ঢাকা ০৪:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে : শফিকুল আলম বিএনপি একটি উদারপন্থী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল: মির্জা ফখরুল ক্ষমতায় গেলে ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে: তারেক রহমান একটা বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের ক্রিকেট বন্ধ হবে না : আবুল কালাম শাহজালাল ফার্টিলাইজার প্রকল্প আত্মসাৎ: ৩১ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে নতুন যে বার্তা দিল জাতিসংঘ বিশ্বকাপ খেলতে চায় বাংলাদেশও, বন্ধ হয়নি সব দরজা : বুলবুল নিউজিল্যান্ডে ভয়াবহ ভূমিধস, বহু মানুষ নিখোঁজ, উদ্ধার অভিযান জোরদার ২০২৬ বিশ্বকাপ বয়কটের ডাক দিল জার্মানি তারেক রহমানের প্রথম নির্বাচনি জনসভা, সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে জনসমুদ্র

‘প্রযুক্তির প্রসারকে রাজনৈতিক জটিলতায় ফেলে দেয়া হচ্ছে’

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

হুয়াওয়ে, গ্লোবাল মোবাইল অ্যাসোসিয়েশন, সেন্টার অব এনভায়রনমেন্টাল ইকোনমিকস অব ফুডান ইউনিভার্সিটি এবং দ্য পেপার এর উদ্যোগে সাংহাইয়ে অবস্থিত জুমেইরাহ হিমালায়াস হোটেলে ‘কানেক্টেড ফর শেয়ারড প্রসপারিটি’ শীর্ষক একটি ফোরাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং বোর্ড সদস্য ক্যাথরিন চেন ‘বিলিভ ইন দ্য পাওয়ার অব টেকনোলজি’ শীর্ষক মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা অনলাইনে এবং সরাসরি উভয়ভাবেই যুক্ত হন। বিশ্বের ৫০টিরও অধিক দেশ থেকে অন্তত ১ হাজার অতিথি অনলাইনে এই কনফারেন্সে অংশ নেন, যেখানে ভবিষ্যতের জন্য পৃথিবী গড়তে ডিজিটাল প্রযুক্তি ও টেকসই উন্নয়নের আন্তঃসংযোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়। যেখানে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং চীন, মালয়েশিয়া, স্পেন, থাইল্যান্ড, হাঙ্গেরি ও পর্তুগালের খাত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ক্যাথরিন চেন তার আলোচনায় মানবজাতির ভবিষ্যত অগ্রযাত্রার চালিকাশক্তি হিসেবে প্রযুক্তির ভূমিকা প্রসঙ্গে আলোকপাত করেন। এ সময় তিনি জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সাথে তার একাত্মতা প্রকাশ করেন এবং একটি সবুজ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পৃথিবী গঠনের প্রত্যয়ে সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে প্রতিটি বৃহত্তর দৃষ্টিভঙ্গি ধারণের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘২০২০ সাল আমাদের সকলের জন্যই মিশ্র প্রতিক্রিয়া বয়ে এনেছিল। মহামারির কারণে আমাদের জীবনযাত্রায় এসেছে আমূল পরিবর্তন। আমাদের পারিপার্শ্বিকতাকে দেখবার চোখ ও যাচাই করার মনও অনেকখানি বদলে গিয়েছে। এই কঠিন সময়ের মধ্য দিয়েই আমি উপলব্ধি করতে পেরেছি যে, সমাজের সকলের মাঝে ঐক্যমত তৈরি করা একটি অত্যন্ত দূরহ ব্যাপার। লকডাউন দেওয়া – না দেওয়া থেকে আরম্ভ করে মাস্ক পরা – না পরা, সকল ক্ষেত্রেই কিছু না কিছু দ্বিমত এবং বিবাদ আমরা লক্ষ্য করেছি”।

তিনি আরো বলেন, “বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্রমবিকাশ গোটা মানবসভ্যতার ক্রমবিকাশের সাথে কতটা ওতপ্রোতভাবে জড়িত, তা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। কিন্তু ইদানিং বিজ্ঞানের বিভিন্ন অসামান্য অবদানকে নানা ধরনের রাজনৈতিক জটিলতায় ফেলে দেয়া হচ্ছে। বিরূপভাবে প্রকাশ করা হচ্ছে। উদ্বেগ ও সংশয় থেকে অনেকের মনে বিজ্ঞানের প্রতি বিরূপ মানসিকতা জন্মাচ্ছে। এমনকি প্রযুক্তির প্রসারকে থামানোর জন্যও অনেকে রীতিমতো উঠেপড়ে লেগেছে।’

ফাইভজি প্রযুক্তির বিশেষত্ব এর উচ্চ ব্যান্ডউইডথ, লো ল্যাটেন্সি এবং বিস্তৃত কানেক্টিভিটি সুবিধার মাঝে নিহিত। এর সাহায্যে গতানুগতিক ধারার খাতে আমূল পরিবর্তন আনা সম্ভব, যার লাভের ভাগীদার হতে পারবেন সবাই। ইতিমধ্যেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানা খাতে ফাইভজি প্রযুক্তির ব্যবহার পরিলক্ষিত হচ্ছে। ব্যক্তি পর্যায়ে গ্রাহক সন্তুষ্টির মান বৃদ্ধির পাশাপাশি বিভিন্ন সমুদ্রবন্দর, মাইন ও যাতায়াত ব্যবস্থায় বাণিজ্যিক পর্যায়ে ফাইভজি’র ক্রমবর্ধমান ব্যবহার প্রতিনিয়ত নতুন আশার যোগান দিচ্ছে।

একমত হওয়া কঠিন, কিন্তু প্রযুক্তিকে বন্ধ করা সহজ। এন্টারপ্রাইজগুলোর জন্য প্রযুক্তির ওপর বিশ্বাস ছোট বিষয় থেকেও শুরু হতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে : শফিকুল আলম

‘প্রযুক্তির প্রসারকে রাজনৈতিক জটিলতায় ফেলে দেয়া হচ্ছে’

আপডেট সময় ০৯:৪০:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

হুয়াওয়ে, গ্লোবাল মোবাইল অ্যাসোসিয়েশন, সেন্টার অব এনভায়রনমেন্টাল ইকোনমিকস অব ফুডান ইউনিভার্সিটি এবং দ্য পেপার এর উদ্যোগে সাংহাইয়ে অবস্থিত জুমেইরাহ হিমালায়াস হোটেলে ‘কানেক্টেড ফর শেয়ারড প্রসপারিটি’ শীর্ষক একটি ফোরাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং বোর্ড সদস্য ক্যাথরিন চেন ‘বিলিভ ইন দ্য পাওয়ার অব টেকনোলজি’ শীর্ষক মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা অনলাইনে এবং সরাসরি উভয়ভাবেই যুক্ত হন। বিশ্বের ৫০টিরও অধিক দেশ থেকে অন্তত ১ হাজার অতিথি অনলাইনে এই কনফারেন্সে অংশ নেন, যেখানে ভবিষ্যতের জন্য পৃথিবী গড়তে ডিজিটাল প্রযুক্তি ও টেকসই উন্নয়নের আন্তঃসংযোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়। যেখানে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং চীন, মালয়েশিয়া, স্পেন, থাইল্যান্ড, হাঙ্গেরি ও পর্তুগালের খাত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ক্যাথরিন চেন তার আলোচনায় মানবজাতির ভবিষ্যত অগ্রযাত্রার চালিকাশক্তি হিসেবে প্রযুক্তির ভূমিকা প্রসঙ্গে আলোকপাত করেন। এ সময় তিনি জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সাথে তার একাত্মতা প্রকাশ করেন এবং একটি সবুজ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পৃথিবী গঠনের প্রত্যয়ে সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে প্রতিটি বৃহত্তর দৃষ্টিভঙ্গি ধারণের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘২০২০ সাল আমাদের সকলের জন্যই মিশ্র প্রতিক্রিয়া বয়ে এনেছিল। মহামারির কারণে আমাদের জীবনযাত্রায় এসেছে আমূল পরিবর্তন। আমাদের পারিপার্শ্বিকতাকে দেখবার চোখ ও যাচাই করার মনও অনেকখানি বদলে গিয়েছে। এই কঠিন সময়ের মধ্য দিয়েই আমি উপলব্ধি করতে পেরেছি যে, সমাজের সকলের মাঝে ঐক্যমত তৈরি করা একটি অত্যন্ত দূরহ ব্যাপার। লকডাউন দেওয়া – না দেওয়া থেকে আরম্ভ করে মাস্ক পরা – না পরা, সকল ক্ষেত্রেই কিছু না কিছু দ্বিমত এবং বিবাদ আমরা লক্ষ্য করেছি”।

তিনি আরো বলেন, “বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্রমবিকাশ গোটা মানবসভ্যতার ক্রমবিকাশের সাথে কতটা ওতপ্রোতভাবে জড়িত, তা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। কিন্তু ইদানিং বিজ্ঞানের বিভিন্ন অসামান্য অবদানকে নানা ধরনের রাজনৈতিক জটিলতায় ফেলে দেয়া হচ্ছে। বিরূপভাবে প্রকাশ করা হচ্ছে। উদ্বেগ ও সংশয় থেকে অনেকের মনে বিজ্ঞানের প্রতি বিরূপ মানসিকতা জন্মাচ্ছে। এমনকি প্রযুক্তির প্রসারকে থামানোর জন্যও অনেকে রীতিমতো উঠেপড়ে লেগেছে।’

ফাইভজি প্রযুক্তির বিশেষত্ব এর উচ্চ ব্যান্ডউইডথ, লো ল্যাটেন্সি এবং বিস্তৃত কানেক্টিভিটি সুবিধার মাঝে নিহিত। এর সাহায্যে গতানুগতিক ধারার খাতে আমূল পরিবর্তন আনা সম্ভব, যার লাভের ভাগীদার হতে পারবেন সবাই। ইতিমধ্যেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানা খাতে ফাইভজি প্রযুক্তির ব্যবহার পরিলক্ষিত হচ্ছে। ব্যক্তি পর্যায়ে গ্রাহক সন্তুষ্টির মান বৃদ্ধির পাশাপাশি বিভিন্ন সমুদ্রবন্দর, মাইন ও যাতায়াত ব্যবস্থায় বাণিজ্যিক পর্যায়ে ফাইভজি’র ক্রমবর্ধমান ব্যবহার প্রতিনিয়ত নতুন আশার যোগান দিচ্ছে।

একমত হওয়া কঠিন, কিন্তু প্রযুক্তিকে বন্ধ করা সহজ। এন্টারপ্রাইজগুলোর জন্য প্রযুক্তির ওপর বিশ্বাস ছোট বিষয় থেকেও শুরু হতে পারে।