ঢাকা ১২:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদ্রাসার খাবার খেয়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু, অসুস্থ ১৭

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার একটি এতিমখানা ও নূরানি মাদ্রাসায় খাদ্যে বিষক্রিয়ার ঘটনায় এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। তার নাম নুর হামিদ নিষান (৯)। নিহত নুর হামিদ নিষান পূর্ব একলাশপুর এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে।

এছাড়াও এ ঘটনায় আরও ১৭ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আজ মঙ্গলবার বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান শিকদার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, প্রতিদিনের মতো শিক্ষার্থীরা গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১০টায় রাতের খাবার খেয়ে ঘুমাতে যায়। এরপর প্রায় আধা ঘণ্টা পরে একে একে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদরে রাত ১২টার দিকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক সৈয়দ মহিউদ্দিন আনোয়ারুল আজিম জানান, রাতে ১৮ জন শিশু শিক্ষার্থীকে খাদ্যে বিষক্রিয়া জনিত কারণে নিয়ে আসলে একজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। আর অন্য ১৭ জনকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে একজনের অবস্থা আশংকাজনক।

খাদ্যে বিষক্রিয়ার ঘটনার ব্যাপারে বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান শিকদার জানান, লকডাউনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশনা থাকলেও নূরানি মাদ্রাসা ও হেফজখানার পাশাপাশি এটি একটি এতিমখানা। পিতৃমাতৃহীন এতিম শিশুদের যাওয়ার কোনো জায়গায় নেই। বিধায় মাদ্রাসায় থাকছে এবং পড়াশুনা করছে। এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে খাদ্যে বিষক্রিয়ায় শিক্ষার্থী মারা যাওয়ার ঘটনায় নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মো. খোরশেদ আলম খান রাতে শিক্ষার্থীদের দেখতে হাসপাতাল পরিদর্শন করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

মাদ্রাসার খাবার খেয়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু, অসুস্থ ১৭

আপডেট সময় ০১:২৩:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অগাস্ট ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার একটি এতিমখানা ও নূরানি মাদ্রাসায় খাদ্যে বিষক্রিয়ার ঘটনায় এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। তার নাম নুর হামিদ নিষান (৯)। নিহত নুর হামিদ নিষান পূর্ব একলাশপুর এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে।

এছাড়াও এ ঘটনায় আরও ১৭ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আজ মঙ্গলবার বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান শিকদার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, প্রতিদিনের মতো শিক্ষার্থীরা গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১০টায় রাতের খাবার খেয়ে ঘুমাতে যায়। এরপর প্রায় আধা ঘণ্টা পরে একে একে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদরে রাত ১২টার দিকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক সৈয়দ মহিউদ্দিন আনোয়ারুল আজিম জানান, রাতে ১৮ জন শিশু শিক্ষার্থীকে খাদ্যে বিষক্রিয়া জনিত কারণে নিয়ে আসলে একজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। আর অন্য ১৭ জনকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে একজনের অবস্থা আশংকাজনক।

খাদ্যে বিষক্রিয়ার ঘটনার ব্যাপারে বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান শিকদার জানান, লকডাউনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশনা থাকলেও নূরানি মাদ্রাসা ও হেফজখানার পাশাপাশি এটি একটি এতিমখানা। পিতৃমাতৃহীন এতিম শিশুদের যাওয়ার কোনো জায়গায় নেই। বিধায় মাদ্রাসায় থাকছে এবং পড়াশুনা করছে। এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে খাদ্যে বিষক্রিয়ায় শিক্ষার্থী মারা যাওয়ার ঘটনায় নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মো. খোরশেদ আলম খান রাতে শিক্ষার্থীদের দেখতে হাসপাতাল পরিদর্শন করেন।