ঢাকা ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

আট বছর আমাদের ঝগড়া হয় না: ঋতুপর্ণ স্মরণে প্রসেনজিৎ

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

২০১৩ সালের ৩০ মে সবাইকে কাঁদিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান ভারতীয় সিনেমার উজ্জ্বল তারা ঋতুপর্ণ ঘোষ। রোববার (৩০ মে) এই প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালকের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী।

ঋতুপর্ণ ঘোষের আকস্মিক মৃত্যুর অভিঘাত প্রিয়জনদের কাছে রয়ে গেছে এখনো। মৃত্যুদিনে তাকে স্মরণ করে স্মৃতিকাতর হয়েছেন টলিউডের বেশ কয়েকজন তারকা শিল্পী।

ফেসবুকে অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় লেখেন, ‘৮ বছর হয়ে গেছে তোর কোনো মেসেজ নেই, বকাঝকা নেই, সাক্ষাৎ হয় না, ঝগড়া হয় না, নতুন নতুন গল্প নিয়ে আলোচনা হয় না। কিন্তু তুই আছিস- আমাদের মনে, আমাদের কথাবার্তায় তুই চির বর্তমান। এই সময়টায় তোর থাকা খুব দরকার ছিল রে। ভালো থাকিস ঋতু। ’

স্মৃতিচারণ করে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত লেখেন, ‘কতদিন হয়ে গেল তোমার সাথে বসে গল্প করি না, দেখাও হয় না …৮ বছর হয়ে গেল তুমি নেই… শুধু তোমার কাজ, তোমার শিক্ষা, তোমার ভালোবাসা, তোমার বকা আর অনেক আশীর্বাদ আছে সঙ্গে! নতুন করে তোমায় মিস করি না, কারণ কোনোদিন ভুলতেই যে পারিনি তোমায়! অনেক প্রণাম, ভালোবাসা আর তোমার প্রিয় ফুলের সুগন্ধ পাঠালাম। ভালো থেকো। ’

ঋতুপর্ণ ঘোষ ১৯৬৩ সালের ৩১ অগাস্ট কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৯২ সালে ছোটদের জন্য ‘হিরের আংটি’ সিনেমার মাধ্যমে পথ চলা শুরু হয় তার চলচ্চিত্র জীবনের। আর ১৯৯৪-এ ‘উনিশে এপ্রিল’ দ্বিতীয় সিনেমাতেই পান জাতীয় পুরস্কার। ১৯৯৪ থেকে ২০১৩, মাত্র ১৯ বছরের মধ্যেই ঋতুপর্ণ ঘোষ নির্মাণ করেছেন ১৯টি ছায়াছবি। প্রত্যেকটি ছবিই সাফল্য অর্জন করেছে। ১৯টি চলচ্চিত্রের মধ্যে ১২টি জাতীয় পুরস্কার জয় করেছে। সত্যজিৎ রায়, মৃণাল সেন, ঋত্বিক ঘটক পরবর্তী বাংলা সিনেমার নতুন এক ধারা তৈরি করেছিলেন ঋতুপর্ণ ঘোষ।

খ্যাতিমান এই শিল্পীর শেষ চলচ্চিত্র ‘চিত্রাঙ্গদা’। খ্যাতিমান এই পরিচালক চলচ্চিত্রপ্রেমীদের উপহার দিয়েছেন ‘দহন’, ‘উৎসব’, ‘চোখের বালি’, ‘দোসর’, ‘রেইনকোট’, ‘শুভ মহরত’, ‘সব চরিত্র কাল্পনিক’, ‘নৌকাডুবি’র মতো দর্শকপ্রিয় সিনেমা। এছাড়াও তিনি কয়েকটি সিনেমাতে নিজেও অভিনয় করেছেন। শুধু চলচ্চিত্র পরিচালনার গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ ছিলেন না, দুটি বহুল প্রচলিত বাংলা ম্যাগাজিনের সম্পাদক হিসেবেও দাপটে কাজ করেছেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আট বছর আমাদের ঝগড়া হয় না: ঋতুপর্ণ স্মরণে প্রসেনজিৎ

আপডেট সময় ১০:৪৬:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ মে ২০২১

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

২০১৩ সালের ৩০ মে সবাইকে কাঁদিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান ভারতীয় সিনেমার উজ্জ্বল তারা ঋতুপর্ণ ঘোষ। রোববার (৩০ মে) এই প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালকের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী।

ঋতুপর্ণ ঘোষের আকস্মিক মৃত্যুর অভিঘাত প্রিয়জনদের কাছে রয়ে গেছে এখনো। মৃত্যুদিনে তাকে স্মরণ করে স্মৃতিকাতর হয়েছেন টলিউডের বেশ কয়েকজন তারকা শিল্পী।

ফেসবুকে অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় লেখেন, ‘৮ বছর হয়ে গেছে তোর কোনো মেসেজ নেই, বকাঝকা নেই, সাক্ষাৎ হয় না, ঝগড়া হয় না, নতুন নতুন গল্প নিয়ে আলোচনা হয় না। কিন্তু তুই আছিস- আমাদের মনে, আমাদের কথাবার্তায় তুই চির বর্তমান। এই সময়টায় তোর থাকা খুব দরকার ছিল রে। ভালো থাকিস ঋতু। ’

স্মৃতিচারণ করে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত লেখেন, ‘কতদিন হয়ে গেল তোমার সাথে বসে গল্প করি না, দেখাও হয় না …৮ বছর হয়ে গেল তুমি নেই… শুধু তোমার কাজ, তোমার শিক্ষা, তোমার ভালোবাসা, তোমার বকা আর অনেক আশীর্বাদ আছে সঙ্গে! নতুন করে তোমায় মিস করি না, কারণ কোনোদিন ভুলতেই যে পারিনি তোমায়! অনেক প্রণাম, ভালোবাসা আর তোমার প্রিয় ফুলের সুগন্ধ পাঠালাম। ভালো থেকো। ’

ঋতুপর্ণ ঘোষ ১৯৬৩ সালের ৩১ অগাস্ট কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৯২ সালে ছোটদের জন্য ‘হিরের আংটি’ সিনেমার মাধ্যমে পথ চলা শুরু হয় তার চলচ্চিত্র জীবনের। আর ১৯৯৪-এ ‘উনিশে এপ্রিল’ দ্বিতীয় সিনেমাতেই পান জাতীয় পুরস্কার। ১৯৯৪ থেকে ২০১৩, মাত্র ১৯ বছরের মধ্যেই ঋতুপর্ণ ঘোষ নির্মাণ করেছেন ১৯টি ছায়াছবি। প্রত্যেকটি ছবিই সাফল্য অর্জন করেছে। ১৯টি চলচ্চিত্রের মধ্যে ১২টি জাতীয় পুরস্কার জয় করেছে। সত্যজিৎ রায়, মৃণাল সেন, ঋত্বিক ঘটক পরবর্তী বাংলা সিনেমার নতুন এক ধারা তৈরি করেছিলেন ঋতুপর্ণ ঘোষ।

খ্যাতিমান এই শিল্পীর শেষ চলচ্চিত্র ‘চিত্রাঙ্গদা’। খ্যাতিমান এই পরিচালক চলচ্চিত্রপ্রেমীদের উপহার দিয়েছেন ‘দহন’, ‘উৎসব’, ‘চোখের বালি’, ‘দোসর’, ‘রেইনকোট’, ‘শুভ মহরত’, ‘সব চরিত্র কাল্পনিক’, ‘নৌকাডুবি’র মতো দর্শকপ্রিয় সিনেমা। এছাড়াও তিনি কয়েকটি সিনেমাতে নিজেও অভিনয় করেছেন। শুধু চলচ্চিত্র পরিচালনার গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ ছিলেন না, দুটি বহুল প্রচলিত বাংলা ম্যাগাজিনের সম্পাদক হিসেবেও দাপটে কাজ করেছেন তিনি।