ঢাকা ০৫:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার ভুয়া জরিপ ও মিথ্যা প্রচারণা দিয়ে রাজনৈতিক ইতিহাস বদলানো যাবে না : দুদু গণ-অভ্যুত্থানের নিষ্ঠুরতম খুনিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে : তাজুল ইসলাম এক্সপেকটেশন যদি ১০ থাকে, অন্তত চার তো অর্জন করতে পেরেছি : আসিফ নজরুল দাবি আদায় না হলে সারারাত ইসি অবরুদ্ধ রাখবে ছাত্রদল নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা একাত্তরে অর্জিত স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব নতুন করে সুরক্ষিত হয়েছে চব্বিশে: তারেক রহমান গুলশানে একটি ভাড়া বাসা থেকে তরুণীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার ওমরাহ পালনে ইচ্ছুকদের জন্য বড় দুঃসংবাদ ৩ ইস্যুতে নির্বাচন কমিশন ভবন ঘেরাও কর্মসূচি ছাত্রদলের

টাইগারদের বাজে ব্যাটিং, পাকিস্তানকে সহজ টার্গেট

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

পাকিস্তানের দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে চাপে পড়া টাইগাররা ১০৮ রান করতে সক্ষম হলো। ২০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ দল ১০৯ রানের টার্গেট দিল পাকিস্তানকে।

তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয়টিতেও ব্যাটিং ব্যর্থতা। ২ ওপেনার যথারীতি ব্যর্থ। মাঝে আফিফ হোসেন ও নাজমুল হোসেন শান্ত একটু আশার আলো দেখান। এই দুজন আউট হলে আর রানটা এগোলোই না বাংলাদেশের। প্রথম ম্যাচের চেয়েও কম রানের সংগ্রহ বাংলাদেশের।

আজ শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ইনিংসের পঞ্চম বলে শাহিন আফ্রিদির ডেলিভারিতে শূন্য রানে এলবিডব্লিউ হন সাইফ হাসান।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪০ রান আসে শান্তর ব্যাট থেকে। ২০ রান করেন আফিফ হোসেন। দ্বিতীয় ম্যাচে

প্রথম দুই ওভারে দুই ওপেনারকে হারায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে মোহাম্মদ ওয়াসিমকে মারতে যেয়ে স্লিপে ক্যাচ দেন নাঈম শেখ। তার ব্যাট থেকে আসে ২ রান। তখন বাংলাদেশের সংগ্রহ হয় ২ উইকেটে ৫ রান।

ম্যাচের তৃতীয় ওভারে শাহিন আফ্রিদির থ্রোয়ে পায়ে আঘাত পান আফিফ হোসেন। দ্রুত দুই ওপেনারকে হারানোর পর আফিফ হোসেন ও নাজমুল শান্তর ব্যাটে পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছিল বাংলাদেশ। তবে পাওয়ার প্লে শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ হয় ২ উইকেটে ৩৬ রান।

পাওয়ার প্লের পর নবম ওভারে ছন্দপতন হয় বাংলাদেশের। ভরসার সঙ্গে খেলতে থাকা আফিফ হোসেন শাদাব খানের বলে রিভার্স শট খেলতে যেয়ে উইকেট কিপারের হাতে ধরা পড়েন। ২০ রান আসে তার ব্যাট থেকে। তখন বাংলাদেশের সংগ্রহ হয় ৩ উইকেটে ৫১ রান।

১০ ওভারের খেলা শেষে স্বস্তিতে ছিল না বাংলাদেশের। ৩ উইকেট হারিয়ে ছয়ের কিছুটা বেশি রানরেট ধরে রেখেছিল স্বাগতিক দল। তখন তাদের সংগ্রহ হয় ৩ উইকেটে ৬৪ রান।

১৩তম ওভারে আউট হন মাহমুদুল্লাহ। ১২ রান করা বাংলাদেশ অধিনায়ককে কট বাহাইন্ডে ফিরান হারিস রাউফ। ১৩ ওভার শেষে স্বাগতিক দলের সংগ্রহ হয় ৪ উইকেটে ৮১ রান।

অনেকক্ষণ উইকেটে থাকার পরও ইনিংস বড় করতে পারেননি নাজমুল শান্ত। শাদাব খানের করা ১৪তম ওভারে ৪০ রানে কট অ্যান্ড বোল্ড হন তিনি। তখন বাংলাদেশের সংগ্রহ হয় ৫ উইকেটে ৮৩ রান।

মোহাম্মদ নাওয়াজকে রিটার্ন ক্যাচ দিয়ে ১৬তম ওভারে ফিরেন মাহেদী হাসান। তখন বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৬ উইকেটে ৮৮ রান।

টানা দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়া বাংলাদেশ ১৮ ওভারে দলীয় শতরান পূর্ণ করতে সক্ষম হয়। সে জন্য তাদের খোয়াতে হয় ৬ উইকেট। এরপর আরেকটি উইকেট হারিয়ে ১০৮ রানে শেষ হয় ২০ ওভারের ব্যাটিং।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫০ বছর পর চাঁদের উদ্দেশে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু

টাইগারদের বাজে ব্যাটিং, পাকিস্তানকে সহজ টার্গেট

আপডেট সময় ০৩:৫০:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ নভেম্বর ২০২১

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

পাকিস্তানের দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে চাপে পড়া টাইগাররা ১০৮ রান করতে সক্ষম হলো। ২০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ দল ১০৯ রানের টার্গেট দিল পাকিস্তানকে।

তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয়টিতেও ব্যাটিং ব্যর্থতা। ২ ওপেনার যথারীতি ব্যর্থ। মাঝে আফিফ হোসেন ও নাজমুল হোসেন শান্ত একটু আশার আলো দেখান। এই দুজন আউট হলে আর রানটা এগোলোই না বাংলাদেশের। প্রথম ম্যাচের চেয়েও কম রানের সংগ্রহ বাংলাদেশের।

আজ শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ইনিংসের পঞ্চম বলে শাহিন আফ্রিদির ডেলিভারিতে শূন্য রানে এলবিডব্লিউ হন সাইফ হাসান।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪০ রান আসে শান্তর ব্যাট থেকে। ২০ রান করেন আফিফ হোসেন। দ্বিতীয় ম্যাচে

প্রথম দুই ওভারে দুই ওপেনারকে হারায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে মোহাম্মদ ওয়াসিমকে মারতে যেয়ে স্লিপে ক্যাচ দেন নাঈম শেখ। তার ব্যাট থেকে আসে ২ রান। তখন বাংলাদেশের সংগ্রহ হয় ২ উইকেটে ৫ রান।

ম্যাচের তৃতীয় ওভারে শাহিন আফ্রিদির থ্রোয়ে পায়ে আঘাত পান আফিফ হোসেন। দ্রুত দুই ওপেনারকে হারানোর পর আফিফ হোসেন ও নাজমুল শান্তর ব্যাটে পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছিল বাংলাদেশ। তবে পাওয়ার প্লে শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ হয় ২ উইকেটে ৩৬ রান।

পাওয়ার প্লের পর নবম ওভারে ছন্দপতন হয় বাংলাদেশের। ভরসার সঙ্গে খেলতে থাকা আফিফ হোসেন শাদাব খানের বলে রিভার্স শট খেলতে যেয়ে উইকেট কিপারের হাতে ধরা পড়েন। ২০ রান আসে তার ব্যাট থেকে। তখন বাংলাদেশের সংগ্রহ হয় ৩ উইকেটে ৫১ রান।

১০ ওভারের খেলা শেষে স্বস্তিতে ছিল না বাংলাদেশের। ৩ উইকেট হারিয়ে ছয়ের কিছুটা বেশি রানরেট ধরে রেখেছিল স্বাগতিক দল। তখন তাদের সংগ্রহ হয় ৩ উইকেটে ৬৪ রান।

১৩তম ওভারে আউট হন মাহমুদুল্লাহ। ১২ রান করা বাংলাদেশ অধিনায়ককে কট বাহাইন্ডে ফিরান হারিস রাউফ। ১৩ ওভার শেষে স্বাগতিক দলের সংগ্রহ হয় ৪ উইকেটে ৮১ রান।

অনেকক্ষণ উইকেটে থাকার পরও ইনিংস বড় করতে পারেননি নাজমুল শান্ত। শাদাব খানের করা ১৪তম ওভারে ৪০ রানে কট অ্যান্ড বোল্ড হন তিনি। তখন বাংলাদেশের সংগ্রহ হয় ৫ উইকেটে ৮৩ রান।

মোহাম্মদ নাওয়াজকে রিটার্ন ক্যাচ দিয়ে ১৬তম ওভারে ফিরেন মাহেদী হাসান। তখন বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৬ উইকেটে ৮৮ রান।

টানা দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়া বাংলাদেশ ১৮ ওভারে দলীয় শতরান পূর্ণ করতে সক্ষম হয়। সে জন্য তাদের খোয়াতে হয় ৬ উইকেট। এরপর আরেকটি উইকেট হারিয়ে ১০৮ রানে শেষ হয় ২০ ওভারের ব্যাটিং।