ঢাকা ১০:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ‘জনমুখী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চিকিৎসকদের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন’:মির্জা ফখরুল লন্ডনে প্রকাশ্যে ডাব খাওয়ার সময় তোপের মুখে সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে: সার্জিও গর কু‌ড়িগ্রা‌মে এন‌সি‌পির মি‌ছি‌লে হামলা, আহত ১০ আলিফের চোখ ফেরত দিন, আমরা চুপ হয়ে যাব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রামপুরায় চলন্ত বাসে উঠতে গিয়ে যাত্রীর মৃত্যু জামালপুরে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ ফাঁসি দিয়ে দেন, মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত আছি- ট্রাইব্যুনালে বললেন লতিফ সিদ্দিকী ৬০ লাখ টাকায়ও মেলেনি মুক্তি, আরও ২৭ লাখ দিতে দেরি হওয়ায় হত্যা

জাতিসংঘের প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া রাষ্ট্রকে বিপদে ফেলবে: আ স ম রব

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বাংলাদেশে গুম খুন তথ্য এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আচরণ সম্পর্কে অবস্থান জানতে জাতিসংঘের প্রশ্নের জবাব না দিয়ে সরকার দুর্বৃত্ত রাষ্ট্রের নজির স্থাপন করছে বলে মন্তব্য করেছেন জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব। তিনি বলেছেন, ‘জাতিসংঘের প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া রাষ্ট্রকে বিপদে ফেলবে।’

মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিবৃতিতে আবদুর রব বলেন, ‘২০২১ সালের ১ মে থেকে ২০২২ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশের সংঘটিত মানবাধিকার প্রশ্নে সরকারের অবস্থান জানতে চেয়ে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনকে চিঠি দিয়েছিল জাতিসংঘ এবং জবাবের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল ১৫ জুলাই। অন্যথায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে আগামী সেপ্টেম্বরে মহাসচিব যে বার্ষিক প্রতিবেদন দিচ্ছেন তাতে বাংলাদেশ সরকারের ভাষ্য অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হবে না।কিন্তু বাংলাদেশ সরকার সময় পেরিয়ে গেলেও জাতিসংঘের প্রশ্নগুলোর উত্তর যথাসময়ে দেয়নি।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে ৭৬টি গুমের ঘটনার হালনাগাদ তথ্য, ভিকটিমদের বাড়িতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উপস্থিতি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জোরপূর্বক গুমের শিকার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়া বন্ধ করতে আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।কিন্তু বাংলাদেশ সরকারের কাছে ৭৬টি ঘটনার অনেকেরই রেকর্ড নেই বলে উল্লেখ করা, একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্য বড় ব্যর্থতা। নাগরিক গুম হবে, হত্যাকাণ্ডের শিকার হবে অথচ সরকারের কাছে কোনো তথ্য থাকবে না- এটা রাষ্ট্রের দেউলিয়াত্ব প্রকাশ করে। মানবাধিকার লঙ্ঘনে সাতজন ব্যক্তি ও র‌্যাবের নামে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পরও সরকার কোনো সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করছে না, যা খুবই আত্মঘাতী।’

বিবৃতিতে আবদুর রব বলেন, ‘গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন, নানা প্রকারের ভয়ভীতি এবং জনগণের কণ্ঠকে শক্তি প্রয়োগে স্তব্ধ করে দেওয়ার সরকারের অনৈতিক অবস্থান জাতিসংঘসহ বিশ্ব রাজনীতিতে বাংলাদেশের জন্য একটি কঠিন ভয়ঙ্কর পরিণতি অপেক্ষা করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের নিরাপত্তা ও অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও গণতন্ত্র হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করার গণবিরোধী অবস্থান থেকে সরকারকে অবশ্যই সরে আসতে হবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

জাতিসংঘের প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া রাষ্ট্রকে বিপদে ফেলবে: আ স ম রব

আপডেট সময় ০৯:৫৪:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বাংলাদেশে গুম খুন তথ্য এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আচরণ সম্পর্কে অবস্থান জানতে জাতিসংঘের প্রশ্নের জবাব না দিয়ে সরকার দুর্বৃত্ত রাষ্ট্রের নজির স্থাপন করছে বলে মন্তব্য করেছেন জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব। তিনি বলেছেন, ‘জাতিসংঘের প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া রাষ্ট্রকে বিপদে ফেলবে।’

মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিবৃতিতে আবদুর রব বলেন, ‘২০২১ সালের ১ মে থেকে ২০২২ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশের সংঘটিত মানবাধিকার প্রশ্নে সরকারের অবস্থান জানতে চেয়ে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনকে চিঠি দিয়েছিল জাতিসংঘ এবং জবাবের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল ১৫ জুলাই। অন্যথায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে আগামী সেপ্টেম্বরে মহাসচিব যে বার্ষিক প্রতিবেদন দিচ্ছেন তাতে বাংলাদেশ সরকারের ভাষ্য অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হবে না।কিন্তু বাংলাদেশ সরকার সময় পেরিয়ে গেলেও জাতিসংঘের প্রশ্নগুলোর উত্তর যথাসময়ে দেয়নি।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে ৭৬টি গুমের ঘটনার হালনাগাদ তথ্য, ভিকটিমদের বাড়িতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উপস্থিতি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জোরপূর্বক গুমের শিকার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়া বন্ধ করতে আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।কিন্তু বাংলাদেশ সরকারের কাছে ৭৬টি ঘটনার অনেকেরই রেকর্ড নেই বলে উল্লেখ করা, একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্য বড় ব্যর্থতা। নাগরিক গুম হবে, হত্যাকাণ্ডের শিকার হবে অথচ সরকারের কাছে কোনো তথ্য থাকবে না- এটা রাষ্ট্রের দেউলিয়াত্ব প্রকাশ করে। মানবাধিকার লঙ্ঘনে সাতজন ব্যক্তি ও র‌্যাবের নামে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পরও সরকার কোনো সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করছে না, যা খুবই আত্মঘাতী।’

বিবৃতিতে আবদুর রব বলেন, ‘গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন, নানা প্রকারের ভয়ভীতি এবং জনগণের কণ্ঠকে শক্তি প্রয়োগে স্তব্ধ করে দেওয়ার সরকারের অনৈতিক অবস্থান জাতিসংঘসহ বিশ্ব রাজনীতিতে বাংলাদেশের জন্য একটি কঠিন ভয়ঙ্কর পরিণতি অপেক্ষা করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের নিরাপত্তা ও অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও গণতন্ত্র হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করার গণবিরোধী অবস্থান থেকে সরকারকে অবশ্যই সরে আসতে হবে।’