ঢাকা ১১:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করা উচিত: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রুমিন ফারহানার বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ বরগুনায় ডাকবাংলো থেকে দুই শিশু ও মায়ের মরদেহ উদ্ধার মায়ের প্রতি অবহেলা: শাস্তি পাবেন সেই যুগ্ম সচিব বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক এমপিদের সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির জ্ঞান থাকা আবশ্যক : স্পিকার ইরানের সুপ্রিম লিডার মোজতবার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান ট্রাম্প ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না, দাবি ট্রাম্পের

দাঁড়িয়ে প্রসাব করায় খুন করা হয় সুমনকে: পুলিশ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মুখে দাঁড়ি রেখে দাঁড়িয়ে প্রসাব করা নিয়ে বিরোধের জের ধরেই খায়রুল ইসলাম সুমন (২৮) নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। হত্যার সঙ্গে জড়িত প্রধান আসামি বাবুকে(২৭) গ্রেপ্তারের পর এ তথ্য জানিয়েছেন বগুড়ার পুলিশ সুপার।

সোমবার বগুড়ার পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী তার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন।

গ্রেপ্তার বাবু গাবতলী উপজেলার সোনারায় গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে। তিনি বগুড়া শহরের কানুছগাড়ি এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে বগুড়া শহরের কানুছগাড়ি এলাকায় খায়রুল ইসলাম সুমনকে ছুরিকাঘাতে খুন করা হয়।

পুলিশ সুপার জানান, গত রবিবার রাতে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল কাহালু থানার মুরইল এলাকা থেকে বাবুকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর বাবু হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে তার অন্য সহযোগীর নামও প্রকাশ করে।

গ্রেপ্তার বাবু পুলিশকে জানায় ২৯ সেপ্টেম্বর রাত ১০ টার দিকে কানুছগাড়ি এলাকায় একটি গ্যারেজে প্রসাব করতে যায় খায়রুল ইসলাম সুমন। এসময় তিনি দাঁড়িয়ে প্রসাব করছিলেন। মুখে দাঁড়ি রেখে দাঁড়িয়ে প্রসাব করার করা নিয়ে বাবু তাকে গালিগালাজ করেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়।

একপর্যায় খায়রুল সড়কের পাশে রাখা তার প্রাইভেটকারে বসে থাকেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই বাবু তার এক সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে প্রাইভেটকারের গ্লাস ভেঙে সুমনের হাতে ছুরিকাঘাত করে। এ সময় সুমন গাড়ি থেকে নেমে দৌড়ে একটি ফার্মেসিতে আশ্রয় নেয়। সেখানে ঢুকে সুমনকে উপর্যুপরী ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত সুমন রংপুর শহরের সাতগাড়া মিস্ত্রীপাড়ার আব্দুল খালেকের ছেলে। তিনি বগুড়া শহরের সাবগ্রাম এলাকায় বসবাস করে রেন্ট-এ কারের ব্যবসা করতেন। ঘটনার রাতে সুমন তার এক বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে কানুছগাড়ি এলাকায় আড্ডা দিতে যান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দাঁড়িয়ে প্রসাব করায় খুন করা হয় সুমনকে: পুলিশ

আপডেট সময় ০৬:১২:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অক্টোবর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মুখে দাঁড়ি রেখে দাঁড়িয়ে প্রসাব করা নিয়ে বিরোধের জের ধরেই খায়রুল ইসলাম সুমন (২৮) নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। হত্যার সঙ্গে জড়িত প্রধান আসামি বাবুকে(২৭) গ্রেপ্তারের পর এ তথ্য জানিয়েছেন বগুড়ার পুলিশ সুপার।

সোমবার বগুড়ার পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী তার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন।

গ্রেপ্তার বাবু গাবতলী উপজেলার সোনারায় গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে। তিনি বগুড়া শহরের কানুছগাড়ি এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে বগুড়া শহরের কানুছগাড়ি এলাকায় খায়রুল ইসলাম সুমনকে ছুরিকাঘাতে খুন করা হয়।

পুলিশ সুপার জানান, গত রবিবার রাতে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল কাহালু থানার মুরইল এলাকা থেকে বাবুকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর বাবু হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে তার অন্য সহযোগীর নামও প্রকাশ করে।

গ্রেপ্তার বাবু পুলিশকে জানায় ২৯ সেপ্টেম্বর রাত ১০ টার দিকে কানুছগাড়ি এলাকায় একটি গ্যারেজে প্রসাব করতে যায় খায়রুল ইসলাম সুমন। এসময় তিনি দাঁড়িয়ে প্রসাব করছিলেন। মুখে দাঁড়ি রেখে দাঁড়িয়ে প্রসাব করার করা নিয়ে বাবু তাকে গালিগালাজ করেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়।

একপর্যায় খায়রুল সড়কের পাশে রাখা তার প্রাইভেটকারে বসে থাকেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই বাবু তার এক সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে প্রাইভেটকারের গ্লাস ভেঙে সুমনের হাতে ছুরিকাঘাত করে। এ সময় সুমন গাড়ি থেকে নেমে দৌড়ে একটি ফার্মেসিতে আশ্রয় নেয়। সেখানে ঢুকে সুমনকে উপর্যুপরী ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত সুমন রংপুর শহরের সাতগাড়া মিস্ত্রীপাড়ার আব্দুল খালেকের ছেলে। তিনি বগুড়া শহরের সাবগ্রাম এলাকায় বসবাস করে রেন্ট-এ কারের ব্যবসা করতেন। ঘটনার রাতে সুমন তার এক বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে কানুছগাড়ি এলাকায় আড্ডা দিতে যান।