ঢাকা ১০:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা আমেরিকা অপমানিত, ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: জার্মানি ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি চায় না শিক্ষার্থীরা : হুইপ বকুল হরতাল করার সেই সুযোগ আমরা কাউকে দেব না ক্রীড়া খাত পুনরুজ্জীবনে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, অতীতের দুর্নীতির তদন্ত চলছে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সুনামগঞ্জে এতো বজ্রপাত হয়, জানলে বিয়েই করতাম না ওখানে : স্পিকার এপ্রিলের ২৬ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৭২ কোটি ডলার মুম্বাইয়ে বিরিয়ানি ও তরমুজ খেয়ে স্বামী-স্ত্রী ও দুই মেয়ের মৃত্যু নেত্রকোনায় বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৩ জনের মেয়েদের স্নাতক পর্যন্ত শিক্ষা বিনামূল্যে করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

২১০০ সালের মধ্যেই ধ্বংস হবে পৃথিবী

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পৃথিবীর জলবায়ুসহ বিভিন্ন তথ্য পর্যালোচনা করে গবেষকরা অনুমান করেছেন, ২১০০ সালেই পৃথিবীর অবস্থা সবচেয়ে ভয়াবহ হবে। আর সে সময়টিকেই পৃথিবীর মহাপ্রলয়ে শুরু হিসেবে বলা যায়।

বিশ্বের উষ্ণতা বাড়ানোর জন্য দায়ী গ্যাসগুলোর পরিমাণ বায়ুমণ্ডলে দিন দিন বাড়ছে। যে হারে দূষণ এবং গড় তাপমাত্রা বাড়ছে, তাতে পরবর্তী প্রজন্মের চোখের সামনেই ধ্বংস হবে পৃথিবী। এই শতাব্দীর শেষেই সেই দিন ঘনিয়ে আসছে। এমন ভয়ানক তথ্যই জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

গবেষকরা মনে করছেন, পৃথিবী আর মানুষের বাসযোগ্য থাকবে না। পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা দিন দিন অতিরিক্ত হারে বাড়ার জন্যই এমনটি ধারনা গবেষকদলের। প্রায় পাঁচ বছর আগেই এ বিষয়ে সতর্ক করে অস্ট্রেলিয়ার ভূ-বিজ্ঞানী ড. ফেনার বলেছিলেন, আর এক শতকের মধ্যেই পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন হবে মানুষ। ’ তিনি মারা গেছেন বেশ কিছুদিন আগে। তবে তার ভবিষ্যদ্বাণীই যে সত্যি হতে চলেছে, তেমন আশঙ্কাই করছেন এখনকার বিজ্ঞানীরা।

গবেষকরা বলছেন, ২০৩০ সালে যে পরিমাণ গ্রিনহাউস গ্যাস বায়ুমণ্ডলে মিশবে, শুধুমাত্র তাতেই চলতি শতকের শেষে বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়িয়ে দেবে। এটা ধ্বংসের কারণ হিসাবে যথেষ্ট। বৈজ্ঞানিকরা মনে করছেন ২১০০ সালে বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ৫ জিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়বে। আর তখনই শুরু হবে মহাপ্রলয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা

২১০০ সালের মধ্যেই ধ্বংস হবে পৃথিবী

আপডেট সময় ০১:১৫:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পৃথিবীর জলবায়ুসহ বিভিন্ন তথ্য পর্যালোচনা করে গবেষকরা অনুমান করেছেন, ২১০০ সালেই পৃথিবীর অবস্থা সবচেয়ে ভয়াবহ হবে। আর সে সময়টিকেই পৃথিবীর মহাপ্রলয়ে শুরু হিসেবে বলা যায়।

বিশ্বের উষ্ণতা বাড়ানোর জন্য দায়ী গ্যাসগুলোর পরিমাণ বায়ুমণ্ডলে দিন দিন বাড়ছে। যে হারে দূষণ এবং গড় তাপমাত্রা বাড়ছে, তাতে পরবর্তী প্রজন্মের চোখের সামনেই ধ্বংস হবে পৃথিবী। এই শতাব্দীর শেষেই সেই দিন ঘনিয়ে আসছে। এমন ভয়ানক তথ্যই জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

গবেষকরা মনে করছেন, পৃথিবী আর মানুষের বাসযোগ্য থাকবে না। পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা দিন দিন অতিরিক্ত হারে বাড়ার জন্যই এমনটি ধারনা গবেষকদলের। প্রায় পাঁচ বছর আগেই এ বিষয়ে সতর্ক করে অস্ট্রেলিয়ার ভূ-বিজ্ঞানী ড. ফেনার বলেছিলেন, আর এক শতকের মধ্যেই পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন হবে মানুষ। ’ তিনি মারা গেছেন বেশ কিছুদিন আগে। তবে তার ভবিষ্যদ্বাণীই যে সত্যি হতে চলেছে, তেমন আশঙ্কাই করছেন এখনকার বিজ্ঞানীরা।

গবেষকরা বলছেন, ২০৩০ সালে যে পরিমাণ গ্রিনহাউস গ্যাস বায়ুমণ্ডলে মিশবে, শুধুমাত্র তাতেই চলতি শতকের শেষে বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়িয়ে দেবে। এটা ধ্বংসের কারণ হিসাবে যথেষ্ট। বৈজ্ঞানিকরা মনে করছেন ২১০০ সালে বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ৫ জিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়বে। আর তখনই শুরু হবে মহাপ্রলয়।