ঢাকা ০৩:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

টাইগারদের বাজে ব্যাটিং, পাকিস্তানকে সহজ টার্গেট

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

পাকিস্তানের দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে চাপে পড়া টাইগাররা ১০৮ রান করতে সক্ষম হলো। ২০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ দল ১০৯ রানের টার্গেট দিল পাকিস্তানকে।

তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয়টিতেও ব্যাটিং ব্যর্থতা। ২ ওপেনার যথারীতি ব্যর্থ। মাঝে আফিফ হোসেন ও নাজমুল হোসেন শান্ত একটু আশার আলো দেখান। এই দুজন আউট হলে আর রানটা এগোলোই না বাংলাদেশের। প্রথম ম্যাচের চেয়েও কম রানের সংগ্রহ বাংলাদেশের।

আজ শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ইনিংসের পঞ্চম বলে শাহিন আফ্রিদির ডেলিভারিতে শূন্য রানে এলবিডব্লিউ হন সাইফ হাসান।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪০ রান আসে শান্তর ব্যাট থেকে। ২০ রান করেন আফিফ হোসেন। দ্বিতীয় ম্যাচে

প্রথম দুই ওভারে দুই ওপেনারকে হারায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে মোহাম্মদ ওয়াসিমকে মারতে যেয়ে স্লিপে ক্যাচ দেন নাঈম শেখ। তার ব্যাট থেকে আসে ২ রান। তখন বাংলাদেশের সংগ্রহ হয় ২ উইকেটে ৫ রান।

ম্যাচের তৃতীয় ওভারে শাহিন আফ্রিদির থ্রোয়ে পায়ে আঘাত পান আফিফ হোসেন। দ্রুত দুই ওপেনারকে হারানোর পর আফিফ হোসেন ও নাজমুল শান্তর ব্যাটে পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছিল বাংলাদেশ। তবে পাওয়ার প্লে শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ হয় ২ উইকেটে ৩৬ রান।

পাওয়ার প্লের পর নবম ওভারে ছন্দপতন হয় বাংলাদেশের। ভরসার সঙ্গে খেলতে থাকা আফিফ হোসেন শাদাব খানের বলে রিভার্স শট খেলতে যেয়ে উইকেট কিপারের হাতে ধরা পড়েন। ২০ রান আসে তার ব্যাট থেকে। তখন বাংলাদেশের সংগ্রহ হয় ৩ উইকেটে ৫১ রান।

১০ ওভারের খেলা শেষে স্বস্তিতে ছিল না বাংলাদেশের। ৩ উইকেট হারিয়ে ছয়ের কিছুটা বেশি রানরেট ধরে রেখেছিল স্বাগতিক দল। তখন তাদের সংগ্রহ হয় ৩ উইকেটে ৬৪ রান।

১৩তম ওভারে আউট হন মাহমুদুল্লাহ। ১২ রান করা বাংলাদেশ অধিনায়ককে কট বাহাইন্ডে ফিরান হারিস রাউফ। ১৩ ওভার শেষে স্বাগতিক দলের সংগ্রহ হয় ৪ উইকেটে ৮১ রান।

অনেকক্ষণ উইকেটে থাকার পরও ইনিংস বড় করতে পারেননি নাজমুল শান্ত। শাদাব খানের করা ১৪তম ওভারে ৪০ রানে কট অ্যান্ড বোল্ড হন তিনি। তখন বাংলাদেশের সংগ্রহ হয় ৫ উইকেটে ৮৩ রান।

মোহাম্মদ নাওয়াজকে রিটার্ন ক্যাচ দিয়ে ১৬তম ওভারে ফিরেন মাহেদী হাসান। তখন বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৬ উইকেটে ৮৮ রান।

টানা দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়া বাংলাদেশ ১৮ ওভারে দলীয় শতরান পূর্ণ করতে সক্ষম হয়। সে জন্য তাদের খোয়াতে হয় ৬ উইকেট। এরপর আরেকটি উইকেট হারিয়ে ১০৮ রানে শেষ হয় ২০ ওভারের ব্যাটিং।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিলার নিয়োগে লাখ লাখ টাকা বাণিজ্যের অভিযোগ আমির হামজার

টাইগারদের বাজে ব্যাটিং, পাকিস্তানকে সহজ টার্গেট

আপডেট সময় ০৩:৫০:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ নভেম্বর ২০২১

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

পাকিস্তানের দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে চাপে পড়া টাইগাররা ১০৮ রান করতে সক্ষম হলো। ২০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ দল ১০৯ রানের টার্গেট দিল পাকিস্তানকে।

তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয়টিতেও ব্যাটিং ব্যর্থতা। ২ ওপেনার যথারীতি ব্যর্থ। মাঝে আফিফ হোসেন ও নাজমুল হোসেন শান্ত একটু আশার আলো দেখান। এই দুজন আউট হলে আর রানটা এগোলোই না বাংলাদেশের। প্রথম ম্যাচের চেয়েও কম রানের সংগ্রহ বাংলাদেশের।

আজ শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ইনিংসের পঞ্চম বলে শাহিন আফ্রিদির ডেলিভারিতে শূন্য রানে এলবিডব্লিউ হন সাইফ হাসান।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪০ রান আসে শান্তর ব্যাট থেকে। ২০ রান করেন আফিফ হোসেন। দ্বিতীয় ম্যাচে

প্রথম দুই ওভারে দুই ওপেনারকে হারায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে মোহাম্মদ ওয়াসিমকে মারতে যেয়ে স্লিপে ক্যাচ দেন নাঈম শেখ। তার ব্যাট থেকে আসে ২ রান। তখন বাংলাদেশের সংগ্রহ হয় ২ উইকেটে ৫ রান।

ম্যাচের তৃতীয় ওভারে শাহিন আফ্রিদির থ্রোয়ে পায়ে আঘাত পান আফিফ হোসেন। দ্রুত দুই ওপেনারকে হারানোর পর আফিফ হোসেন ও নাজমুল শান্তর ব্যাটে পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছিল বাংলাদেশ। তবে পাওয়ার প্লে শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ হয় ২ উইকেটে ৩৬ রান।

পাওয়ার প্লের পর নবম ওভারে ছন্দপতন হয় বাংলাদেশের। ভরসার সঙ্গে খেলতে থাকা আফিফ হোসেন শাদাব খানের বলে রিভার্স শট খেলতে যেয়ে উইকেট কিপারের হাতে ধরা পড়েন। ২০ রান আসে তার ব্যাট থেকে। তখন বাংলাদেশের সংগ্রহ হয় ৩ উইকেটে ৫১ রান।

১০ ওভারের খেলা শেষে স্বস্তিতে ছিল না বাংলাদেশের। ৩ উইকেট হারিয়ে ছয়ের কিছুটা বেশি রানরেট ধরে রেখেছিল স্বাগতিক দল। তখন তাদের সংগ্রহ হয় ৩ উইকেটে ৬৪ রান।

১৩তম ওভারে আউট হন মাহমুদুল্লাহ। ১২ রান করা বাংলাদেশ অধিনায়ককে কট বাহাইন্ডে ফিরান হারিস রাউফ। ১৩ ওভার শেষে স্বাগতিক দলের সংগ্রহ হয় ৪ উইকেটে ৮১ রান।

অনেকক্ষণ উইকেটে থাকার পরও ইনিংস বড় করতে পারেননি নাজমুল শান্ত। শাদাব খানের করা ১৪তম ওভারে ৪০ রানে কট অ্যান্ড বোল্ড হন তিনি। তখন বাংলাদেশের সংগ্রহ হয় ৫ উইকেটে ৮৩ রান।

মোহাম্মদ নাওয়াজকে রিটার্ন ক্যাচ দিয়ে ১৬তম ওভারে ফিরেন মাহেদী হাসান। তখন বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৬ উইকেটে ৮৮ রান।

টানা দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়া বাংলাদেশ ১৮ ওভারে দলীয় শতরান পূর্ণ করতে সক্ষম হয়। সে জন্য তাদের খোয়াতে হয় ৬ উইকেট। এরপর আরেকটি উইকেট হারিয়ে ১০৮ রানে শেষ হয় ২০ ওভারের ব্যাটিং।