ঢাকা ০৪:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্ষমতা হস্তান্তর ও গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর প্রচেষ্টা অভিযোগ প্রেস সচিবের ‘ক্ষমতায় গেলে গণঅভ্যুত্থানে হতাহতদের পরিবারকে পুনর্বাসন করবে বিএনপি’:রিজভী রাজনৈতিক দলের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে : ইসি আনোয়ারুল বিসমিল্লাহ সারা জীবন থাকবে, সব সময়ই থাকবে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ইসি যোগ্যতার সঙ্গেই নির্বাচন পরিচালনা করতে সক্ষম হবে: মির্জা ফখরুল বাড্ডায় অটোরিকশা চালকদের সড়ক অবরোধে চরম ভোগান্তি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল জন্মহারে বড় ধস, অর্থনৈতিক সংকটের মুখে চীন স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ২১ আপিল শুনানিতে কোনো ধরনের পক্ষপাত করিনি : সিইসি

আড়াই কোটি টাকার জাল স্ট্যাম্প ও কোর্ট ফি বাজারে!

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর কোতায়ালি এলাকা থেকে জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প, কোর্ট ফি ও তৈরির সরঞ্জামসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর তাঁতিবাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব বলছে, গত অক্টোবরের পর থেকে এখন পর্যন্ত চারটি চালান ‘জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প’ ও ‘কোর্ট ফি’ বাজারে ছড়িয়েছে এই চক্রটি। যার মূল্য প্রায় আড়াই কোটি টাকা।

এই ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- আব্দুল রহমান হাওলাদার ও আবুল কালাম শিকদার। তাদের কাছ থেকে ৬১ লাখ ৫৬ হাজার সমমূল্যের জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প ও জাল কোর্ট ফি উদ্ধার করা হয়েছে।

বিকালে র‌্যাব-১০ এর অধিনায়ক মাহফুজুর রহমান রাজধানীর কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে জানান, সরকারের সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেসে সরকারি রেভিনিউ স্ট্যাম্প ও কোর্ট ফি তৈরির কথা থাকলেও আধুনিক যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি হচ্ছিল এসব জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প ও জাল কোর্ট ফি। তারা চার লাখ টাকার জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প বিক্রি করত মাত্র ৩২ হাজার টাকায়। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতরা সংঘবদ্ধ জাল কোর্ট ফি ও রেভিনিউ স্ট্যাম্প প্রস্তুত ও বিপণন চক্রের সদস্য। তারা বেশ কিছু দিন ধরে জাল কোর্ট ফি ও জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প প্রস্তত ও সরবরাহ করে আসছিল।

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, গ্রেপ্তার রহমান হাওলাদারের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দুই কোটি এগার লাখ টাকা সমমূল্যের জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প, জাল নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ও জাল কোর্ট ফি তৈরি ও সরবরাহ করার অপরাধে একটি মামলা রয়েছে। মামলার পর থেকে সে পলাতক থেকে এই ধরনের কাজ চালিয়ে আসছিল।

সাধারণ মানুষ কীভাবে চিনবে, কোনটা জাল আর কোনটা আসল- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আসলে এটা চেনা খুবই কঠিন। এটা বড় চিন্তার বিষয়।’

এসব কোথায় বিপণন করছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা সমগ্র বাংলাদেশে তারা সরিয়ে দিয়েছে। ঢাকা শহরে যেহেতু তৈরি হচ্ছে, তার মানে আঁচ করা যাচ্ছে বিভাগীয়, জেলা পর্যায়ে এসব সরিয়েছে। আর এগুলো আদালত বা বিভিন্ন জায়গায় কমবেশি ব্যবহার হয়।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্ষমতা হস্তান্তর ও গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর প্রচেষ্টা অভিযোগ প্রেস সচিবের

আড়াই কোটি টাকার জাল স্ট্যাম্প ও কোর্ট ফি বাজারে!

আপডেট সময় ০৯:৪৭:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর কোতায়ালি এলাকা থেকে জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প, কোর্ট ফি ও তৈরির সরঞ্জামসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর তাঁতিবাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব বলছে, গত অক্টোবরের পর থেকে এখন পর্যন্ত চারটি চালান ‘জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প’ ও ‘কোর্ট ফি’ বাজারে ছড়িয়েছে এই চক্রটি। যার মূল্য প্রায় আড়াই কোটি টাকা।

এই ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- আব্দুল রহমান হাওলাদার ও আবুল কালাম শিকদার। তাদের কাছ থেকে ৬১ লাখ ৫৬ হাজার সমমূল্যের জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প ও জাল কোর্ট ফি উদ্ধার করা হয়েছে।

বিকালে র‌্যাব-১০ এর অধিনায়ক মাহফুজুর রহমান রাজধানীর কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে জানান, সরকারের সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেসে সরকারি রেভিনিউ স্ট্যাম্প ও কোর্ট ফি তৈরির কথা থাকলেও আধুনিক যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি হচ্ছিল এসব জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প ও জাল কোর্ট ফি। তারা চার লাখ টাকার জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প বিক্রি করত মাত্র ৩২ হাজার টাকায়। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতরা সংঘবদ্ধ জাল কোর্ট ফি ও রেভিনিউ স্ট্যাম্প প্রস্তুত ও বিপণন চক্রের সদস্য। তারা বেশ কিছু দিন ধরে জাল কোর্ট ফি ও জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প প্রস্তত ও সরবরাহ করে আসছিল।

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, গ্রেপ্তার রহমান হাওলাদারের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দুই কোটি এগার লাখ টাকা সমমূল্যের জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প, জাল নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ও জাল কোর্ট ফি তৈরি ও সরবরাহ করার অপরাধে একটি মামলা রয়েছে। মামলার পর থেকে সে পলাতক থেকে এই ধরনের কাজ চালিয়ে আসছিল।

সাধারণ মানুষ কীভাবে চিনবে, কোনটা জাল আর কোনটা আসল- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আসলে এটা চেনা খুবই কঠিন। এটা বড় চিন্তার বিষয়।’

এসব কোথায় বিপণন করছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা সমগ্র বাংলাদেশে তারা সরিয়ে দিয়েছে। ঢাকা শহরে যেহেতু তৈরি হচ্ছে, তার মানে আঁচ করা যাচ্ছে বিভাগীয়, জেলা পর্যায়ে এসব সরিয়েছে। আর এগুলো আদালত বা বিভিন্ন জায়গায় কমবেশি ব্যবহার হয়।’