ঢাকা ১২:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রূপগঞ্জে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড নতুন রাষ্ট্রপতি দিয়ে সরকারকে যাত্রা শুরু করতে হবে: উমামা প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার জানাজায় ছাত্রলীগ নেতা সুবিধা বঞ্চিত নারী ও শিশুদের নিয়ে ইফতার করলেন ডা. জুবাইদা রহমান ফিলিস্তিন ভূখণ্ড দখলে ইসরায়েলি আইনের তীব্র নিন্দা বাংলাদেশের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সরকার স্বচ্ছতার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে চায়: আসাদুজ্জামান ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রীর সাকিবকে খেলতে না দেওয়া দুর্নীতি হলে শাস্তি পেতে রাজি: আসিফ মাহমুদ পাকিস্তানের ‘ঘাড় মটকে’ দেয়ার হুঁশিয়ারি আফগানিস্তানের নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার: মির্জা ফখরুল

শিগগির বাজারে আসবে করোনার ট্যাবলেট, চলছে শেষ মুহূর্তের ট্রায়াল

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সবকিছু ঠিক থাকলে এবার হয়তো বাজারে আসবে কোভিড-১৯ (করোনা) ট্যাবলেট। ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলো চেষ্টা করছে এবার করোনা প্রতিরোধকারী ওষুধ বাজারে আনতে। যদি সেটা হয়, তাহলে সাধারণ ভাইরাল জ্বরের মতো অসুখের ক্ষেত্রে যেমন ওষুধ কিনে খাওয়া যায়, তেমনভাবেই করোনার ওষুধও বাজারে কিনতে পাওয়া যাবে। সেই চেষ্টাই চালাচ্ছেন মার্কিন গবেষকরা। চলছে শেষ মুহূর্তের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল।

মার্কিন সংস্থা মের্ক ‘মলনুপিরাভির’ নামের এক অ্যান্টিভাইটাল ওষুধ নিয়ে কাজ করছে। ‘রিজব্যাক বায়োথার্পিউটিক্স’ নামের এক সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়ে ওই ওষুধ তৈরি হয়েছে। পৃথিবী জুড়েই ওষুধটির ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে। এমনকি, জাপানেও সেই ট্রায়াল চালানো হচ্ছে।আশা করা হচ্ছে, অক্টোবরের মধ্যেই ট্রায়ালের চূড়ান্ত ফলাফল জানা যাবে। শেষ পর্যন্ত পরীক্ষা সফল হলেই মিলতে পারে ছাড়পত্র। সংস্থার আশা, বছরের শেষেই আপৎকালীন ব্যবহার শুরু হয়ে যাবে এই ওষুধের। তার মাসখানেকের মধ্যে জাপানেও শুরু হয়ে যেতে পারে তার ব্যবহার।

পিছিয়ে নেই ফাইজারও। ইতোমধ্যেই দুই ধরনের অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছে তারাও। এর মধ্যে একটি ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে শরীরে নেওয়ার। অন্যটি খাওয়ার। এই দুটি ওষুধই সার্সের প্রতিরোধে ব্য়বহার করা হয় ২০০২ সালে। সেই ওষুধকেই এবার করোনা রোগীদের চিকিৎসাতেও ব্যবহার করতে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা চালাচ্ছে ফাইজার। তবে যেসব রোগীর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন নেই, তেমন মৃদু উপসর্গের রোগীদের ক্ষেত্রেই এটি ব্যবহারের উপযোগী হবে। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যেই এই ওষুধের ট্রায়ালের ফলাফল জানা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। সদর্থক ফলাফল মিললে আগামী বছরের গোড়া থেকেই শুরু হয়ে যাবে এর ব্যবহার।

পিছিয়ে নেই জাপানও। জাপানি সংস্থা শিওঙ্গি গত জুলাই থেকেই শুরু করে দিয়েছে করোনাভাইরাস পিলের প্রথম দফার ট্রায়াল। তবে সব ট্রায়াল চালিয়ে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র পেয়ে বাজারে এই ওষুধ আনতে ২০২২ সালের শেষদিক পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

রূপগঞ্জে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

শিগগির বাজারে আসবে করোনার ট্যাবলেট, চলছে শেষ মুহূর্তের ট্রায়াল

আপডেট সময় ০৯:২৩:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সবকিছু ঠিক থাকলে এবার হয়তো বাজারে আসবে কোভিড-১৯ (করোনা) ট্যাবলেট। ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলো চেষ্টা করছে এবার করোনা প্রতিরোধকারী ওষুধ বাজারে আনতে। যদি সেটা হয়, তাহলে সাধারণ ভাইরাল জ্বরের মতো অসুখের ক্ষেত্রে যেমন ওষুধ কিনে খাওয়া যায়, তেমনভাবেই করোনার ওষুধও বাজারে কিনতে পাওয়া যাবে। সেই চেষ্টাই চালাচ্ছেন মার্কিন গবেষকরা। চলছে শেষ মুহূর্তের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল।

মার্কিন সংস্থা মের্ক ‘মলনুপিরাভির’ নামের এক অ্যান্টিভাইটাল ওষুধ নিয়ে কাজ করছে। ‘রিজব্যাক বায়োথার্পিউটিক্স’ নামের এক সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়ে ওই ওষুধ তৈরি হয়েছে। পৃথিবী জুড়েই ওষুধটির ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে। এমনকি, জাপানেও সেই ট্রায়াল চালানো হচ্ছে।আশা করা হচ্ছে, অক্টোবরের মধ্যেই ট্রায়ালের চূড়ান্ত ফলাফল জানা যাবে। শেষ পর্যন্ত পরীক্ষা সফল হলেই মিলতে পারে ছাড়পত্র। সংস্থার আশা, বছরের শেষেই আপৎকালীন ব্যবহার শুরু হয়ে যাবে এই ওষুধের। তার মাসখানেকের মধ্যে জাপানেও শুরু হয়ে যেতে পারে তার ব্যবহার।

পিছিয়ে নেই ফাইজারও। ইতোমধ্যেই দুই ধরনের অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছে তারাও। এর মধ্যে একটি ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে শরীরে নেওয়ার। অন্যটি খাওয়ার। এই দুটি ওষুধই সার্সের প্রতিরোধে ব্য়বহার করা হয় ২০০২ সালে। সেই ওষুধকেই এবার করোনা রোগীদের চিকিৎসাতেও ব্যবহার করতে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা চালাচ্ছে ফাইজার। তবে যেসব রোগীর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন নেই, তেমন মৃদু উপসর্গের রোগীদের ক্ষেত্রেই এটি ব্যবহারের উপযোগী হবে। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যেই এই ওষুধের ট্রায়ালের ফলাফল জানা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। সদর্থক ফলাফল মিললে আগামী বছরের গোড়া থেকেই শুরু হয়ে যাবে এর ব্যবহার।

পিছিয়ে নেই জাপানও। জাপানি সংস্থা শিওঙ্গি গত জুলাই থেকেই শুরু করে দিয়েছে করোনাভাইরাস পিলের প্রথম দফার ট্রায়াল। তবে সব ট্রায়াল চালিয়ে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র পেয়ে বাজারে এই ওষুধ আনতে ২০২২ সালের শেষদিক পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।