ঢাকা ১১:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

দুর্বৃত্তের ছোড়া দাহ্য পদার্থে ঝলসে গেল ভাই-বোন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পটুয়াখালী সদর উপজেলার মাদারবুনিয়া ইউনিয়নে দুর্বৃত্তের ছোড়া দাহ্য পদার্থে এক মাদরাসাছাত্রী (১৬) ও তার ভাইয়ের (১২) শরীরের বিভিন্ন স্থান ঝলসে গেছে।

সোমবার (০৩ আগস্ট) গভীর রাতে সদর উপজেলার মাদারবুনিয়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই ছাত্রী ও তার ভাই রাতের খাবার খেয়ে নিজেদের টিনসেট ঘরে ঘুমিয়ে ছিল। রাত দেড়টার দিকে কেউ ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত ভাই-বোনকে লক্ষ্য করে দাহ্য পদার্থ ছুড়ে পালিয়ে যান। এতে দুই ভাই-বোনের শরীরের বিভিন্ন স্থান ঝলসে যায়। পরে তাদের উদ্ধার করে প্রথমে পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতার মোর্শেদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এটি এসিড নাকি অন্য কোনো দাহ্য পদার্থ, তা পরীক্ষা করা হচ্ছে। এখনও ভিকটিমদের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল

দুর্বৃত্তের ছোড়া দাহ্য পদার্থে ঝলসে গেল ভাই-বোন

আপডেট সময় ১০:০০:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অগাস্ট ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পটুয়াখালী সদর উপজেলার মাদারবুনিয়া ইউনিয়নে দুর্বৃত্তের ছোড়া দাহ্য পদার্থে এক মাদরাসাছাত্রী (১৬) ও তার ভাইয়ের (১২) শরীরের বিভিন্ন স্থান ঝলসে গেছে।

সোমবার (০৩ আগস্ট) গভীর রাতে সদর উপজেলার মাদারবুনিয়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই ছাত্রী ও তার ভাই রাতের খাবার খেয়ে নিজেদের টিনসেট ঘরে ঘুমিয়ে ছিল। রাত দেড়টার দিকে কেউ ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত ভাই-বোনকে লক্ষ্য করে দাহ্য পদার্থ ছুড়ে পালিয়ে যান। এতে দুই ভাই-বোনের শরীরের বিভিন্ন স্থান ঝলসে যায়। পরে তাদের উদ্ধার করে প্রথমে পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতার মোর্শেদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এটি এসিড নাকি অন্য কোনো দাহ্য পদার্থ, তা পরীক্ষা করা হচ্ছে। এখনও ভিকটিমদের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।