ঢাকা ০১:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মৃত্যু নির্বাচনে ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন মুহাম্মদ ইউনূস থাইল্যান্ডে চলন্ত ট্রেনের ওপর ভেঙে পড়ল ক্রেন, নিহত ২২ জাস্টিস ফর হাদি, ইনশাআল্লাহ : মির্জা ফখরুল আলমগীর টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান

২১০০ সালের মধ্যেই ধ্বংস হবে পৃথিবী

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পৃথিবীর জলবায়ুসহ বিভিন্ন তথ্য পর্যালোচনা করে গবেষকরা অনুমান করেছেন, ২১০০ সালেই পৃথিবীর অবস্থা সবচেয়ে ভয়াবহ হবে। আর সে সময়টিকেই পৃথিবীর মহাপ্রলয়ে শুরু হিসেবে বলা যায়।

বিশ্বের উষ্ণতা বাড়ানোর জন্য দায়ী গ্যাসগুলোর পরিমাণ বায়ুমণ্ডলে দিন দিন বাড়ছে। যে হারে দূষণ এবং গড় তাপমাত্রা বাড়ছে, তাতে পরবর্তী প্রজন্মের চোখের সামনেই ধ্বংস হবে পৃথিবী। এই শতাব্দীর শেষেই সেই দিন ঘনিয়ে আসছে। এমন ভয়ানক তথ্যই জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

গবেষকরা মনে করছেন, পৃথিবী আর মানুষের বাসযোগ্য থাকবে না। পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা দিন দিন অতিরিক্ত হারে বাড়ার জন্যই এমনটি ধারনা গবেষকদলের। প্রায় পাঁচ বছর আগেই এ বিষয়ে সতর্ক করে অস্ট্রেলিয়ার ভূ-বিজ্ঞানী ড. ফেনার বলেছিলেন, আর এক শতকের মধ্যেই পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন হবে মানুষ। ’ তিনি মারা গেছেন বেশ কিছুদিন আগে। তবে তার ভবিষ্যদ্বাণীই যে সত্যি হতে চলেছে, তেমন আশঙ্কাই করছেন এখনকার বিজ্ঞানীরা।

গবেষকরা বলছেন, ২০৩০ সালে যে পরিমাণ গ্রিনহাউস গ্যাস বায়ুমণ্ডলে মিশবে, শুধুমাত্র তাতেই চলতি শতকের শেষে বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়িয়ে দেবে। এটা ধ্বংসের কারণ হিসাবে যথেষ্ট। বৈজ্ঞানিকরা মনে করছেন ২১০০ সালে বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ৫ জিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়বে। আর তখনই শুরু হবে মহাপ্রলয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

২১০০ সালের মধ্যেই ধ্বংস হবে পৃথিবী

আপডেট সময় ০১:১৫:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পৃথিবীর জলবায়ুসহ বিভিন্ন তথ্য পর্যালোচনা করে গবেষকরা অনুমান করেছেন, ২১০০ সালেই পৃথিবীর অবস্থা সবচেয়ে ভয়াবহ হবে। আর সে সময়টিকেই পৃথিবীর মহাপ্রলয়ে শুরু হিসেবে বলা যায়।

বিশ্বের উষ্ণতা বাড়ানোর জন্য দায়ী গ্যাসগুলোর পরিমাণ বায়ুমণ্ডলে দিন দিন বাড়ছে। যে হারে দূষণ এবং গড় তাপমাত্রা বাড়ছে, তাতে পরবর্তী প্রজন্মের চোখের সামনেই ধ্বংস হবে পৃথিবী। এই শতাব্দীর শেষেই সেই দিন ঘনিয়ে আসছে। এমন ভয়ানক তথ্যই জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

গবেষকরা মনে করছেন, পৃথিবী আর মানুষের বাসযোগ্য থাকবে না। পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা দিন দিন অতিরিক্ত হারে বাড়ার জন্যই এমনটি ধারনা গবেষকদলের। প্রায় পাঁচ বছর আগেই এ বিষয়ে সতর্ক করে অস্ট্রেলিয়ার ভূ-বিজ্ঞানী ড. ফেনার বলেছিলেন, আর এক শতকের মধ্যেই পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন হবে মানুষ। ’ তিনি মারা গেছেন বেশ কিছুদিন আগে। তবে তার ভবিষ্যদ্বাণীই যে সত্যি হতে চলেছে, তেমন আশঙ্কাই করছেন এখনকার বিজ্ঞানীরা।

গবেষকরা বলছেন, ২০৩০ সালে যে পরিমাণ গ্রিনহাউস গ্যাস বায়ুমণ্ডলে মিশবে, শুধুমাত্র তাতেই চলতি শতকের শেষে বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়িয়ে দেবে। এটা ধ্বংসের কারণ হিসাবে যথেষ্ট। বৈজ্ঞানিকরা মনে করছেন ২১০০ সালে বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ৫ জিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়বে। আর তখনই শুরু হবে মহাপ্রলয়।