ঢাকা ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এনসিপির প্রতিনিধিদলের বৈঠক গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার ৬ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে কাঁপল পাকিস্তান, একজনের মৃত্যু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে: জোনায়েদ সাকি অনিয়মের প্রমাণ থাকলে যেকোনো বিচার মেনে নিতে প্রস্তুত: আসিফ এক্সপ্রেসওয়েতে চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে আগুন, প্রাণে রক্ষা পেলেন রোগীসহ চারজন ক্ষমতা হস্তান্তর ও গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর প্রচেষ্টা অভিযোগ প্রেস সচিবের ‘ক্ষমতায় গেলে গণঅভ্যুত্থানে হতাহতদের পরিবারকে পুনর্বাসন করবে বিএনপি’:রিজভী রাজনৈতিক দলের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে : ইসি আনোয়ারুল বিসমিল্লাহ সারা জীবন থাকবে, সব সময়ই থাকবে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে পান্থকুঞ্জ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জনসাধারণের জন্য পান্থকুঞ্জ উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।

বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে কাওরানবাজারে অবস্থিত পান্থকুঞ্জ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, ঢাকাবাসীর স্বার্থে আমরা প্রথম দিন থেকেই বলেছি কোনো সংস্থা যদি কোনো প্রকল্প নেয়, সেটা আমাদের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে প্রকল্প বাস্তবায়নে শেষ পর্যায়ে গিয়ে আমাদের ওপরে কোনো কিছু চাপিয়ে দেওয়া যাবে না।

তিনি আরও বলেন, পান্থকুঞ্জের কাজটা দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। এখান থেকে অ্যালিভেটেড এক্সপ্রেসের লাইন যাওয়ার কথা রয়েছে। আমি এখানে এসে দেখছি, তারা যেভাবে পরিকল্পনা নিয়েছে সেভাবে করলে আমাদের পার্কটা থাকবেই না।

মেয়র বলেন, পার্কের বড় অংশ এই অ্যালিভেটেড এক্সপ্রেস এ চলে যাবে কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন রয়েছে খোলা, উন্মুক্ত জায়গা, পার্ক এগুলো অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে। এলাকার জনগণের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পার্ক। এটি ছাড়া এলাকার খোলা-মেলা কোনো জায়গা নেই। এটাকে আমরা সংরক্ষণ করতে চাই। এখানে নান্দনিক পরিবেশ আনতে চাই যেন এলাকাবাসীর জন্য এটি উপকারে আসে। আমরা তাদেরকে বলেছি এখানে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হলে স্বল্প জায়গা যতটুকু দরকার ততটুকু নিতে হবে এবং জমি অধিগ্রহণ করলে সেটির মূল্য দিতে হবে। একই সঙ্গে পার্কের পরিবেশটা বজায় রেখে তাদের প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শ্যামপুর এলাকায় পানি নিষ্কাশনের জন্য আমরা নিজ অর্থায়নে প্রায় ৯৪ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছি। আশা করছি জানুয়ারি মাসের আগে থেকেই এ প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। সেখানে নতুন করে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করা হয়েছে বিষয়টি আমরা দেখেছি। সেখানে যে কারখানাগুলো রয়েছে তাদের নিজস্ব কোনো প্লান্টেশন নেই। আমরা পরিবেশ মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করব তারা যেন সেটা নিশ্চিত করেন যাতে করে তারা যেন তাদের নিজস্ব জায়গায় এটিপি নির্মাণ করে। আর এটি যদি না হয়, তাহলে আমরা তাদের ট্রেড লাইসেন্স বাতিল ও তাদের কারখানা বন্ধ করতে আমরা বাধ্য হব।

এ সময় ২১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আসাদুজ্জামানসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে পান্থকুঞ্জ

আপডেট সময় ০৫:২৪:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জনসাধারণের জন্য পান্থকুঞ্জ উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।

বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে কাওরানবাজারে অবস্থিত পান্থকুঞ্জ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, ঢাকাবাসীর স্বার্থে আমরা প্রথম দিন থেকেই বলেছি কোনো সংস্থা যদি কোনো প্রকল্প নেয়, সেটা আমাদের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে প্রকল্প বাস্তবায়নে শেষ পর্যায়ে গিয়ে আমাদের ওপরে কোনো কিছু চাপিয়ে দেওয়া যাবে না।

তিনি আরও বলেন, পান্থকুঞ্জের কাজটা দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। এখান থেকে অ্যালিভেটেড এক্সপ্রেসের লাইন যাওয়ার কথা রয়েছে। আমি এখানে এসে দেখছি, তারা যেভাবে পরিকল্পনা নিয়েছে সেভাবে করলে আমাদের পার্কটা থাকবেই না।

মেয়র বলেন, পার্কের বড় অংশ এই অ্যালিভেটেড এক্সপ্রেস এ চলে যাবে কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন রয়েছে খোলা, উন্মুক্ত জায়গা, পার্ক এগুলো অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে। এলাকার জনগণের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পার্ক। এটি ছাড়া এলাকার খোলা-মেলা কোনো জায়গা নেই। এটাকে আমরা সংরক্ষণ করতে চাই। এখানে নান্দনিক পরিবেশ আনতে চাই যেন এলাকাবাসীর জন্য এটি উপকারে আসে। আমরা তাদেরকে বলেছি এখানে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হলে স্বল্প জায়গা যতটুকু দরকার ততটুকু নিতে হবে এবং জমি অধিগ্রহণ করলে সেটির মূল্য দিতে হবে। একই সঙ্গে পার্কের পরিবেশটা বজায় রেখে তাদের প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শ্যামপুর এলাকায় পানি নিষ্কাশনের জন্য আমরা নিজ অর্থায়নে প্রায় ৯৪ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছি। আশা করছি জানুয়ারি মাসের আগে থেকেই এ প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। সেখানে নতুন করে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করা হয়েছে বিষয়টি আমরা দেখেছি। সেখানে যে কারখানাগুলো রয়েছে তাদের নিজস্ব কোনো প্লান্টেশন নেই। আমরা পরিবেশ মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করব তারা যেন সেটা নিশ্চিত করেন যাতে করে তারা যেন তাদের নিজস্ব জায়গায় এটিপি নির্মাণ করে। আর এটি যদি না হয়, তাহলে আমরা তাদের ট্রেড লাইসেন্স বাতিল ও তাদের কারখানা বন্ধ করতে আমরা বাধ্য হব।

এ সময় ২১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আসাদুজ্জামানসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।