ঢাকা ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

নিখিল-নুসরাত সম্পর্কের টানাপোড়েনে নয়া মোড়

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

টলিউড নায়িকা নুসরাত জাহান ও তার সাবেক স্বামী নিখিল জৈনের সম্পর্কের টানাপড়েনে আবার নতুন মোড় নিল। ভেঙে যাওয়া সম্পর্কে দেখা দিল নতুন মোচড়। নিখিল জৈনের সঙ্গে তার সম্পর্কের নিরিখে কোনো দিনই তিনি ‘সহবাস’ শব্দটি ব্যবহার করেননি বলে সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন নুসরাত।

নিজের বক্তব্যের প্রমাণ দিতে গিয়ে নিখিলের পাঠানো আইনি নোটিশের দুটি লাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন নায়িকা। তাতে লেখা আছে, ‘in the circumstances the plaintiff is also not in a position to continue the relation or the union or the live in relationship.’

অর্থাৎ, নুসরাত বলতে চেয়েছেন নিখিলই প্রথম ‘লিভ ইন’ বা ‘সহবাস’ শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন। তিনি নন।

এদিকে, নিখিল পাল্টা বলেছেন, ‘আমি ‘সহবাস’ শব্দটা ব্যবহার করব কী করে? আমি তো নিজে ওকে সিঁদুর পরিয়ে বিয়ে করেছিলাম! নুসরাত আমার বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল। আমি ওকে বের করে দেইনি। যখন বুঝলাম, ও যশের সঙ্গেই থাকতে চায়, তখন আইনি নোটিশ পাঠাই।’

এ ধরনের মামলায় আইনি নোটিশ দিলে সেখানে ‘পরিস্থিতি’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ আইনের মাধ্যমে যদি কারও সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে হয়, তাহলে আইনি ভাষায় পরিষ্কার জানাতে হয় সেই ব্যক্তির সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পর্ক, মিলন বা সহবাস করা সম্ভব নয়। সুতরাং ‘সহবাস’ শব্দটি আইনি ভাষায় ব্যবহার করা সঙ্গত।

নিখিলের বক্তব্য, পুরো আইনি নোটিশটি দেখলেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে। নিখিল বলছেন, পুরো আইনি নোটিশটি পড়লে দেখা যাবে, তার প্রথম লাইন ছিল, ‘আমি নুসরাতকে বিয়ে করেছি।’

নিখিল আরও বলছেন, তার স্কুলের ছোটবেলার বন্ধুকে নিয়ে যে ধরনের শারীরিক সম্পর্কের ইঙ্গিত করা হয়েছে, তা ন্যক্কারজনক। সেই বন্ধুর বিবাহবিচ্ছেদ প্রসঙ্গে তার সঙ্গে বন্ধুর যৌন সম্পর্কের যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, তাতেও যারপরনাই ক্ষুব্ধ নিখিল।

তার কথায়, ‘ও আমার ছোটবেলার বন্ধু। ওর পরিবারের সঙ্গে আমার পরিবারের খুবই ঘনিষ্ঠতা। সেই ঘনিষ্ঠতা নিয়ে এত নোংরা ব্যাখ্যা করা হল?’

সোমবার কলকাতার একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিখিল এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে চাননি। তবে তিনি মনে করেন, যশ দাশগুপ্তের সঙ্গে নুসরাতের বিয়ে হয়ে গেছে। তাদের সন্তান ঈশান জন্ম নিয়েছে। নিখিলের বক্তব্য, নুসরাত পরিবার পেয়েছে। তা নিয়ে সুখে থাকুক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

নিখিল-নুসরাত সম্পর্কের টানাপোড়েনে নয়া মোড়

আপডেট সময় ১১:১৩:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

টলিউড নায়িকা নুসরাত জাহান ও তার সাবেক স্বামী নিখিল জৈনের সম্পর্কের টানাপড়েনে আবার নতুন মোড় নিল। ভেঙে যাওয়া সম্পর্কে দেখা দিল নতুন মোচড়। নিখিল জৈনের সঙ্গে তার সম্পর্কের নিরিখে কোনো দিনই তিনি ‘সহবাস’ শব্দটি ব্যবহার করেননি বলে সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন নুসরাত।

নিজের বক্তব্যের প্রমাণ দিতে গিয়ে নিখিলের পাঠানো আইনি নোটিশের দুটি লাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন নায়িকা। তাতে লেখা আছে, ‘in the circumstances the plaintiff is also not in a position to continue the relation or the union or the live in relationship.’

অর্থাৎ, নুসরাত বলতে চেয়েছেন নিখিলই প্রথম ‘লিভ ইন’ বা ‘সহবাস’ শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন। তিনি নন।

এদিকে, নিখিল পাল্টা বলেছেন, ‘আমি ‘সহবাস’ শব্দটা ব্যবহার করব কী করে? আমি তো নিজে ওকে সিঁদুর পরিয়ে বিয়ে করেছিলাম! নুসরাত আমার বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল। আমি ওকে বের করে দেইনি। যখন বুঝলাম, ও যশের সঙ্গেই থাকতে চায়, তখন আইনি নোটিশ পাঠাই।’

এ ধরনের মামলায় আইনি নোটিশ দিলে সেখানে ‘পরিস্থিতি’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ আইনের মাধ্যমে যদি কারও সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে হয়, তাহলে আইনি ভাষায় পরিষ্কার জানাতে হয় সেই ব্যক্তির সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পর্ক, মিলন বা সহবাস করা সম্ভব নয়। সুতরাং ‘সহবাস’ শব্দটি আইনি ভাষায় ব্যবহার করা সঙ্গত।

নিখিলের বক্তব্য, পুরো আইনি নোটিশটি দেখলেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে। নিখিল বলছেন, পুরো আইনি নোটিশটি পড়লে দেখা যাবে, তার প্রথম লাইন ছিল, ‘আমি নুসরাতকে বিয়ে করেছি।’

নিখিল আরও বলছেন, তার স্কুলের ছোটবেলার বন্ধুকে নিয়ে যে ধরনের শারীরিক সম্পর্কের ইঙ্গিত করা হয়েছে, তা ন্যক্কারজনক। সেই বন্ধুর বিবাহবিচ্ছেদ প্রসঙ্গে তার সঙ্গে বন্ধুর যৌন সম্পর্কের যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, তাতেও যারপরনাই ক্ষুব্ধ নিখিল।

তার কথায়, ‘ও আমার ছোটবেলার বন্ধু। ওর পরিবারের সঙ্গে আমার পরিবারের খুবই ঘনিষ্ঠতা। সেই ঘনিষ্ঠতা নিয়ে এত নোংরা ব্যাখ্যা করা হল?’

সোমবার কলকাতার একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিখিল এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে চাননি। তবে তিনি মনে করেন, যশ দাশগুপ্তের সঙ্গে নুসরাতের বিয়ে হয়ে গেছে। তাদের সন্তান ঈশান জন্ম নিয়েছে। নিখিলের বক্তব্য, নুসরাত পরিবার পেয়েছে। তা নিয়ে সুখে থাকুক।