ঢাকা ১২:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কদমতলীতে একই পরিবারের ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর কদমতলীর মুরাদপুর এলাকা থেকে বাবা-মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ জুন) সকালে ওয়ারী ডিভিশনের ডিসি শাহ ইফতেখার আহামেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

নিহতরা হলেন, মাসুদ রানা (৫০), তার স্ত্রী মৌসুমী ইসলাম (৪০) ও মেয়ে জান্নাতুল (২০)।

জানা যায়, কদমতলী মুরাদনগর এলাকায় একটি বাসায় মাসুদ রানা তার স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক মেয়ের জামাইকে নিয়ে বসবাস করতেন।

ডিসি শাহ ইফতেখার আহামেদ জানান, এ ঘটনায় সংকটাপন্ন অবস্থায় তার অপর মেয়ে মেহজাবিন মুনের স্বামী শফিকুল ইসলামকে ঢাকা মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়েছে। মেহজাবিনের ছেলে মারজানকে (৫) বিষ খাওয়ানো হলেও সে মোটামুটি ভালো আছে। তাকেও চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, ধারণা করা হচ্ছে মেহজাবিন তার বাবা-মা, বোন, নিজের স্বামী ও ছেলেকে বিষপান করিয়েছে। মেহজাবিনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।

এদিকে ঢাকা মেডিক্যালের পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) বাচ্চু মিয়া জানান, শফিকুল ও তার ছেলেকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কদমতলীতে একই পরিবারের ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় ০১:৪৬:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর কদমতলীর মুরাদপুর এলাকা থেকে বাবা-মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ জুন) সকালে ওয়ারী ডিভিশনের ডিসি শাহ ইফতেখার আহামেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

নিহতরা হলেন, মাসুদ রানা (৫০), তার স্ত্রী মৌসুমী ইসলাম (৪০) ও মেয়ে জান্নাতুল (২০)।

জানা যায়, কদমতলী মুরাদনগর এলাকায় একটি বাসায় মাসুদ রানা তার স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক মেয়ের জামাইকে নিয়ে বসবাস করতেন।

ডিসি শাহ ইফতেখার আহামেদ জানান, এ ঘটনায় সংকটাপন্ন অবস্থায় তার অপর মেয়ে মেহজাবিন মুনের স্বামী শফিকুল ইসলামকে ঢাকা মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়েছে। মেহজাবিনের ছেলে মারজানকে (৫) বিষ খাওয়ানো হলেও সে মোটামুটি ভালো আছে। তাকেও চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, ধারণা করা হচ্ছে মেহজাবিন তার বাবা-মা, বোন, নিজের স্বামী ও ছেলেকে বিষপান করিয়েছে। মেহজাবিনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।

এদিকে ঢাকা মেডিক্যালের পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) বাচ্চু মিয়া জানান, শফিকুল ও তার ছেলেকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।