ঢাকা ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন পোস্টাল ভোট সফল করতে পারলে বাংলাদেশের নাম ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে থাকবে: সিইসি ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান

আর্থিকখাত জাতির উন্নয়নের অনুঘটক হিসেবে কাজ করছে: গভর্নর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের আর্থিকখাত বা ব্যাংকিং সেক্টর জাতির উন্নয়নের অনুঘটক হিসেবে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির।

বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে অনলাইনে অনুষ্ঠিত বিআইবিএমের ত্রৈমাসিক জার্নাল ‘ব্যাংক পরিক্রমা’ বিশেষ সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করন।

বিআইবিএম গভর্নিং বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বলেন, জাতির পিতার নির্দেশনা অনুসারে, তৎকালীন স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের ঢাকা অফিসকে বাংলাদেশ ব্যাংক তথা কেন্দ্রীয় ব্যাংক অব বাংলাদেশ করা হয়। এছাড়া ছয়টি জাতীয়করণকৃত বাণিজ্যিক ব্যাংক, দুটি বিশেষায়িত ব্যাংক এবং তিনটি বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক নিয়ে আর্থিক খাতের যাত্রা শুরু হয়। এই দ্রুত এবং অবিশ্বাস্য কাজগুলো আসলে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের ভিত্তি তৈরি করেছে। জাতির পিতার রেখে যাওয়া এই কঠিন উত্তরাধিকার থেকে আমরা এখনও আর্থিক খাতকে জাতির উন্নয়নের প্রকৃত অনুঘটক হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করছি বলে জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর জনাব ফজলে কবির মন্তব্য করেন।

গভর্নর বলেন, বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সালের মধ্যে তার জাতীয় নীতির ভিত্তি হিসেবে আর্থিক খাতকে গড়ে তোলেন। যদিও বঙ্গবন্ধু অর্থনীতিবিদ ছিলেন না, তবে অর্থনীতির বাস্তব অবস্থা এবং জনগণের আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে তার গভীর উপলব্ধির কারণে তিনি প্রকৃতপক্ষে আর্থিক খাতের সঠিক পরামর্শক হিসেবে উপদেশ দিয়েছিলেন।

ফজলে কবির বলেন, পাকিস্তানে সাড়ে নয় মাস বন্দি থাকার পর যখন জাতির পিতা যুদ্ধ বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে ১০ জানুয়ারি স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসেন, তখনই তিনি দেশের আর্থিক খাতকে সংগঠিত করার নির্দেশ দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন।

স্বাগত বক্তব্য দেন বিআইবিএম-এর অধ্যাপক (সিলেকশন গ্রেড) ড. প্রশান্ত কুমার ব্যানার্জ্জী।

বিআইবিএমর মহাপরিচালক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান উপদেষ্টা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ ফরাসউদ্দিন; পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ার প্রফেসর এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, বিআইবিএম এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আহমেদ জামাল, ইনস্টিটিউট ফর ইনক্লুসিভ অ্যান্ড ফাইন্যান্স ডেভেলপমেন্টের (আইএনএম) নির্বাহী পরিচালক ড. মোস্তফা কে. মুজেরি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক আব্দুল বায়েস, ম্যাকনিস বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্সের জেপি মরগান-চেজ এনডোড অধ্যাপক ড. মতিউর রহমান, বিশ্বব্যাংক ঢাকা কার্যালয়ের প্রাক্তন লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আর্থিকখাত জাতির উন্নয়নের অনুঘটক হিসেবে কাজ করছে: গভর্নর

আপডেট সময় ০৫:২৩:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের আর্থিকখাত বা ব্যাংকিং সেক্টর জাতির উন্নয়নের অনুঘটক হিসেবে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির।

বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে অনলাইনে অনুষ্ঠিত বিআইবিএমের ত্রৈমাসিক জার্নাল ‘ব্যাংক পরিক্রমা’ বিশেষ সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করন।

বিআইবিএম গভর্নিং বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বলেন, জাতির পিতার নির্দেশনা অনুসারে, তৎকালীন স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের ঢাকা অফিসকে বাংলাদেশ ব্যাংক তথা কেন্দ্রীয় ব্যাংক অব বাংলাদেশ করা হয়। এছাড়া ছয়টি জাতীয়করণকৃত বাণিজ্যিক ব্যাংক, দুটি বিশেষায়িত ব্যাংক এবং তিনটি বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক নিয়ে আর্থিক খাতের যাত্রা শুরু হয়। এই দ্রুত এবং অবিশ্বাস্য কাজগুলো আসলে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের ভিত্তি তৈরি করেছে। জাতির পিতার রেখে যাওয়া এই কঠিন উত্তরাধিকার থেকে আমরা এখনও আর্থিক খাতকে জাতির উন্নয়নের প্রকৃত অনুঘটক হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করছি বলে জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর জনাব ফজলে কবির মন্তব্য করেন।

গভর্নর বলেন, বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সালের মধ্যে তার জাতীয় নীতির ভিত্তি হিসেবে আর্থিক খাতকে গড়ে তোলেন। যদিও বঙ্গবন্ধু অর্থনীতিবিদ ছিলেন না, তবে অর্থনীতির বাস্তব অবস্থা এবং জনগণের আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে তার গভীর উপলব্ধির কারণে তিনি প্রকৃতপক্ষে আর্থিক খাতের সঠিক পরামর্শক হিসেবে উপদেশ দিয়েছিলেন।

ফজলে কবির বলেন, পাকিস্তানে সাড়ে নয় মাস বন্দি থাকার পর যখন জাতির পিতা যুদ্ধ বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে ১০ জানুয়ারি স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসেন, তখনই তিনি দেশের আর্থিক খাতকে সংগঠিত করার নির্দেশ দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন।

স্বাগত বক্তব্য দেন বিআইবিএম-এর অধ্যাপক (সিলেকশন গ্রেড) ড. প্রশান্ত কুমার ব্যানার্জ্জী।

বিআইবিএমর মহাপরিচালক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান উপদেষ্টা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ ফরাসউদ্দিন; পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ার প্রফেসর এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, বিআইবিএম এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আহমেদ জামাল, ইনস্টিটিউট ফর ইনক্লুসিভ অ্যান্ড ফাইন্যান্স ডেভেলপমেন্টের (আইএনএম) নির্বাহী পরিচালক ড. মোস্তফা কে. মুজেরি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক আব্দুল বায়েস, ম্যাকনিস বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্সের জেপি মরগান-চেজ এনডোড অধ্যাপক ড. মতিউর রহমান, বিশ্বব্যাংক ঢাকা কার্যালয়ের প্রাক্তন লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন প্রমুখ।