ঢাকা ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয় আর্জেন্টিনাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে গান গাওয়ায় ১৭ শিক্ষার্থীকে পেটালেন শিক্ষক গাজী নজরুলের আরেকটি ভিডিও ভাইরাল, ‘নতুন তরুণীকে’ ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শেখ হাসিনার ফোনালাপ, যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তিন দাবিতে শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সুফিবাদী সুন্নি মহাসমাবেশ ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি সরকারের স্বচ্ছতার নিদর্শন: ত্রাণমন্ত্রী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম লাইফ সাপোর্টে সরকারের আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ককরোচ জনতা পার্টির চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করলো বিজিবি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা চলছে

দাঁড়িয়ে প্রসাব করায় খুন করা হয় সুমনকে: পুলিশ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মুখে দাঁড়ি রেখে দাঁড়িয়ে প্রসাব করা নিয়ে বিরোধের জের ধরেই খায়রুল ইসলাম সুমন (২৮) নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। হত্যার সঙ্গে জড়িত প্রধান আসামি বাবুকে(২৭) গ্রেপ্তারের পর এ তথ্য জানিয়েছেন বগুড়ার পুলিশ সুপার।

সোমবার বগুড়ার পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী তার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন।

গ্রেপ্তার বাবু গাবতলী উপজেলার সোনারায় গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে। তিনি বগুড়া শহরের কানুছগাড়ি এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে বগুড়া শহরের কানুছগাড়ি এলাকায় খায়রুল ইসলাম সুমনকে ছুরিকাঘাতে খুন করা হয়।

পুলিশ সুপার জানান, গত রবিবার রাতে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল কাহালু থানার মুরইল এলাকা থেকে বাবুকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর বাবু হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে তার অন্য সহযোগীর নামও প্রকাশ করে।

গ্রেপ্তার বাবু পুলিশকে জানায় ২৯ সেপ্টেম্বর রাত ১০ টার দিকে কানুছগাড়ি এলাকায় একটি গ্যারেজে প্রসাব করতে যায় খায়রুল ইসলাম সুমন। এসময় তিনি দাঁড়িয়ে প্রসাব করছিলেন। মুখে দাঁড়ি রেখে দাঁড়িয়ে প্রসাব করার করা নিয়ে বাবু তাকে গালিগালাজ করেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়।

একপর্যায় খায়রুল সড়কের পাশে রাখা তার প্রাইভেটকারে বসে থাকেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই বাবু তার এক সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে প্রাইভেটকারের গ্লাস ভেঙে সুমনের হাতে ছুরিকাঘাত করে। এ সময় সুমন গাড়ি থেকে নেমে দৌড়ে একটি ফার্মেসিতে আশ্রয় নেয়। সেখানে ঢুকে সুমনকে উপর্যুপরী ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত সুমন রংপুর শহরের সাতগাড়া মিস্ত্রীপাড়ার আব্দুল খালেকের ছেলে। তিনি বগুড়া শহরের সাবগ্রাম এলাকায় বসবাস করে রেন্ট-এ কারের ব্যবসা করতেন। ঘটনার রাতে সুমন তার এক বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে কানুছগাড়ি এলাকায় আড্ডা দিতে যান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়

দাঁড়িয়ে প্রসাব করায় খুন করা হয় সুমনকে: পুলিশ

আপডেট সময় ০৬:১২:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অক্টোবর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মুখে দাঁড়ি রেখে দাঁড়িয়ে প্রসাব করা নিয়ে বিরোধের জের ধরেই খায়রুল ইসলাম সুমন (২৮) নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। হত্যার সঙ্গে জড়িত প্রধান আসামি বাবুকে(২৭) গ্রেপ্তারের পর এ তথ্য জানিয়েছেন বগুড়ার পুলিশ সুপার।

সোমবার বগুড়ার পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী তার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন।

গ্রেপ্তার বাবু গাবতলী উপজেলার সোনারায় গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে। তিনি বগুড়া শহরের কানুছগাড়ি এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে বগুড়া শহরের কানুছগাড়ি এলাকায় খায়রুল ইসলাম সুমনকে ছুরিকাঘাতে খুন করা হয়।

পুলিশ সুপার জানান, গত রবিবার রাতে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল কাহালু থানার মুরইল এলাকা থেকে বাবুকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর বাবু হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে তার অন্য সহযোগীর নামও প্রকাশ করে।

গ্রেপ্তার বাবু পুলিশকে জানায় ২৯ সেপ্টেম্বর রাত ১০ টার দিকে কানুছগাড়ি এলাকায় একটি গ্যারেজে প্রসাব করতে যায় খায়রুল ইসলাম সুমন। এসময় তিনি দাঁড়িয়ে প্রসাব করছিলেন। মুখে দাঁড়ি রেখে দাঁড়িয়ে প্রসাব করার করা নিয়ে বাবু তাকে গালিগালাজ করেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়।

একপর্যায় খায়রুল সড়কের পাশে রাখা তার প্রাইভেটকারে বসে থাকেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই বাবু তার এক সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে প্রাইভেটকারের গ্লাস ভেঙে সুমনের হাতে ছুরিকাঘাত করে। এ সময় সুমন গাড়ি থেকে নেমে দৌড়ে একটি ফার্মেসিতে আশ্রয় নেয়। সেখানে ঢুকে সুমনকে উপর্যুপরী ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত সুমন রংপুর শহরের সাতগাড়া মিস্ত্রীপাড়ার আব্দুল খালেকের ছেলে। তিনি বগুড়া শহরের সাবগ্রাম এলাকায় বসবাস করে রেন্ট-এ কারের ব্যবসা করতেন। ঘটনার রাতে সুমন তার এক বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে কানুছগাড়ি এলাকায় আড্ডা দিতে যান।