ঢাকা ০২:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

নির্বাচনে সেনা চায় না নাগরিক আন্দোলন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন না করার পক্ষে মত দিয়েছে। এছাড়া নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সাথে মতবিনিময়ে দলটি প্রস্তাব দিয়েছে, নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য সেনাবাহিনীর সম্পৃক্ততার প্রয়োজন নেই, তবে বিশেষ জরুরি অবস্থায় পরিস্থিতি অনুযায়ী বিজিবিসহ অন্যান্য বাহিনী নিয়োগ করেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

রোববার বেলা সোয়া ১১ টায় আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় দলটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাহানারা বেগম আলোর নেতৃত্বে ৫ সদস্যের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

দলটির লিখিত ১০ দফা সুপারিশের মধ্যে রয়েছে, কালো টাকা, সন্ত্রাস ও পবিত্র ধর্মের অপব্যবহার মুক্ত নির্বাচন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। দলীয় প্রচারে কোন অবস্থায় দলসমূহ ধর্মীয় বিষয়কে ভোট সংগ্রহের জন্য ব্যবহার করতে পারবে না। পবিত্র ধর্মের নামে বা ধর্মীয় নামে রাজনীতি করে এমন দলকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ না দেয়া, এমন দলের নিবন্ধন বাতিল করা এবং ভবিষ্যতে নিবন্ধন না দেয়া। নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পাদনের জন্য সকল দলের জন্য সমান সুযোগ তৈরি করতে হবে।

এছাড়া যেনো নির্বাচনের অনূকুল পরিবেশ তৈরি হয় ফলে সকল দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারে এবং জনগণ নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে। ভোটার সংখ্যা অনুপাত এবং প্রশাসনিক এরিয়া বিবেচনায় রেখে সংসদীয় এলাকার সীমানা নির্ধারণ করা। নির্ভুল ও স্বচ্ছ ভোটার তালিকা প্রণয়ন করার জন্য পর্যাপ্ত দক্ষ লোকবল নিয়োগ করে খসড়া তালিকা তৈরির পর প্রতিটি ওয়ার্ডের একাধিক উপযুক্ত স্থানে জনসম্মুখে খসড়া তালিকা উপস্থাপন করতে হবে এবং উপস্থিত এলাকার জনগণের মাধ্যমে ভেলিডেশন বা পুন:যাচাই সাপেক্ষে নির্দিষ্ট সময় পরে (কমপক্ষে ১৫ দিন সময় দিয়ে) ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করতে হবে।

সুপারিশের মধ্যে আরো রয়েছে, নিবন্ধনকৃত দল যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী কিন্তু নানা কারণে নির্বাচনে কখনো অংশগ্রহণ করেনি সে সমস্ত দলের নিবন্ধন চলমান রাখতে হবে অর্থাৎ বাতিল করা যাবে না যদি না কোনো দল দেশদ্রোহী কাজে লিপ্ত হয়। নির্বাচনপূর্ব এবং নির্বাচনোত্তর পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে মাঠে রাখতে হবে যেনো ধর্মীয় সংখ্যালঘু এলাকাসহ সকল ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় স্বাভাবিক অবস্থা বজায় থাকে।

এছাড়া একই দিনে ৩০০ আসনে নির্বাচন সম্পন্ন করা। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা বজায় রাখার জন্য বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনেই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে হবে এবং একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র অনলাইনে জমা দেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নির্বাচনে সেনা চায় না নাগরিক আন্দোলন

আপডেট সময় ০১:৩১:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন না করার পক্ষে মত দিয়েছে। এছাড়া নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সাথে মতবিনিময়ে দলটি প্রস্তাব দিয়েছে, নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য সেনাবাহিনীর সম্পৃক্ততার প্রয়োজন নেই, তবে বিশেষ জরুরি অবস্থায় পরিস্থিতি অনুযায়ী বিজিবিসহ অন্যান্য বাহিনী নিয়োগ করেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

রোববার বেলা সোয়া ১১ টায় আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় দলটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাহানারা বেগম আলোর নেতৃত্বে ৫ সদস্যের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

দলটির লিখিত ১০ দফা সুপারিশের মধ্যে রয়েছে, কালো টাকা, সন্ত্রাস ও পবিত্র ধর্মের অপব্যবহার মুক্ত নির্বাচন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। দলীয় প্রচারে কোন অবস্থায় দলসমূহ ধর্মীয় বিষয়কে ভোট সংগ্রহের জন্য ব্যবহার করতে পারবে না। পবিত্র ধর্মের নামে বা ধর্মীয় নামে রাজনীতি করে এমন দলকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ না দেয়া, এমন দলের নিবন্ধন বাতিল করা এবং ভবিষ্যতে নিবন্ধন না দেয়া। নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পাদনের জন্য সকল দলের জন্য সমান সুযোগ তৈরি করতে হবে।

এছাড়া যেনো নির্বাচনের অনূকুল পরিবেশ তৈরি হয় ফলে সকল দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারে এবং জনগণ নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে। ভোটার সংখ্যা অনুপাত এবং প্রশাসনিক এরিয়া বিবেচনায় রেখে সংসদীয় এলাকার সীমানা নির্ধারণ করা। নির্ভুল ও স্বচ্ছ ভোটার তালিকা প্রণয়ন করার জন্য পর্যাপ্ত দক্ষ লোকবল নিয়োগ করে খসড়া তালিকা তৈরির পর প্রতিটি ওয়ার্ডের একাধিক উপযুক্ত স্থানে জনসম্মুখে খসড়া তালিকা উপস্থাপন করতে হবে এবং উপস্থিত এলাকার জনগণের মাধ্যমে ভেলিডেশন বা পুন:যাচাই সাপেক্ষে নির্দিষ্ট সময় পরে (কমপক্ষে ১৫ দিন সময় দিয়ে) ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করতে হবে।

সুপারিশের মধ্যে আরো রয়েছে, নিবন্ধনকৃত দল যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী কিন্তু নানা কারণে নির্বাচনে কখনো অংশগ্রহণ করেনি সে সমস্ত দলের নিবন্ধন চলমান রাখতে হবে অর্থাৎ বাতিল করা যাবে না যদি না কোনো দল দেশদ্রোহী কাজে লিপ্ত হয়। নির্বাচনপূর্ব এবং নির্বাচনোত্তর পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে মাঠে রাখতে হবে যেনো ধর্মীয় সংখ্যালঘু এলাকাসহ সকল ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় স্বাভাবিক অবস্থা বজায় থাকে।

এছাড়া একই দিনে ৩০০ আসনে নির্বাচন সম্পন্ন করা। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা বজায় রাখার জন্য বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনেই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে হবে এবং একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র অনলাইনে জমা দেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা।