ঢাকা ০৪:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সৌদি আরবসহ তিন দেশের সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি ইউক্রেনের

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ইউক্রেন। এসব চুক্তিতে ড্রোন সহযোগিতা এবং প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদারের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছেন।

সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘এই চুক্তিগুলো ইউক্রেনের সরকারি ও বেসরকারি খাতে বিভিন্ন ধরনের বাস্তব চুক্তিতে রূপ নেবে।’

ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়া ব্যাপকভাবে শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করছে, যা উপসাগরীয় অঞ্চলেও ইরানের হামলায় ব্যবহৃত হয়েছে। এ প্রসঙ্গে জেলেনস্কি বলেন, একটি শাহেদ ড্রোনের দাম যেখানে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার ডলার, সেখানে এটি ভূপাতিত করতে ব্যবহৃত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মাত্র ১০ হাজার ডলারেই সম্ভব—যা প্রচলিত আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় অনেক সাশ্রয়ী।

তিনি বলেন, ‘আমরা তাদেরকে নিজেদের রক্ষা করতে সহায়তা করতে চাই এবং ভবিষ্যতেও অন্যান্য দেশের সঙ্গে এ ধরনের অংশীদারিত্ব গড়ে তুলব।’

ইউক্রেন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, প্রযুক্তিগত দক্ষতা, সফটওয়্যার সমন্বয় এবং কম খরচে ড্রোন সরবরাহের পাশাপাশি যৌথ উৎপাদন ব্যবস্থাও গড়ে তুলতে প্রস্তুত বলে জানান তিনি।

জেলেনস্কি আরও বলেন, ‘এই সহযোগিতা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও সম্প্রসারিত হওয়া উচিত। আমরা যদি এটি করতে পারি, আমি গর্বিত হব, কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।’

এই চুক্তিগুলো এমন সময়ে হলো যখন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার পর উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। ইরানের অভিযোগ, উপসাগরীয় দেশগুলো তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রকে হামলা চালাতে সহায়তা করেছে এবং এর জবাবে এসব দেশে মার্কিন স্বার্থ লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

তবে উপসাগরীয় দেশগুলো এসব অভিযোগ বারবার অস্বীকার করেছে এবং জানিয়েছে, তারা তাদের আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে হামলার সুযোগ দেয়নি।

গত মার্চে জেলেনস্কি এই অঞ্চল সফর করেন এবং তখনই সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

সৌদি আরবসহ তিন দেশের সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি ইউক্রেনের

আপডেট সময় ১১:৫০:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ইউক্রেন। এসব চুক্তিতে ড্রোন সহযোগিতা এবং প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদারের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছেন।

সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘এই চুক্তিগুলো ইউক্রেনের সরকারি ও বেসরকারি খাতে বিভিন্ন ধরনের বাস্তব চুক্তিতে রূপ নেবে।’

ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়া ব্যাপকভাবে শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করছে, যা উপসাগরীয় অঞ্চলেও ইরানের হামলায় ব্যবহৃত হয়েছে। এ প্রসঙ্গে জেলেনস্কি বলেন, একটি শাহেদ ড্রোনের দাম যেখানে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার ডলার, সেখানে এটি ভূপাতিত করতে ব্যবহৃত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মাত্র ১০ হাজার ডলারেই সম্ভব—যা প্রচলিত আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় অনেক সাশ্রয়ী।

তিনি বলেন, ‘আমরা তাদেরকে নিজেদের রক্ষা করতে সহায়তা করতে চাই এবং ভবিষ্যতেও অন্যান্য দেশের সঙ্গে এ ধরনের অংশীদারিত্ব গড়ে তুলব।’

ইউক্রেন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, প্রযুক্তিগত দক্ষতা, সফটওয়্যার সমন্বয় এবং কম খরচে ড্রোন সরবরাহের পাশাপাশি যৌথ উৎপাদন ব্যবস্থাও গড়ে তুলতে প্রস্তুত বলে জানান তিনি।

জেলেনস্কি আরও বলেন, ‘এই সহযোগিতা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও সম্প্রসারিত হওয়া উচিত। আমরা যদি এটি করতে পারি, আমি গর্বিত হব, কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।’

এই চুক্তিগুলো এমন সময়ে হলো যখন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার পর উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। ইরানের অভিযোগ, উপসাগরীয় দেশগুলো তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রকে হামলা চালাতে সহায়তা করেছে এবং এর জবাবে এসব দেশে মার্কিন স্বার্থ লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

তবে উপসাগরীয় দেশগুলো এসব অভিযোগ বারবার অস্বীকার করেছে এবং জানিয়েছে, তারা তাদের আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে হামলার সুযোগ দেয়নি।

গত মার্চে জেলেনস্কি এই অঞ্চল সফর করেন এবং তখনই সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।