ঢাকা ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ তারিখই নির্বাচন হতে হবে: ইনকিলাব মঞ্চ কবিরাজকে ১০ টুকরা করে গুম, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হাসিনা গ্রেফতার ‘আমি কারও সমালোচনা করি না, চরিত্রহনন রাজনৈতিক কালচারের মধ্যে পড়ে না’: মির্জা আব্বাস বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন দেখতে চায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন ,পর্যবেক্ষক মিশন প্রধান ‘নো সার্ভিস, নো বিল’সহ তাসনিম জারার ইশতেহারে যা থাকছে শাসক পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু শোষণের ধরন পরিবর্তন হয়নি : মামুনুল হক মস্কোতে রুশ জেনারেল গুলিবিদ্ধ হাদি হত্যার বিচারে বদ্ধপরিকর সরকার, জাতিসংঘে চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত শাহবাগ এলাকায় ফের উত্তেজনা, সাউন্ড গ্রেনেড-টিয়ারশেল নিক্ষেপ পরীক্ষার তারিখ পুনর্নির্ধারণের দাবি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের

ধর্ম নিয়ে কেউ যেন বাড়াবাড়ি না করে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশে ধর্ম নিয়ে কেউ যেন বাড়াবাড়ি না করে সেই আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ, এখানে সবাই স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ছোট ভাই শেখ রাসেলে ৫৮তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান।

আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে এ সভায় সভাপতিত্ব করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এতো রক্তক্ষয়, এতো ঘটনা বাংলাদেশে ঘটে গেছে আর যেন এমন ঘটনা না ঘটে। বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ, এখানে সব ধর্মের মানুষ তার ধর্ম পালন করবে স্বাধীনভাবে। আমাদের সংবিধানেও সেই নির্দেশনা দেওয়া আছে। আমাদের ইসলাম ধর্মও সেই কথাই বলেছে। নবী করিমও (সা.) বলেছেন, ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না। কাজেই সেই বাড়াবাড়ি যেন কেউ না করে সেটাও আমরা চাই এবং এদেশে সব মানুষ যেন শান্তিতে বসবাস করতে পারে সেটাই আমাদের লক্ষ্য। আমি জানি, আমাদের ভৌগলিক সীমারেখায় ছোট দেশ হলেও জনসংখ্যার দিক থেকে অনেক বড়। কিন্তু সেই দেশেই আমি চাই প্রত্যেকটা মানুষের জীবন যেন সুন্দর হয়, উন্নত হয়। প্রত্যেকটা মানুষ যেন তার অন্ন, বস্ত্র পায়, উন্নত জীবন পায় যেটা জাতির পিতার স্বপ্ন ছিলো, তা যেন আমরা পূরণ করতে পারি, সেটাই আমার লক্ষ্য।

শিশুর নিরাপত্তা ব্যবস্থা, শিশু অধিকার আইন তো জাতির পিতা ১৯৭৪ সালে করে দিয়ে গেছেন। প্রাথমিক শিক্ষাটাকে অবৈতনিক, বাধ্যতামূলক করে দিয়ে গেছেন। আমার বাবার আদর্শ নিয়েই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি যেন এদেশে শিশুরা যেনো এই নির্মমতার শিকার আর না হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্য হলো এখনও আমরা দেখছি সেই নির্মমতা, এখনও মাঝে মধ্যে দেখি এবং পরবর্তীতেও আমরা দেখেছি, এটা যেনো আর না হয়। আমরা দেখেছি আগুন দিয়ে কিভাবে পুড়িয়ে হত্যা করা হচ্ছে, কিভাবে জ্যান্ত মানুষগুলোকে, শিশুকে পর্যন্ত। এই খালেদা জিয়া বিরোধী দলের থাকতে অগ্নিসন্ত্রাস করে চলন্ত বাসে আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে। বাপ দেখেছে চোখের সামনে সন্তান আগুনে পুড়ে মারা যাচ্ছে। সেই রকম নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ড এই বাংলাদেশে ঘটেছে, এটাই হচ্ছে দুর্ভাগ্য বাংলাদেশের। আমি এটাই চাইবো, এখানে মানবতার প্রশ্ন যারা তোলে তারা যেনো এই ঘটনাগুলো ভালোভাবে দেখে যে বাংলাদেশে কী ঘটতো। কিন্তু আমরা সরকারে আসার পর থেকে আমাদের প্রচেষ্টা যে কোনো শিশু রাস্তায় ঘুরে বেড়াতে থাকবে না, তাদের জন্য একটা ঠিকানা থাকবে। তারা যেনো একটু ভালোভাবে বসবাস করতে পারে। আমাদের একটাই লক্ষ্য, একটা শিশু তার যে জ্ঞান, মেধা সেটা যেনো বিকশিত হতে পারে, বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে পারে সেই চেষ্টাই আমি করে যাচ্ছি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

১২ তারিখই নির্বাচন হতে হবে: ইনকিলাব মঞ্চ

ধর্ম নিয়ে কেউ যেন বাড়াবাড়ি না করে

আপডেট সময় ০৭:১৬:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশে ধর্ম নিয়ে কেউ যেন বাড়াবাড়ি না করে সেই আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ, এখানে সবাই স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ছোট ভাই শেখ রাসেলে ৫৮তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান।

আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে এ সভায় সভাপতিত্ব করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এতো রক্তক্ষয়, এতো ঘটনা বাংলাদেশে ঘটে গেছে আর যেন এমন ঘটনা না ঘটে। বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ, এখানে সব ধর্মের মানুষ তার ধর্ম পালন করবে স্বাধীনভাবে। আমাদের সংবিধানেও সেই নির্দেশনা দেওয়া আছে। আমাদের ইসলাম ধর্মও সেই কথাই বলেছে। নবী করিমও (সা.) বলেছেন, ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না। কাজেই সেই বাড়াবাড়ি যেন কেউ না করে সেটাও আমরা চাই এবং এদেশে সব মানুষ যেন শান্তিতে বসবাস করতে পারে সেটাই আমাদের লক্ষ্য। আমি জানি, আমাদের ভৌগলিক সীমারেখায় ছোট দেশ হলেও জনসংখ্যার দিক থেকে অনেক বড়। কিন্তু সেই দেশেই আমি চাই প্রত্যেকটা মানুষের জীবন যেন সুন্দর হয়, উন্নত হয়। প্রত্যেকটা মানুষ যেন তার অন্ন, বস্ত্র পায়, উন্নত জীবন পায় যেটা জাতির পিতার স্বপ্ন ছিলো, তা যেন আমরা পূরণ করতে পারি, সেটাই আমার লক্ষ্য।

শিশুর নিরাপত্তা ব্যবস্থা, শিশু অধিকার আইন তো জাতির পিতা ১৯৭৪ সালে করে দিয়ে গেছেন। প্রাথমিক শিক্ষাটাকে অবৈতনিক, বাধ্যতামূলক করে দিয়ে গেছেন। আমার বাবার আদর্শ নিয়েই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি যেন এদেশে শিশুরা যেনো এই নির্মমতার শিকার আর না হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্য হলো এখনও আমরা দেখছি সেই নির্মমতা, এখনও মাঝে মধ্যে দেখি এবং পরবর্তীতেও আমরা দেখেছি, এটা যেনো আর না হয়। আমরা দেখেছি আগুন দিয়ে কিভাবে পুড়িয়ে হত্যা করা হচ্ছে, কিভাবে জ্যান্ত মানুষগুলোকে, শিশুকে পর্যন্ত। এই খালেদা জিয়া বিরোধী দলের থাকতে অগ্নিসন্ত্রাস করে চলন্ত বাসে আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে। বাপ দেখেছে চোখের সামনে সন্তান আগুনে পুড়ে মারা যাচ্ছে। সেই রকম নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ড এই বাংলাদেশে ঘটেছে, এটাই হচ্ছে দুর্ভাগ্য বাংলাদেশের। আমি এটাই চাইবো, এখানে মানবতার প্রশ্ন যারা তোলে তারা যেনো এই ঘটনাগুলো ভালোভাবে দেখে যে বাংলাদেশে কী ঘটতো। কিন্তু আমরা সরকারে আসার পর থেকে আমাদের প্রচেষ্টা যে কোনো শিশু রাস্তায় ঘুরে বেড়াতে থাকবে না, তাদের জন্য একটা ঠিকানা থাকবে। তারা যেনো একটু ভালোভাবে বসবাস করতে পারে। আমাদের একটাই লক্ষ্য, একটা শিশু তার যে জ্ঞান, মেধা সেটা যেনো বিকশিত হতে পারে, বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে পারে সেই চেষ্টাই আমি করে যাচ্ছি।