ঢাকা ০২:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রতি উপজেলায় ৭ হাজার পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে: প্রধানমন্ত্রী ১৫ জুলাই সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫টি করে গাছ লাগানোর নির্দেশ ‘পূর্বের রূপে ফিরছে রাজশাহী কেন্দ্রীয় বোটানিক্যাল গার্ডেন ও চিড়িয়াখানা’:মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী চট্টগ্রামে বন্যার্তদের পাশে সেনাবাহিনী, মানবিক সহায়তা অব্যাহত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণ করা হবে : প্রধানমন্ত্রী দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে পতন সিজারিয়ান সংস্কৃতি কমিয়ে স্বাভাবিক প্রসবে জোর দিচ্ছে সরকার : স্বাস্থ্যমন্ত্রী গৌরনদীতে একযোগে আড়াইহাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী চুক্তির কাছাকাছি ছিলাম, এমন সময় ইরান হঠাৎ জাহাজে হামলা করল: ট্রাম্প সরকার সবসময় দুর্গত মানুষের পাশে আছে : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

শাহবাগ এলাকায় ফের উত্তেজনা, সাউন্ড গ্রেনেড-টিয়ারশেল নিক্ষেপ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক : 

রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় ফের তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত জাতিসংঘের অধীনে করার দাবিতে এবং ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে আন্দোলনরতদের ওপর হামলার প্রতিবাদে চলা বিক্ষোভকে ঘিরে সেখানে উত্তেজনা বিরাজ করছে। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার শেল ছুড়েছে পুলিশ। এতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে শাহবাগ মোড় ও আশপাশের এলাকা।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ৮টা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হাদি হত্যার তদন্ত জাতিসংঘের তদন্ত সংস্থার কাছে হস্তান্তরের দাবিতে এবং আন্দোলনরতদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শাহবাগে বিক্ষোভ চলছিল। আন্দোলনকারীদের একটি অংশ শাহবাগ থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার দিকে যেতে চাইলে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। এসময় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।

তখন আন্দোলনকারীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের দিকে চলে যায়। পুলিশ অবস্থান নেয় শাহবাগ থানার সামনে।

এর আগে বিকেলে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে ইনকিলাব মঞ্চের আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষ হয়। এতে সরকারি ভাষ্যে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ অনেকে আহত হন।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় থেকে আন্দোলনকারীরা যমুনা অভিমুখে যাওয়ার সময় পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে এগোতে চাইলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এক পর্যায়ে গোটা এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, যমুনা ও এর আশপাশের এলাকায় বিক্ষোভ নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রথমে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের বলপ্রয়োগ করেনি। আজ শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে এবং একপর্যায়ে জলকামানের ওপর উঠে গেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে। সরকার স্পষ্টভাবে জানাচ্ছে যে এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো ধরনের গুলি ছোড়েনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতি উপজেলায় ৭ হাজার পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে: প্রধানমন্ত্রী

শাহবাগ এলাকায় ফের উত্তেজনা, সাউন্ড গ্রেনেড-টিয়ারশেল নিক্ষেপ

আপডেট সময় ০৮:৫০:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক : 

রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় ফের তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত জাতিসংঘের অধীনে করার দাবিতে এবং ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে আন্দোলনরতদের ওপর হামলার প্রতিবাদে চলা বিক্ষোভকে ঘিরে সেখানে উত্তেজনা বিরাজ করছে। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার শেল ছুড়েছে পুলিশ। এতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে শাহবাগ মোড় ও আশপাশের এলাকা।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ৮টা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হাদি হত্যার তদন্ত জাতিসংঘের তদন্ত সংস্থার কাছে হস্তান্তরের দাবিতে এবং আন্দোলনরতদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শাহবাগে বিক্ষোভ চলছিল। আন্দোলনকারীদের একটি অংশ শাহবাগ থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার দিকে যেতে চাইলে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। এসময় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।

তখন আন্দোলনকারীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের দিকে চলে যায়। পুলিশ অবস্থান নেয় শাহবাগ থানার সামনে।

এর আগে বিকেলে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে ইনকিলাব মঞ্চের আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষ হয়। এতে সরকারি ভাষ্যে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ অনেকে আহত হন।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় থেকে আন্দোলনকারীরা যমুনা অভিমুখে যাওয়ার সময় পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে এগোতে চাইলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এক পর্যায়ে গোটা এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, যমুনা ও এর আশপাশের এলাকায় বিক্ষোভ নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রথমে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের বলপ্রয়োগ করেনি। আজ শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে এবং একপর্যায়ে জলকামানের ওপর উঠে গেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে। সরকার স্পষ্টভাবে জানাচ্ছে যে এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো ধরনের গুলি ছোড়েনি।