ঢাকা ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের অবশিষ্ট পরীক্ষা স্থগিত পরিকল্পিতভাবে উত্তরাঞ্চলে বড় উন্নয়ন বাজেট কমানো হয়েছে: নাহিদ ইসলাম আবু সাঈদের স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করুন,সরকারকে গোলাম পরওয়ার হাসিনার আত্মসমর্পণের সুযোগ নেই, আসলেই গ্রেফতার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হঠাৎ অসুস্থ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরকার দলীয় এমপিরা ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়ন আদেশ লঙ্ঘন করেছেন: আইনজীবী শিশির জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ বাঁচার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রম ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়া হবে: অর্থমন্ত্রী

টিকার এসএমএস দ্রুত পাওয়ানোর কথা বলে টাকা নিত তারা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মোবাইল ফোনে ম্যাসেজ পাঠিয়ে বিদেশগামী ব্যক্তিদের দ্রুত করোনার টিকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল একটি প্রতারক চক্র। তারা দ্রুত এসএসএস পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে এই প্রতারণা করে আসছিল। এর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বুধবার রাতে রাজধানীর মুগদা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। তাদের কাছ থেকে প্রতারণায় ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

র‌্যাব বলেছে, গ্রেফতার ব্যক্তিরা দুই শতাধিক বিদেশগামী ব্যক্তিদের কাছ থেকে আড়াই থেকে পাঁচ হাজার টাকা করে নিয়েছে। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হচ্ছেন- নুরুল হক, সাইফুল ইসলাম, ইমরান হোসেন ও দুলাল মিয়া।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ানবাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি বলেন, কিছু সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব জানতে পারে, কয়েকজন প্রতারক বিভিন্ন হাসপাতালের সামনে অবস্থান করে বিদেশগামী প্রার্থীদের মুঠোফোনে ম্যাসেজ পাঠিয়ে দ্রুত টিকা দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। গণমাধ্যমে এ খবর ছড়িয়ে পড়ায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এরপর ওই প্রতারকদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে র‌্যাব গোয়েন্দা কার্যক্রম শুরু করে।

বুধবার সন্ধ্যায় র‌্যাব-৩–এর একটি দল মুগদায় অভিযান চালিয়ে প্রতারক চক্রের মূল হোতা নুরুল হক এবং তার তিন সহযোগী সাইফুল ইসলাম, ইমরান হোসেন ও দুলাল মিয়াকে গ্রেফতার করে।

রাজধানীর মুগদা, রমনা ও শেরেবাংলা নগর এলাকায় এসব প্রতারক চক্র তৎপর রয়েছে। র‌্যাব পরিচালক মঈন বলেন, নুরুল দীর্ঘদিন বিদেশে ছিলেন। ২০১৮ সালে ভিসা জটিলতায় তিনি বিদেশে যেতে পারেননি। ১৯৯৮ সালে লিবিয়ায় যান তিনি। প্রতারক চক্রের সদস্য সাইফুল আগে সরকারি কাজ করতেন। অনৈতিক কাজের কারণে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়। সরকারি চাকরি চলে যায়। ইমরান একটি ট্রাভেল এজেন্সি ও দুলাল একটি সরকারি হাসপাতালে আউটসোর্সিংয়ে গাড়িচালক হিসেবে কর্মরত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের অবশিষ্ট পরীক্ষা স্থগিত

টিকার এসএমএস দ্রুত পাওয়ানোর কথা বলে টাকা নিত তারা

আপডেট সময় ০৪:৩২:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মোবাইল ফোনে ম্যাসেজ পাঠিয়ে বিদেশগামী ব্যক্তিদের দ্রুত করোনার টিকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল একটি প্রতারক চক্র। তারা দ্রুত এসএসএস পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে এই প্রতারণা করে আসছিল। এর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বুধবার রাতে রাজধানীর মুগদা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। তাদের কাছ থেকে প্রতারণায় ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

র‌্যাব বলেছে, গ্রেফতার ব্যক্তিরা দুই শতাধিক বিদেশগামী ব্যক্তিদের কাছ থেকে আড়াই থেকে পাঁচ হাজার টাকা করে নিয়েছে। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হচ্ছেন- নুরুল হক, সাইফুল ইসলাম, ইমরান হোসেন ও দুলাল মিয়া।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ানবাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি বলেন, কিছু সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব জানতে পারে, কয়েকজন প্রতারক বিভিন্ন হাসপাতালের সামনে অবস্থান করে বিদেশগামী প্রার্থীদের মুঠোফোনে ম্যাসেজ পাঠিয়ে দ্রুত টিকা দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। গণমাধ্যমে এ খবর ছড়িয়ে পড়ায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এরপর ওই প্রতারকদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে র‌্যাব গোয়েন্দা কার্যক্রম শুরু করে।

বুধবার সন্ধ্যায় র‌্যাব-৩–এর একটি দল মুগদায় অভিযান চালিয়ে প্রতারক চক্রের মূল হোতা নুরুল হক এবং তার তিন সহযোগী সাইফুল ইসলাম, ইমরান হোসেন ও দুলাল মিয়াকে গ্রেফতার করে।

রাজধানীর মুগদা, রমনা ও শেরেবাংলা নগর এলাকায় এসব প্রতারক চক্র তৎপর রয়েছে। র‌্যাব পরিচালক মঈন বলেন, নুরুল দীর্ঘদিন বিদেশে ছিলেন। ২০১৮ সালে ভিসা জটিলতায় তিনি বিদেশে যেতে পারেননি। ১৯৯৮ সালে লিবিয়ায় যান তিনি। প্রতারক চক্রের সদস্য সাইফুল আগে সরকারি কাজ করতেন। অনৈতিক কাজের কারণে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়। সরকারি চাকরি চলে যায়। ইমরান একটি ট্রাভেল এজেন্সি ও দুলাল একটি সরকারি হাসপাতালে আউটসোর্সিংয়ে গাড়িচালক হিসেবে কর্মরত।