ঢাকা ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময় ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স

বড় জয়ে সেমিফাইনালে এক পা অস্ট্রেলিয়ার

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে নিজেদের শেষ ম্যাচে ডেভিড ওয়ার্নার এবং মিচেল মার্শের অর্ধশতকের উপর ভর করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে জিতল অস্ট্রেলিয়া। আর তাতেই সেমিফাইনালে একপা দিয়ে রাখল অ্যারন ফিঞ্চরা।

সুপার টুয়েলভের ৫ ম্যাচ শেষে ৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুইয়ে নম্বরে অবস্থান করছে অজিরা। তাদের চেয়ে এক ম্যাচ কম খেলা ইংল্যান্ড সমান পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে শীর্ষে। আর ৪ ম্যাচে ছয় পয়েন্ট নিয়ে তিনে দক্ষিণ আফ্রিকা।

সেরা চারে জায়গা নিশ্চিত করতে হলে অস্ট্রেলিয়াকে আরও কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে। পরের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ইংল্যান্ড জিতলে অস্ট্রেলিয়াকে কোনো হিসেব করতে হবে না, সুপার টুয়েলভ থেকে সোজা নাম লেখাবে সেমিফাইনালে। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকা জিতলে রানরেটের হিসেব সামনে চলে আসবে।

আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত দিনের প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দেয়া ১৫৮ রান তাড়া করতে নেমে কোনো চাপই নেয়নি অজিরা। মাত্র ৯ রান করে দলীয় ওপেনার এবং অধিনায়ক আউট হলে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে মিচেল মার্শকে সঙ্গে নিয়ে ১২৬ রান করেন ডেভিড ওয়ার্নার। আর তাতেই সহজ জয় পেয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।

ওয়ার্নার এবং মার্শ দুজনই ব্যক্তিগত অর্ধশতক পূর্ণ করতে সক্ষম হন। ৫৬ বল খেলে ৮৯ রান করে অপরাজিত থাকেন ওয়ার্নার। তার এই শৈল্পিক ইনিংসটি চার ছয় এবং নয় চারে সাজানো। এদিকে মাত্র ৩২ বল খেলে ৫৩ রানে আউট হন মার্শ। তার ইনিংসটি পাঁচটি চার এবং দুটি ছয়ে সাজানো।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে একমাত্র উইকেটটি নেন আকিল হোসেন।

এর আগে ম্যাচের শুরুতে টস জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে প্রথমে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান অজি অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই ছিল ক্যারিবীয়দের। ওপেনিং জুটিতে মাত্র ২.২ ওভারে ৩০ রান তুলেন ক্রিস গেইল এবং এভিন লুইস। ৯ বলে ১৫ রান করে আউট হন গেইল।

এরপর পাওয়ার প্লের ছয় ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপেই পড়ে উইন্ডিয়ানরা। ৪ রানে পুরান এবং শূন্যরানেই ফেরেন রোস্টন চেজ। চতুর্থ উইকেট জুটিতে চাপে পড়া দলের হয়ে হাল ধরেন ওপেনার এভিন লুইস ও শিমরন হ্যাটমায়ার। ৩৫ রানের জুটি গড়ে ব্যক্তিগত ২৯ রানে ফেরেন লুইস। ২৭ রানে ফেরেন হ্যাটমায়ার।

শেষদিকে ক্রিজে খুঁটি গেড়ে খেলে যান অধিনায়ক কাইরন পোলার্ড। শেষ ওভারে মিচেল স্টার্কের বলে আউট হওয়ার আগে মাত্র ৩১ বলে চারটি চার এবং একটি ছয়ের সুবাদে করেন ৪৪ রান। এছাড়া ডুয়াইন ব্রাভো করেন ১০ রান। আর ১৮ রানে আন্দ্রে রাসেল ও ১ রানে জেসন হোল্ডার অপরাজিত থাকেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময়

বড় জয়ে সেমিফাইনালে এক পা অস্ট্রেলিয়ার

আপডেট সময় ০৮:০৪:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ নভেম্বর ২০২১

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে নিজেদের শেষ ম্যাচে ডেভিড ওয়ার্নার এবং মিচেল মার্শের অর্ধশতকের উপর ভর করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে জিতল অস্ট্রেলিয়া। আর তাতেই সেমিফাইনালে একপা দিয়ে রাখল অ্যারন ফিঞ্চরা।

সুপার টুয়েলভের ৫ ম্যাচ শেষে ৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুইয়ে নম্বরে অবস্থান করছে অজিরা। তাদের চেয়ে এক ম্যাচ কম খেলা ইংল্যান্ড সমান পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে শীর্ষে। আর ৪ ম্যাচে ছয় পয়েন্ট নিয়ে তিনে দক্ষিণ আফ্রিকা।

সেরা চারে জায়গা নিশ্চিত করতে হলে অস্ট্রেলিয়াকে আরও কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে। পরের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ইংল্যান্ড জিতলে অস্ট্রেলিয়াকে কোনো হিসেব করতে হবে না, সুপার টুয়েলভ থেকে সোজা নাম লেখাবে সেমিফাইনালে। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকা জিতলে রানরেটের হিসেব সামনে চলে আসবে।

আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত দিনের প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দেয়া ১৫৮ রান তাড়া করতে নেমে কোনো চাপই নেয়নি অজিরা। মাত্র ৯ রান করে দলীয় ওপেনার এবং অধিনায়ক আউট হলে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে মিচেল মার্শকে সঙ্গে নিয়ে ১২৬ রান করেন ডেভিড ওয়ার্নার। আর তাতেই সহজ জয় পেয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।

ওয়ার্নার এবং মার্শ দুজনই ব্যক্তিগত অর্ধশতক পূর্ণ করতে সক্ষম হন। ৫৬ বল খেলে ৮৯ রান করে অপরাজিত থাকেন ওয়ার্নার। তার এই শৈল্পিক ইনিংসটি চার ছয় এবং নয় চারে সাজানো। এদিকে মাত্র ৩২ বল খেলে ৫৩ রানে আউট হন মার্শ। তার ইনিংসটি পাঁচটি চার এবং দুটি ছয়ে সাজানো।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে একমাত্র উইকেটটি নেন আকিল হোসেন।

এর আগে ম্যাচের শুরুতে টস জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে প্রথমে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান অজি অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই ছিল ক্যারিবীয়দের। ওপেনিং জুটিতে মাত্র ২.২ ওভারে ৩০ রান তুলেন ক্রিস গেইল এবং এভিন লুইস। ৯ বলে ১৫ রান করে আউট হন গেইল।

এরপর পাওয়ার প্লের ছয় ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপেই পড়ে উইন্ডিয়ানরা। ৪ রানে পুরান এবং শূন্যরানেই ফেরেন রোস্টন চেজ। চতুর্থ উইকেট জুটিতে চাপে পড়া দলের হয়ে হাল ধরেন ওপেনার এভিন লুইস ও শিমরন হ্যাটমায়ার। ৩৫ রানের জুটি গড়ে ব্যক্তিগত ২৯ রানে ফেরেন লুইস। ২৭ রানে ফেরেন হ্যাটমায়ার।

শেষদিকে ক্রিজে খুঁটি গেড়ে খেলে যান অধিনায়ক কাইরন পোলার্ড। শেষ ওভারে মিচেল স্টার্কের বলে আউট হওয়ার আগে মাত্র ৩১ বলে চারটি চার এবং একটি ছয়ের সুবাদে করেন ৪৪ রান। এছাড়া ডুয়াইন ব্রাভো করেন ১০ রান। আর ১৮ রানে আন্দ্রে রাসেল ও ১ রানে জেসন হোল্ডার অপরাজিত থাকেন।