ঢাকা ০৬:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘ভারতে গিয়ে খেলার পরিবেশ নেই বাংলাদেশের :আসিফ নজরুল ‘ইরান যুদ্ধ চায় না, তবে যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত’: আব্বাস আরাঘচি চট্টগ্রামে পুলিশ সদস্য কাইয়ুম হত্যা মামলায়, ১০ জনের যাবজ্জীবন ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেল পিকআপ, দুই ভাইসহ নিহত ৩ দেশ গড়ার ক্ষেত্রে শ্রমিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : মঈন খান মোস্তাফিজকে বাদ দিয়ে বিশ্বকাপ দল গঠনের সুপারিশ আইসিসির আমরা মা-বোনদের নিরাপত্তার ব্যাপারে অত্যন্ত এটেন্টিভ : ডা. শফিকুর রহমান আন্তর্জাতিক আদালতে সাক্ষ্য দিতে যাচ্ছেন তিন রোহিঙ্গা নির্বাচনে ৫ লাখ ৫৫ হাজার আনসার-ভিডিপি দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে গুলি ছুড়ে যুবককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ

ফের উৎপাদনে আসছে সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আলিফ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আজিমুল ইসলাম বলেছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ফেব্রুয়ারি থেকে সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইলে পুনরায় উৎপাদনে শুরু হবে। মূল সমস্যা এখনও গ্যাস সংযোগ হয়নি। আশা করি এর সমাধান হয়ে যাবে।

তিনি জানান, সি অ্যান্ড টেক্সটাইল পরিচালকের হাতে মাত্র ৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। কোম্পানিটির চালু করতে প্রাথমিকভাবে ৩০ থেকে ৫০ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে।

সোমবার (১ নভেম্বর) গুলশান ক্লাবে ‘বিনিয়োগকারীর স্বার্থ সুরক্ষায় সি অ্যান্ড টেক্সের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, ১৯৬৭ সালে ওয়েল ট্রেডিং কোম্পানির মধ্য দিয়ে দেশে ব্যবসা শুরু করে আলিফ গ্রুপ। সেখান থেকে তৈরি পোশাক, বস্ত্র, সুতা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, আবাসন খাত, প্রযুক্তিসহ নানা খাতে আমাদের ব্যবসার পরিধি বেড়েছে। বর্তমানে বছরে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করছি। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইলস অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেই। যদিও বিগত ৫ বছর ধরে কোম্পানিটি বন্ধ রয়েছে। দায়দেনা রয়েছে ২৫০ কোটি টাকার। জানি এ কোম্পানিকে দাঁড় করানো খুব কঠিন। তবু, আমাদের দক্ষতা ও এই শিল্প পরিচালনার অভিজ্ঞতা দিয়ে কোম্পানিটিকে পুনরুজ্জীবিত করার চ্যালেঞ্জ নিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, ৭ অক্টোবর বিশেষ কিছু শর্তে সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইল অধিগ্রহণের অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এর মধ্যে ব্যাংকের দায়দেনা পরিশোধ, গ্যাস লাইনসহ অন্যান্য ইউটিলিটিগুলোর সংযোগ স্থানান্তরের মতো নানা শর্ত রয়েছে।

সি অ্যান্ড এ টেক্সের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে তিনি বলেন,

গত পাঁচ ধরে কোম্পানির কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। সুদসহ ব্যাংকের দেনা ২৫০ কোটি টাকা। সুদ ছাড়া দেনা ২২ কোটি ৫০ হাজার টাকা। এখানে কিছু অব্যবহারযোগ্য যন্ত্রপাতি রয়েছে এবং কিছু যন্ত্রপাতির কোনো খোঁজ নেই। আবার কিছু যন্ত্রপাতি এখনও ব্যবহার উপযোগী করা হয়নি। এছাড়া গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, বন্ড লাইসেন্স স্থগিত, সম্পদ বণ্টনে অসামঞ্জস্যতা এবং বর্তমান উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে মাত্র ৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

আজিমুল ইসলাম আরও বলেন, কোম্পানিটি চালু করতে প্রাথমিকভাবে ৩০ থেকে ৫০ কোটি টাকা প্রয়োজন। এজন্য শিগগিরই একটি শেয়ার মানি ডিপোজিটি অ্যাকাউন্ট খোলা হবে। যেখানে শেয়ার মানি ডিপোজিট হিসাবে বেঁধে দেওয়া অর্থ জমা রাখা হবে। এই অর্থ ব্যাংক ঋণ নিয়মিতকরণে ব্যবহার, ফ্যাক্টরি ও যন্ত্রপাতির বিএমআরইতে ব্যয়, পুনরায় গ্যাস লাইন চালু, বন্ড লাইসেন্স স্থগিতের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারে ব্যয় এবং কোম্পানির কার্যক্রম পুনরায় চালু করতে ব্যয় হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসপাতালে নিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ, দুই আনসার সদস্য আটক

ফের উৎপাদনে আসছে সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইল

আপডেট সময় ০৫:২০:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আলিফ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আজিমুল ইসলাম বলেছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ফেব্রুয়ারি থেকে সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইলে পুনরায় উৎপাদনে শুরু হবে। মূল সমস্যা এখনও গ্যাস সংযোগ হয়নি। আশা করি এর সমাধান হয়ে যাবে।

তিনি জানান, সি অ্যান্ড টেক্সটাইল পরিচালকের হাতে মাত্র ৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। কোম্পানিটির চালু করতে প্রাথমিকভাবে ৩০ থেকে ৫০ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে।

সোমবার (১ নভেম্বর) গুলশান ক্লাবে ‘বিনিয়োগকারীর স্বার্থ সুরক্ষায় সি অ্যান্ড টেক্সের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, ১৯৬৭ সালে ওয়েল ট্রেডিং কোম্পানির মধ্য দিয়ে দেশে ব্যবসা শুরু করে আলিফ গ্রুপ। সেখান থেকে তৈরি পোশাক, বস্ত্র, সুতা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, আবাসন খাত, প্রযুক্তিসহ নানা খাতে আমাদের ব্যবসার পরিধি বেড়েছে। বর্তমানে বছরে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করছি। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইলস অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেই। যদিও বিগত ৫ বছর ধরে কোম্পানিটি বন্ধ রয়েছে। দায়দেনা রয়েছে ২৫০ কোটি টাকার। জানি এ কোম্পানিকে দাঁড় করানো খুব কঠিন। তবু, আমাদের দক্ষতা ও এই শিল্প পরিচালনার অভিজ্ঞতা দিয়ে কোম্পানিটিকে পুনরুজ্জীবিত করার চ্যালেঞ্জ নিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, ৭ অক্টোবর বিশেষ কিছু শর্তে সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইল অধিগ্রহণের অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এর মধ্যে ব্যাংকের দায়দেনা পরিশোধ, গ্যাস লাইনসহ অন্যান্য ইউটিলিটিগুলোর সংযোগ স্থানান্তরের মতো নানা শর্ত রয়েছে।

সি অ্যান্ড এ টেক্সের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে তিনি বলেন,

গত পাঁচ ধরে কোম্পানির কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। সুদসহ ব্যাংকের দেনা ২৫০ কোটি টাকা। সুদ ছাড়া দেনা ২২ কোটি ৫০ হাজার টাকা। এখানে কিছু অব্যবহারযোগ্য যন্ত্রপাতি রয়েছে এবং কিছু যন্ত্রপাতির কোনো খোঁজ নেই। আবার কিছু যন্ত্রপাতি এখনও ব্যবহার উপযোগী করা হয়নি। এছাড়া গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, বন্ড লাইসেন্স স্থগিত, সম্পদ বণ্টনে অসামঞ্জস্যতা এবং বর্তমান উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে মাত্র ৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

আজিমুল ইসলাম আরও বলেন, কোম্পানিটি চালু করতে প্রাথমিকভাবে ৩০ থেকে ৫০ কোটি টাকা প্রয়োজন। এজন্য শিগগিরই একটি শেয়ার মানি ডিপোজিটি অ্যাকাউন্ট খোলা হবে। যেখানে শেয়ার মানি ডিপোজিট হিসাবে বেঁধে দেওয়া অর্থ জমা রাখা হবে। এই অর্থ ব্যাংক ঋণ নিয়মিতকরণে ব্যবহার, ফ্যাক্টরি ও যন্ত্রপাতির বিএমআরইতে ব্যয়, পুনরায় গ্যাস লাইন চালু, বন্ড লাইসেন্স স্থগিতের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারে ব্যয় এবং কোম্পানির কার্যক্রম পুনরায় চালু করতে ব্যয় হবে।