালোনিয়া। প্রায় ৭৫ লাখ মানুষের এ অঞ্চল স্পেনের উন্নয়নে অবদান রেখে চলেছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কাতালানরা স্বাধীনতার পক্ষে আন্দোলন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় রোববার গণভোটের ডাক দেয় তারা। গণভোটের পক্ষে বিপুল সমর্থন রয়েছে।

কাতালোনিয়া অঞ্চল উচ্চমাত্রায় স্বায়ত্তশাসন ভোগ করে থাকে। কিন্তু তাদের স্বাধীনতার পথে সাংবিধানিক বাধা রয়েছে। এই বাধা দূর করতেই গণভোটের আয়োজন। তবে দেশটির সাংবিধানিক আদালত গণভোটকে অবৈধ ঘোষণা করেছে।

কাতালানরা গণভোট দেওয়ার প্রস্তুতি নিলেও তা বন্ধ করতে কয়েক হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত স্কুলগুলোতে স্বাধীনতাকামী কর্মীরা অবস্থান নেওয়ার পর পুলিশ তাদের তাড়িয়ে দিচ্ছে। তবে বিভিন্ন কেন্দ্রে স্বাধীনতাকমী পরিবারগুলো অবস্থান নিচ্ছে। তাদের সঙ্গে শিশুরাও আছে। রয়টার্সের খবর মতে, প্রায় ১৬৩টি স্কুল পরিবারগুলোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

সরকারি বাধার মুখে গণভোট বন্ধ করার কোনো ঘোষণা এখনো আসেনি। কাতালান নেতা চার্লস পুইগডেমন্ট বলেছেন, গণভোট হবেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী

বার্সেলোনার স্বাধীনতা প্রশ্নে গণভোট ঘিরে উত্তেজনা

আপডেট সময় ১২:০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

স্পেনের বার্সেলোনাসহ কাতালান জাতিগোষ্ঠীর অঞ্চল নিয়ে স্বাধীন দেশ গঠনের প্রশ্নে অনুষ্ঠেয় গণভোট ঘিরে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। শনিবার গণভোটের নির্বাচনী কেন্দ্রগুলোর অধিকাংশই দখল করেছে স্পেনের কেন্দ্রীয় সরকারের পুলিশ বাহিনী। স্পেন সরকার এ গণভোটকে ‘অবৈধ’ ঘোষণা করে তা প্রতিহতের হুমকি দেয়।

রাজধানী মাদ্রিদ থেকে সরকারের নির্দেশে কাতালোনিয়া অঞ্চলের স্কুলগুলোতে স্থাপিত ২ হাজার ৩১৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১ হাজার ৩০০টি সিল করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় প্রশাসন। রোববার গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

গণভোটের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পর সরকারি বাহিনী ভোটকেন্দ্র দখল করায় পরিস্থিতি সহিংতার দিকে মোড় নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শনিবার কেন্দ্রীয় প্রশাসন আঞ্চলিক টেলিকমিউনিকেশন ভবন দখলে নিয়েছে।

সম্পদ ও সংস্কৃতিতে স্পেনের সমৃদ্ধ অঞ্চল কাতালোনিয়া। প্রায় ৭৫ লাখ মানুষের এ অঞ্চল স্পেনের উন্নয়নে অবদান রেখে চলেছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কাতালানরা স্বাধীনতার পক্ষে আন্দোলন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় রোববার গণভোটের ডাক দেয় তারা। গণভোটের পক্ষে বিপুল সমর্থন রয়েছে।

কাতালোনিয়া অঞ্চল উচ্চমাত্রায় স্বায়ত্তশাসন ভোগ করে থাকে। কিন্তু তাদের স্বাধীনতার পথে সাংবিধানিক বাধা রয়েছে। এই বাধা দূর করতেই গণভোটের আয়োজন। তবে দেশটির সাংবিধানিক আদালত গণভোটকে অবৈধ ঘোষণা করেছে।

কাতালানরা গণভোট দেওয়ার প্রস্তুতি নিলেও তা বন্ধ করতে কয়েক হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত স্কুলগুলোতে স্বাধীনতাকামী কর্মীরা অবস্থান নেওয়ার পর পুলিশ তাদের তাড়িয়ে দিচ্ছে। তবে বিভিন্ন কেন্দ্রে স্বাধীনতাকমী পরিবারগুলো অবস্থান নিচ্ছে। তাদের সঙ্গে শিশুরাও আছে। রয়টার্সের খবর মতে, প্রায় ১৬৩টি স্কুল পরিবারগুলোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

সরকারি বাধার মুখে গণভোট বন্ধ করার কোনো ঘোষণা এখনো আসেনি। কাতালান নেতা চার্লস পুইগডেমন্ট বলেছেন, গণভোট হবেই।