ঢাকা ০১:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মৃত্যু নির্বাচনে ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন মুহাম্মদ ইউনূস থাইল্যান্ডে চলন্ত ট্রেনের ওপর ভেঙে পড়ল ক্রেন, নিহত ২২ জাস্টিস ফর হাদি, ইনশাআল্লাহ : মির্জা ফখরুল আলমগীর টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান

নেইমারকে পেনাল্টি নিতে দেননি কাভানি

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

পিএসজির জয়রথ ছুটছেই। লিগ ওয়ানে গতকাল লিঁওকে ২-০ গোলে হারিয়েছেন নেইমার-কাভানিরা, জয় পেয়েছে টানা ৬ ম্যাচে। কিন্তু জয় ছাপিয়েও বড় হয়ে উঠেছে পেনাল্টি নিয়ে এই দুই ফরোয়ার্ডের বিবাদ। দৃষ্টিকটু এই ব্যাপার নিয়ে ম্যাচ শেষে মন্তব্য করতে হয়েছে কোচ উনাই এমেরিকে।

তবে সংবাদমাধ্যমদের ভালোই সামলেছেন পিএসজি কোচ, ‘গুটিকয়েক খেলোয়াড়ই পেনাল্টি নেবেন। এঁদের একজন কাভানি, অন্যজন নেইমার। মাঠে পেনাল্টি নেওয়ার ব্যাপারে একটা সাধারণ বোঝাপড়া থাকতেই হয়। নেইমার আর কাভানিই এটা ঠিক করে নিক, দুজনই তো গোল করতে পারে। যদি কোনো সমঝোতা না হয়, তখন আমি ঠিক করব, কে পেনাল্টি নেবে।’ শেষ কথাটা দিয়ে হয়তো দুই তারকাকে শীতল বার্তা পাঠালেন কোচ। শীর্ষপর্যায়ে এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ছেলেখেলা খুবই অশোভন ব্যাপার।

ঘটনার শুরু দ্বিতীয়ার্ধে, ৫৭ মিনিটে লিঁওর ডি-বক্সের বাইরে ফ্রি কিক পেয়েছিল পিএসজি। স্পট কিক নিতে এগিয়ে আসেন কাভানি, কিন্তু দানি আলভেজ তাঁর কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে নেইমারকে শট নিতে দেন। দুর্দান্ত শট নিয়েছিলেন ব্রাজিল ফরোয়ার্ড। গোলরক্ষক লোপেস ডান পাশের পুরোটা ঝাঁপিয়ে সে যাত্রা দলকে রক্ষা করেন।

এরপরই নাটকের ক্লাইম্যাক্স। ডান প্রান্তে ফ্রি কিক পেয়েছিল পিএসজি। নেইমার ফ্রি কিক নিলে বক্সে এমবাপ্পেকে ফাউল করেন মেন্ডি। রেফারি পেনাল্টি দেন, এবার আগেই বল নিয়ে স্পটে দাঁড়িয়ে যান কাভানি। শট নেওয়ার আগে নেইমার এগিয়ে এসে কথা বলেন, শটটা নিজে নিতে চেয়েছিলেন বলেই মনে হয়েছে। তবে সুযোগ দেননি কাভানি। পিএসজিতে পেনাল্টি নেওয়ার ভারটা যে তাঁর কাঁধেই। নেইমারের স্বেচ্ছায় সে ভার বুঝে নেওয়ার আগ্রহ পছন্দ হয়নি ‘নম্বর নাইনে’র। ভিডিও দেখেই বোঝা গেছে কথোপকথনটা খুব একটা সুখকর কিছু ছিল না। ডান প্রান্তে বুলেটগতির শট নিলেও কাভানিকে আটকে দিয়েছেন লোপেস।

পিএসজির দুই গোলই আত্মঘাতী। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে লিঁও ডিফেন্ডারদের ভুলে গোল খেয়ে না বসলে হয়তো পয়েন্ট নিয়েই ফিরতে পারত তারা। ৭৫ মিনিট পর্যন্ত নেইমারদের গোল করতে দেয়নি। (সূত্র: গোল)

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেইমারকে পেনাল্টি নিতে দেননি কাভানি

আপডেট সময় ১২:৫১:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

পিএসজির জয়রথ ছুটছেই। লিগ ওয়ানে গতকাল লিঁওকে ২-০ গোলে হারিয়েছেন নেইমার-কাভানিরা, জয় পেয়েছে টানা ৬ ম্যাচে। কিন্তু জয় ছাপিয়েও বড় হয়ে উঠেছে পেনাল্টি নিয়ে এই দুই ফরোয়ার্ডের বিবাদ। দৃষ্টিকটু এই ব্যাপার নিয়ে ম্যাচ শেষে মন্তব্য করতে হয়েছে কোচ উনাই এমেরিকে।

তবে সংবাদমাধ্যমদের ভালোই সামলেছেন পিএসজি কোচ, ‘গুটিকয়েক খেলোয়াড়ই পেনাল্টি নেবেন। এঁদের একজন কাভানি, অন্যজন নেইমার। মাঠে পেনাল্টি নেওয়ার ব্যাপারে একটা সাধারণ বোঝাপড়া থাকতেই হয়। নেইমার আর কাভানিই এটা ঠিক করে নিক, দুজনই তো গোল করতে পারে। যদি কোনো সমঝোতা না হয়, তখন আমি ঠিক করব, কে পেনাল্টি নেবে।’ শেষ কথাটা দিয়ে হয়তো দুই তারকাকে শীতল বার্তা পাঠালেন কোচ। শীর্ষপর্যায়ে এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ছেলেখেলা খুবই অশোভন ব্যাপার।

ঘটনার শুরু দ্বিতীয়ার্ধে, ৫৭ মিনিটে লিঁওর ডি-বক্সের বাইরে ফ্রি কিক পেয়েছিল পিএসজি। স্পট কিক নিতে এগিয়ে আসেন কাভানি, কিন্তু দানি আলভেজ তাঁর কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে নেইমারকে শট নিতে দেন। দুর্দান্ত শট নিয়েছিলেন ব্রাজিল ফরোয়ার্ড। গোলরক্ষক লোপেস ডান পাশের পুরোটা ঝাঁপিয়ে সে যাত্রা দলকে রক্ষা করেন।

এরপরই নাটকের ক্লাইম্যাক্স। ডান প্রান্তে ফ্রি কিক পেয়েছিল পিএসজি। নেইমার ফ্রি কিক নিলে বক্সে এমবাপ্পেকে ফাউল করেন মেন্ডি। রেফারি পেনাল্টি দেন, এবার আগেই বল নিয়ে স্পটে দাঁড়িয়ে যান কাভানি। শট নেওয়ার আগে নেইমার এগিয়ে এসে কথা বলেন, শটটা নিজে নিতে চেয়েছিলেন বলেই মনে হয়েছে। তবে সুযোগ দেননি কাভানি। পিএসজিতে পেনাল্টি নেওয়ার ভারটা যে তাঁর কাঁধেই। নেইমারের স্বেচ্ছায় সে ভার বুঝে নেওয়ার আগ্রহ পছন্দ হয়নি ‘নম্বর নাইনে’র। ভিডিও দেখেই বোঝা গেছে কথোপকথনটা খুব একটা সুখকর কিছু ছিল না। ডান প্রান্তে বুলেটগতির শট নিলেও কাভানিকে আটকে দিয়েছেন লোপেস।

পিএসজির দুই গোলই আত্মঘাতী। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে লিঁও ডিফেন্ডারদের ভুলে গোল খেয়ে না বসলে হয়তো পয়েন্ট নিয়েই ফিরতে পারত তারা। ৭৫ মিনিট পর্যন্ত নেইমারদের গোল করতে দেয়নি। (সূত্র: গোল)