ঢাকা ১১:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চীনের কাছ থেকে বাংলাদেশ ঋণের আশ্বাস পেয়েছে কি, প্রশ্ন রুমিন ফারহানার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সুদের টাকা নিয়ে ফের সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ২৫ বৈষম্যহীন ও দক্ষ শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য : মাহদী আমিন অপপ্রচার ও ‘অপরাজনীতি’ বন্ধের দাবিতে সাভারে যুবদলের বিক্ষোভ চুরি করতে গিয়ে বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা ব্রাজিলের সংবাদ মাধ্যমে বাংলাদেশে ফুটবল উন্মাদনা মেহেরপুর সীমান্তে সাতজনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের জুলাইয়ে ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা এনসিপির ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাসের প্রথম শনিবার ‘ক্লিনিং ডে’ পালন করা হবে: আবদুস সালাম মৎস্য ও সামুদ্রিক খাতে বড় বিনিয়োগ টানছে ‘মিডা’ ও ‘জাইকা’

বৈষম্যহীন ও দক্ষ শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য : মাহদী আমিন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন বলেছেন, দেশের তৃণমূল ও প্রান্তিক পর্যায়ের সকল শিক্ষার্থীকে সমান সুযোগ দিয়ে একটি বৈষম্যহীন, দক্ষ ও আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রের সঠিক পরিকল্পনা ও ধারাবাহিক পৃষ্ঠপোষকতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে খুদে বিজ্ঞানীদের মাঝ থেকেই বেরিয়ে আসবে আগামী দিনের বিশ্বজয়ী বিজ্ঞানী, গবেষক ও উদ্ভাবক।

সোমবার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং জাতীয় পর্যায়ের ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ এর প্রদর্শনী ও চূড়ান্ত বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী ভাবনার কথা তুলে ধরে ড. মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা চান যেখানে শুধু মুখস্থ বিদ্যা নয়, বরং দক্ষতা, যোগ্যতা, সংস্কৃতি, ক্রীড়া এবং মানবিক মূল্যবোধের সুসমন্বয় থাকবে। প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন তার মেধা অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় সহযোগিতা পায় এবং তারা কেবল চাকরিপ্রার্থী না হয়ে উদ্যোক্তা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

নির্বাচনী ইশতেহার ও বৈষম্যহীন শিক্ষার প্রতিফলন উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা ইশতেহারের ১০টি বিষয়কে শিক্ষায় কাভার করার চেষ্টা করছি। দেশের ৬৪ জেলার প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার প্রতিনিধিত্ব এখানে নিশ্চিত করা হয়েছে। কোনো ভৌগোলিক, ধর্মীয় বা রাজনৈতিক বৈষম্য না রেখে প্রান্তিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের একত্র করা হয়েছে। বিশেষ করে ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো, যা প্রমাণ করে বাংলাদেশ নারী শিক্ষায় কতটা এগিয়ে যাচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈষম্যহীন ও দক্ষ শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য : মাহদী আমিন

আপডেট সময় ১০:৪৫:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন বলেছেন, দেশের তৃণমূল ও প্রান্তিক পর্যায়ের সকল শিক্ষার্থীকে সমান সুযোগ দিয়ে একটি বৈষম্যহীন, দক্ষ ও আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রের সঠিক পরিকল্পনা ও ধারাবাহিক পৃষ্ঠপোষকতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে খুদে বিজ্ঞানীদের মাঝ থেকেই বেরিয়ে আসবে আগামী দিনের বিশ্বজয়ী বিজ্ঞানী, গবেষক ও উদ্ভাবক।

সোমবার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং জাতীয় পর্যায়ের ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ এর প্রদর্শনী ও চূড়ান্ত বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী ভাবনার কথা তুলে ধরে ড. মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা চান যেখানে শুধু মুখস্থ বিদ্যা নয়, বরং দক্ষতা, যোগ্যতা, সংস্কৃতি, ক্রীড়া এবং মানবিক মূল্যবোধের সুসমন্বয় থাকবে। প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন তার মেধা অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় সহযোগিতা পায় এবং তারা কেবল চাকরিপ্রার্থী না হয়ে উদ্যোক্তা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

নির্বাচনী ইশতেহার ও বৈষম্যহীন শিক্ষার প্রতিফলন উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা ইশতেহারের ১০টি বিষয়কে শিক্ষায় কাভার করার চেষ্টা করছি। দেশের ৬৪ জেলার প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার প্রতিনিধিত্ব এখানে নিশ্চিত করা হয়েছে। কোনো ভৌগোলিক, ধর্মীয় বা রাজনৈতিক বৈষম্য না রেখে প্রান্তিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের একত্র করা হয়েছে। বিশেষ করে ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো, যা প্রমাণ করে বাংলাদেশ নারী শিক্ষায় কতটা এগিয়ে যাচ্ছে।